ঢাকা রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইল পিবিআই কর্তৃক ক্লুলেস মামলা পুত্রের হাতে পিতা খুনের রহস্য উদ্ঘাটন


রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল photo রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ৪-৭-২০২২ দুপুর ৩:১৫
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস মামলা পুত্রের হাতে পিতা খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন প্রেস বিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান। আসামি দুজন হলো- টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার দেওভোগ দক্ষিণপাড়া গ্রামের খুন হওয়া হযরত আলীর ছেলে জেলহাজতে থাকা জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামি দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে আসিফ (১৮)। 
 
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিনের নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবীর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ফরহাদ হোসেনের নের্তৃত্বে পিবিআই টিম এ রহস্য উদ্ঘাটন করে। 
 
ঘটনার সাথে জড়িত ও ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামির অবস্থান শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সন্দেহভাজন আসামি দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে আসিফকে (১৮) তার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। আসিফ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানায়, তার বড় মামা হাজতি আসামি জাহাঙ্গীর মোল্লা নিজ পিতাকে অর্থাৎ তার নানাকে হত্যার পর দুজন যৌথভাবে লাশ গুম করে। জাহাঙ্গীর মোল্লা ও তার পিতা হযরত আলীর মধ্যে কিছুদিন যাবৎ সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ চলে আসছিল।
 
২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে আসিফ তার নানা হযরত আলীর বাড়িতে যায়। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হযরত আলী, ছেলে জাহাঙ্গীর ও নাতি আসিফ ঘটনাস্থল পুকুরপাড়ে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার একপর্যায়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী জাহাঙ্গীর তার হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে তার পিতা হযরত আলীকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ বিষয়ে কাউকে না জানানোর জন্য ভাগ্নে আসিফকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এরপর মামা-ভাগ্নে মিলে পানির মধ্যে থাকা কচুরিপানার নিচে লাশ গুম করে। তারা দুজনে মিলে মাটিতে পড়ে থাকা মৃত হযরত আলীর রক্ত পানি ও কাদা দিয়ে লেপে ধুয়ে পরিষ্কার করে। রাত আনুমানিক ১২টা৩০ মিনিটে তারা দুজনে বাড়ি চলে আসে।
 
এর কিছুদিন পর হযরত আলীর লাশ পুকুর হতে উদ্ধার হলেও গ্রেফতারকৃত আসামি আসিফ তার নানাকে দেখতে আসেনি। গ্রেফতারকৃত আসামি আসিফ ঘটনার পর হতে পালাতক ছিল। সে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা পিবিআইয়ের কাছে স্বীকার করেছে আসিফ।
 
এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় পিবিআই।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন, পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারী, পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবীর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ফরহাদ হোসেন।
 
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় ২০২১ সালের ৩ মার্চ পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা রুজু হয় (মামলা নং ০৩/২১)।

এমএসএম / জামান

সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছাতে হবে- এমপি গোলাম রছুল

সিংড়ায় এক ভ্যানচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাগেরহাট ৪১৮ জন মেধাবি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে জেলা পরিষদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত

চকরাজাপুর বাজার রোড এসবি করণ, এমপিকে ধন্যবাদ জানাল এলাকাবাসী

লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষ, যুবক নিহত, আহত তিন

পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধা, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট

আদমদীঘি কাশিমালা সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে গ্রামবাসি

‎আনোয়ারায় কবর খননে বাধা ও মারধরের ঘটনায় মূল আসামী গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে চরাঞ্চলের কিশোরীদের শিক্ষায় ফেরাতে ‎ও বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করছে ফ্রেন্ডশিপ

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মধুখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার ৫ম সম্মেলন

মহাসড়কে বস্তাভর্তি ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার

না ফেরার দেশে কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক রবিউল