ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে উঠছে আম : করোনার প্রভাবেও দাম চড়া

ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন জাতের আম। ইতোমধ্যেই পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান ও সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট। সেখানে প্রতিদিন ক্রেতাসমাগমও হচ্ছে প্রচুর। করোনার প্রকোপ থাকলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে আম। চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। বিভিন্ন জাতের আম কেনার জন্য ভিড় করতে শুরু করেছেন ক্রেতাসাধারণ। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার পৌর শহরের কালীবাড়ি বাজার, চৌরাস্তা, কালেক্টরেট চত্বর, বাসস্ট্যান্ড, সত্যপীর ব্রিজ, গোধূলী বাজার, সেনুয়া হাট, কোট চত্বর, আমতলা মোড়, তাঁতীপাড়া, মুন্সিরহাট, ঠাকুরগাঁও রোড, যুব সংসদ মাঠ, রেলক্রসিংসহ বেশকিছু স্থানে বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়াও ফেরি করে বেশকিছু ভ্রাম্যমাণ আম ব্যবসায়ীকে আম বিক্রি করতে দেখা যায়।
ঠাকুরগাঁও জেলায় সূর্যাপুরী, লাবুয়া, হাঁড়িভাঙ্গা, ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, অরুণা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্ণরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, কাঁচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপুরী, কারাবাউ, কেউই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, পাহুতান, ত্রিফলা, ছাতাপরা, গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতী ইত্যাদি জাতের আম চাষ হয়। এগুলোর মধ্যে স্থানীয় প্রজাতি সূর্যাপুরী ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আমের চাহিদা অনেক বেশি।
পৌর শহরের কালীবাড়ি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অস্থায়ী ভিত্তিতে আমের হাট বসেছে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির আম বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি সূর্যাপুরী ২৫-৪০ টাকা, লাবুয়া ৩০-৫০ টাকা, হাঁড়িভাঙ্গা ৪৫-৬০ টাকা, গুটি আম ২০-৫০ টাকা, আম্প্রপালি ৩০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সেখানে আম কিনতে আসা কাইমুদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, সূর্যাপুরী ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আম কিনতে এসেছি। করোনা পরিস্থিতিতেও দাম একটু চড়া। প্রতি কেজি সূর্যাপুরী ৩৫ ও হাঁড়িভাঙ্গা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও গত বছরের চেয়ে কম দামে কিনেছিলাম।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে আসা আম বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক বছর শুরুতেই আম বিক্রি হয়ে যায়। কিন্তু করোনার কারণে এ বছর আম কম বিক্রি হচ্ছে। মানুষজন বাড়ি থেকে বের হচ্ছে কম। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জুস ও অন্যান্য কোম্পানির পক্ষ থেকে বাগানেই আম কিনলেও এ বছর তারা কম আসছে। ফলে বাগানেও কিছু আম নষ্ট হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় আম বাগানের পরিমাণ ৮ হাজার ২৯ হেক্টর। বাগানের সংখ্যা ৩ হাজার। এরমধ্যে পীরগঞ্জ-হরিপুর উপজেলায় আম বাগানের সংখ্যা বেশি। ঠাকুরগাঁও জেলার বিখ্যাত আমের নাম সূর্যাপুরী। এটি সাধারণত বালিয়াডাঙ্গী এলাকায় বেশি চাষ হয়। বিশেষ করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী এলাকায় রয়েছে বিশালাকৃতির একটি সূর্যাপুরী আম গাছ। প্রায় দুই বিঘা জমিজুড়ে আম গাছটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। এ আম ইতোমধ্যে সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পাতলা আঁটি আর সুমিষ্ট গন্ধ যেন মন কেড়ে নেয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার সূর্যাপূরী আম সারাদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। এখানকার আমে পোকা থাকে না, এটা এখানকার আমের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। আমের আকার দেখতে ছোট হলেও স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। জেলায় আমের ফলন ভালোই হয়েছে। ইতোমধ্যে বাজারে আম উঠতে শুরু করেছে। করোনার কারণে ব্যবসায়ীরা কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তারপরও আমের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন বলে প্রতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এমএসএম / জামান

ছুটি ছাড়াই ২৩ মাস অনুপস্থিতির পর চসিকে ইঞ্জিনিয়ার তৈয়ব

বেনাপোলে ২ মণ গাঁজা সহ কিশোর আটক

নবীনগরে ফেসবুকে অপপ্রচার, গ্রামে মানববন্ধন ও থানায় অভিযোগ

নেত্রকোনায় জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে লড়ছেন ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক”

সার পাচারকালে তানোরে ৪০ বস্তা টিএসপি সার জব্দ

সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির ৫ সিনিয়র নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দেবিদ্বার রাজামেহার প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্সে আদর্শ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর ও অভিভাবক সমাবেশ

পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ করলে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে, অর্থনীতি হবে সমৃদ্ধ: সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

বেনাপোলে মিজান কসাইকে জবাই করে হত্যা

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ; সীমান্তে আরও অপেক্ষামাণ ২০থেকে ২৫ হাজার

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে

গাজীপুরে অন্তহীন অভিযোগে অভিভাবকদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক!

ভূঞাপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন সভা
Link Copied