ঢাকা রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষ : ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০-৪-২০২২ বিকাল ৫:৯

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার বিকেল পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য কারা দায়ী, সে বিষয়ে জানতে কমপক্ষে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

ডিএমপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়াদের বেশিরভাগই দোকান কর্মচারী ও ফুটপাথের হকার। এছাড়া ঢাকা কলেজের বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের অনানুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

ঘটনাস্থল ছাড়াও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিনা উস্কানিতে কেউ সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে কি-না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সূত্র আরো জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ বেশ কয়েকজন সহিংস হকারকে চিহ্নিত করেছে। একাধিক ফুটেজে ঘুরেফিরে তাদের চেহারা দেখা গেছে। সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ ও পথচারীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে তারা।

নিউমার্কেট থানা ছাড়াও ডিএমপির নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট, মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও সাইবার টিম ঘটনা তদন্তে কাজ করছে। মিথ্যা তথ্য প্রচার করে কেউ পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে কিনা, তা শনাক্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো স্ক্রিনিং করা হচ্ছে।

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানান, ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আজই মামলা হবে। মামলায় ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউমার্কেট থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় একটি মামলা লেখা হচ্ছে। মামলায় ডেলিভারিম্যান নাহিদকে হত্যা, পুলিশের ওপর হামলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত ধারা যুক্ত করা হচ্ছে। সন্ধ্যা নাগাদ মামলা দেয়ার কাজ শেষ হবে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ সময় আহত হন বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও।

মঙ্গলবার সকালে আবারো সংঘর্ষে জড়ান শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে তারা ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। ছাত্রদের অনেকে হেলমেট পরে এবং লাঠি হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। ব্যবসায়ী-কর্মচারীরাও লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো শুরু করেন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংঘর্ষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে গোটা নিউ মার্কেট ও সায়েন্সল্যাব এলাকায়। থেমে থেমে সারাদিন চলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী এবং প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ী-কর্মচারী আহত হন। দুই শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়া কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী নাহিদ হোসেন মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে।

সংঘর্ষের খবর সংগ্রহে গিয়ে ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীদের হামলায় আহত হয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের অন্তত ৯ জন সাংবাদিক।

শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীদের এ সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে দুপুর ১২টার দিকে। ফলে বাধাহীনভাবে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া আগের রাতের সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার সকালে পুলিশের কোনো সতর্কতামূলক পদক্ষেপ সেখানে দেখা যায়নি।

জামান / জামান

ঢাকা মেডিকেলে অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ওয়ার্ড বয় ও ওয়ার্ড মাস্টারের হামলার শিকার সাংবাদিক সালাউদ্দিন

সিএসি অ্যাওয়ার্ড পেলেন আরজেএফ চেয়ারম্যান এসএম জহিরুল ইসলাম

শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামের বিকল্প নেই

হজক্যাম্প হতে সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২, সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল উদ্ধার

ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ

বাংলাদেশ কংগ্রেস নেতাকে হত্যার হুমকি

তেজগাঁওয়ে জামায়াতের ইউনিট প্রতিনিধি সম্মেলন

সমন্বিত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার ও বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর

বিদেশে বিনিয়োগকৃত কোম্পানীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত নথি ব্যবহারে প্রবাসী কর্মীকে বঞ্চিত করার অভিযোগ

শ্রমিক দিবস প্রতিবছর আসে মেহনতী পরিবহন শ্রমিকরা অবহেলিত থেকে যায়

উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে নেপাল ফটো সাংবাদিক সফরত বিপিজেএ উদ্যাগে কক্সবাজার ভ্রমন

উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার