রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে কমেছে গমের আবাদ
রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে গমের আবাদ কমেছে। গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৬০০ হেক্টর কম জমিতে এবার গমের চাষ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজশাহীতে ২৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে গম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলো কৃষি বিভাগ। কিন্তু চলতি মৌসুমে গমের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি। অর্জন হয়েছে ২৫ হাজার ৪৯৭ হেক্টর জমি।
কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজশাহীতে প্রতিবছরই গমের আবাদ ভালো হয়। কিন্তু গম চাষে খরচ ও শ্রম বেশি লাগে। এরমধ্যে ইঁদুরসহ পোকা-মাকড়ের আক্রমণ বেশি হয়। কিন্তু লাভ কম। এরচেয়ে কম শ্রম ও খরচে সবজি চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। তাই সম্ভাবনাময় অন্যান্য ফসল আবাদের দিকে বেশি ঝুঁকছে কৃষক। ফলে কমছে গমের আবাদ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে জেলায় ২৫ হাজার ৪৯৭ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছিলো। ওই বছর ফলন ছিলো হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ৭৩ মেট্রিকটন। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বোর মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে। ফলন ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ৬২ মেট্রিকটন।
কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা গমের আবাদ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলছেন, করোনাকালীন সবজি ও মসলা জাতীয় ফসলের বেশ ভালো দাম পেয়েছেন চাষিরা। ফলে ধান ও গমের আবাদ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।কৃষি বিভাগ আরও জানায়, ২০২০-২১ মৌসুমে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ৬ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও তা এখন পর্যন্ত অর্জন হয়নি। এছাড়া বাঘায় ৫ হাজার ৫২৫ হেক্টর, চারঘাটে ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর, পবায় ২ হাজার ১৯৫ হেক্টর, তানোরে ১ হাজার ৫৫০ হেক্টর, পুঠিয়ায় ২ হাজার ৫১৫ হেক্টর, বাগমারায় ১ হাজার ৫৬০ হেক্টর, দূর্গাপুরে ১ হাজার ১০ হেক্টর, মোহনপুরে ৮৫ হেক্টর, মতিহারে ৩০ এবং বোয়ালিয়ায় ৫০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহীর পবা, মোহনপুর, বাঘা, চারঘাট ও তানোর উপজেলায় বেশি গম চাষ হয়। মোহনপুর উপজেলার ধোপাঘাটা এলাকার চাষি আফজাল হোসেন সকালের সময়কে বলেন, এ বছর গম চাষে গমের গমের বীজ ও সারের দাম বেড়েছে। ইদুরের উপদ্রবও বেশি। অন্য বছরের চেয়ে গম চাষে খরচ বেশি হয়েছে।
একই এলাকার চাষি আব্দুস সালাম বলেন, গত চার বছর আগে বাড়িতে খাওয়ার জন্য এক থেকে দেড় বিঘা জমিতে গম চাষ করতেন। গত দুই বছর থেকে ৪-৫ বিঘা জমিতে গম চাষ করছেন। বিঘা প্রতি ১৬ মণ হারে গমের ফলন হয়। হাজার টাকা মণ বিক্রি করলেও ১৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়। তবে, এক বিঘা জমিতে সবজির আবাদ করলে ৪-৫ গুণ বেশি লাভবান হওয়া যায়। তাই গমের আবাদ কমিয়ে দিয়েছেন।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন সকালের সময়কে জানান, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে গমের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা কমেছে। কৃষকরা যখন যে ফসলে ভালো লাভ দেখেন সেটাই আবাদ করেন। এবছর হয়তো গমে লাভ কম হবে ভেবে অন্য আবাদ করছেন। জেলায় বারি-২৫, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৩২ জাতের গম বেশি চাষ হয়। তবে, বারি- ৩৩ জাতের গম চাষে চাষিদের আগ্রহ বেশি রয়েছে।
এমএসএম / জামান
বুধবার কুড়িগ্রাম আসছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান
মৌলভীবাজারে আনসার–ভিডিপির নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ভূঞাপুরে কুরআনের পাখিদের ক্রীড়া উৎসব ও পুরস্কার বিতরণ
নেছারাবাদে দাড়িপাল্লার পক্ষে জনসভা, ‘দেশ সংস্কারে হ্যাঁ ভোট’ চাইলেন শামীম সাঈদী
কাপাসিয়ায় বিএনপি প্রার্থীকে এনপিপি প্রার্থীর পূর্ণ সমর্থন
অবশেষে রেলগেটের উচু-নিচু সড়কটি মেরামত হলো কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস রাণীনগর বাসীর
শ্রমিক দলের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে নির্বাচনী জনসভা
রাজস্থলীতে বন্যহাতির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারি অনুদানের নগদচেক বিতরণ
মোহনগঞ্জে ধনু নদীর পাড় দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
সুন্দরবনে ঝিনুক ও শামুক পাচারকালে ট্রাকসহ ৭ হাজার ৫০০ কেজি মাল জব্দ
মুরাদনগরে নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা
কালকিনিতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
নাচোলে ধানের শীষের মহিলা সমাবেশে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশ
Link Copied