ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ৫৬০ পরিবার বাস্তুহারা


মজিবর রহমান, গাইবান্ধা photo মজিবর রহমান, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ২-৭-২০২২ বিকাল ৫:৩৮

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি আবারো বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে ফজলুপুর ইউনিয়নের কাউয়াবাঁধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া এবারের বন্যায় বাস্তুহারা হয়েছে ৫৬০টি পরিবার।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমতে বা বাড়তে থাকলে ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। প্রথম দফার বন্যায় ভাঙনের পর দ্বিতীয় দফায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ফজলুপুর ইউনিয়নের কাউয়াবাঁধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনটি গতকাল শুক্রবার বিকেলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া প্রতিদিনই বসতভিটাসহ ফসলি জমি নদীর পেটে চলে যাচ্ছে।

উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী, কাউয়াবাঁধা, ফুলছড়ি ইউনিয়নের পিপুলিয়া, বাগবাড়ী, দেলুয়াবাড়ী, উড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া, মধ্য উড়িয়া ও দক্ষিণ উড়িয়া গ্রামের ভাঙনের আঘাতটা সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ উড়িয়া গ্রামের ২৬টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে তাদের বসতভিটা হারিয়েছেন। হুমকির মুখে রয়েছে শত শত পরিবার। বসতভিটা হারানো মানুষগুলো উড়িয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে গুনভরি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়বে বলে স্থানীয়দের ধারণা। ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

দক্ষিণ উড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সোলায়মান হোসেন (৪২) বলেন, দিনমজুরি করে সংসার চালাতে হয়। ঘরে ১৪ বছর বয়সী একটা প্রতিবন্ধী ছেলে রয়েছে। বাড়িভিটা ছাড়া আর কোথাও জমিজমা নেই। যেভাবে নদী ভাঙছে, তাতে এবার বাড়িঘর থাকবে কি-না সন্দেহ আছে।

উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড মধ্য উড়িয়া গ্রামে কিছু অংশে কাজ করেছে। ফলে সেখানে আর নদীভাঙনে ক্ষয়ক্ষতি নেই। উত্তর উড়িয়া ও দক্ষিণ উড়িয়া গ্রামের ভাঙনকবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বিশাল জনগোষ্ঠী ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ বলেন, ফুলছড়ি একটি নদীবেষ্টিত উপজেলা। নদীভাঙনে এ উপজেলার মানুষকে দারিদ্র্যে পরিণত করছে। ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কমে যাবে।

এমএসএম / জামান

না ফেরার দেশে কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক রবিউল

‎আনোয়ারায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মূল আসামী গ্রেপ্তার

আত্রাই নদী থেকে অবিবাহিত মানসিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

মৌলভীবাজারে পবিত্র আশুরার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে টঙ্গীতে জামায়াতের বর্ণাঢ্য র‍্যালি : মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান

বারহাট্টায় এমপির হস্তক্ষেপে সংস্কার হচ্ছে অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক

খুঁটির জোরে ডেপুটেশনে ৭ বছর পিডি: রাকাব এসইসিপি প্রকল্পে ৪২ কর্মচারীর কর্মবিরতিতে অচলাবস্থা

পাগলা মসজিদে সাড়ে ৩ ঘণ্টায় পাওয়া গেল ১০ কোটি টাকা, গণনা চলছে

বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের কর্মীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, খালিয়াজুরী থানায় মামলা

রায়গঞ্জে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে রাস্তায় তাঁতকল মালিক-শ্রমিকরা

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক সাইফুদ্দিন রমিজকে হুমকি ও অপপ্রচার, থানায় জিডি

রাঙ্গুনিয়ায় দুই প্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অব্যবস্থাপনা: বেসিন যেন মেডিকেল বর্জ্যের ডাস্টবিন