ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

হোমনায় নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা


তপন সরকার, হোমনা photo তপন সরকার, হোমনা
প্রকাশিত: ৩১-৫-২০২২ দুপুর ১২:১৫
কুমিল্লার হোমনায় পাঠ্যবইয়ের বাইরেও নিষিদ্ধ গাইড বই কেনার জন্য শিক্ষার্থীদের নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু শিক্ষকের বিরুদ্ধে। কমিশন পেতে গাইড বইয়ের প্রয়োজন না হলেও এ সমস্ত অসাধু শিক্ষক নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে বাধ্য করছে শিক্ষার্থীদের। তাদের হাতে গাইড বইয়ে লিষ্ট ধরিয়ে দিয়ে নির্ধারিত লাইব্রেরীতে ফোন করে দিচ্ছেন তারা। জানাগেছে, বছরের প্রথম থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন প্রকাশনীর প্রতিনিধিরা একটি সিলেবাস  ছাপিয়ে দেয়। তাদের সিলেবাস থেকেই পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়। তাই বাধ্যতামূলক ঐ প্রকাশনীর বই কিনতে আগ্রহী হয় শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া বইয়ের গুণগত মান যাই হউক না কেন  প্রকাশনী সংস্থার ডোনেশনের ওপর বই পাঠ্য নির্ভর করে। ফলে বইয়ের গায়ের মূল্যে শিক্ষার্থীরা বই কিনতে হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। সরকারিভাবে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হলে ও উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নির্ধারন করে দিচ্ছে কোন শ্রেণিতে কোন প্রকাশনীর বই কিনতে হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে, ক্লাসে বুকলিস্ট দিয়ে নির্দিষ্ট প্রকাশনীর নোট গাইড গ্রামার ও ব্যাকরণ বই কিনতে বলা হয়। ফলে কিছু করার থাকে না। বাধ্য হয়েই তা কিনতে হয়।
 
এদিকে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার লাইব্রেরী গুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এই সব অবৈধ গাইড বই। জানাগেছে, প্রকাশিনীর বিক্রয় প্রতিনিধিরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা শ্রেণি শিক্ষককে ম্যানেজ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানের এসব গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে  গাইড বই বিক্রি চলে আসলে ও রহস্যজনক কারনে তা বন্ধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।
 
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক এক  শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এক এক প্রকাশনীর বই পাঠ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অপরদিকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ধ্বংস করা হচ্ছে। এতে সরকার যে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালু করেছে তাও মারাত্মকভাবে ব্যহত করছে এ অবৈধ নোট ও গাইড বই। শুধু তাই নয় অনেক শিক্ষক অভিজ্ঞ না হওয়ায়, তারাও নোট ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
 জানাগেছে, কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধিরা তাদের বই পাঠ্যকরতে প্রধান শিক্ষককে মোটা অঙ্কের টাকা উপহার দেয়ার ও অভিযোগ রয়েছে। আবার কোন প্রকাশনীর লোকজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেইজবুকে পোষ্ট করতেও দেখা গেছে। এদিকে কলাগাছিয়া এম এ উচ্চ বিদ্যালয় ও  কাশিপুর হাসেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে পপি গাইডের বিক্রয় প্রতিনিধির ফুলেল শুভেচ্ছার ছবি যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
 
এ বিষয়ে কাশিপুর হাসেমীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার সরকার জানান, কেহ বিদ্যালয় পরিদর্শে এসে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো দোষের কিছু নেই। তবে বিদ্যালয়ে কোন গাইড বই পাঠ্য করা হয়নি। 
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রধান শিক্ষক  টাকার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, পাঠ্যবইয়ে আনসিন প্রশ্নের কারণে সহায়ক বইয়ের সুবিধা নিতে হয়। তবে আমরা নিষিদ্ধ গাইড বই পাঠ্য করার পক্ষে নই। তবে অবিভাবকদেরও সচেতন থাকতে হবে। অন্যদিকে প্রশাসনের তদারকি খুব জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
 
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী রুহুল আমীন জানান, সরকারের নির্ধারিত বই ছাড়া অন্যগুলো পড়ানোর সুযোগ নেই। গাইড বইয়ের বিষয়ে আমার কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে যদি শিক্ষার্থীদের গাইডবই কিনতে বলা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

মাতলামির অভিযোগে যশোরে এক ব্যক্তির ৪ মাসের কারাদণ্ড

বৃহত্তর টঙ্গী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠীসহ ৫ জন জয়িতা নারীকে পামডো'র সংবর্ধনা

বাগেরহাটে ব্যাংকার কল্যান ফোরামের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

নোয়াখালীতে খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

নন্দীগ্রামে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ

কফিন বন্দি হয়ে দেশে ফিরলেন ইরানের হামলায় নিহত আহমেদ আলী: দাফন সম্পন্ন

ভুয়া বিল-ভাউচারে উধাও সাড়ে ৫ লাখ টাকা

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম

বগুড়ায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ স্বামী–স্ত্রী গ্রেফতার

গজারিয়ায় ১০০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১, পলাতক ২

ধুলায় ধুসর কুড়িগ্রামের জনজীবন, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত সাধারণ মানুষ

কামারখন্দ জামতৈল রেলস্টেশনে অবৈধ ৬০টি দোকান উচ্ছেদ