ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

জুড়ীতে ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন


মনিরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার  photo মনিরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ১৮-৮-২০২২ দুপুর ৩:৫৩

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে পিডিবির অস্বাভাবিক ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেস সাধারণ জনগণ। ভুক্তভোগী জনগণের ব্যানারে উপজেলার নাইট চৌমুহনীতে বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে ওই পথে যাতায়াতকারী পথচারীরাও একাত্মত্বা প্রকাশ করেন।

মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগীরা পিডিবি অফিসে গিয়ে ঘেরাওসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে পিডিবির লাইনম্যান হারুন মিয়া ভুতুড়ে বিলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলে সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

মানববন্ধনকারীরা বলেন, বিগত বেশ কয়েক বছর  ধরে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে করতে আমরা সর্বস্বান্ত। আগের তুলনায় এখন কয়েকগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল আসছে। আমরা বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে তারা বলে আগামী মাস হতে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মাসের পর মাস ধরে অস্বাভাবিক বিল আসছেই। সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে। বিছিন্ন সংযোগ পুনরায় নিতে গেলে ভুতুড়ে বিল পরিশোধের পাশাপাশি সংযোগ নিতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। মানববন্ধনে বক্তারা এ থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

উপজেলার জাঙ্গিরাই গ্রামের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, প্রতি মাসে  মিটারের রিডিং না  দেখে বিল দেয়ায় ৮০০ থেকে ১০০০ ইউনিট বেশি বিল দেয়া হচ্ছে। এতে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বারবার অফিসে গিয়েও সমাধান না হওয়ায় আমরা মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি। আগামীতে প্রয়োজনে পিডিবি অফিস ঘেরাও করা হবে।

আলাপকালে মানববন্ধনে উপস্থিত আবু সাঈদ জানান, আমার বাবার নামের মিটারে প্রতি মাসে দুই হাজারেরও বেশি ইউনিটের বাড়তি বিল দেয়া হচ্ছে। আমরা ভুতুড়ে বিল থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই।

ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম  জানান, আগে আমার বাড়িতে সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিল আসত। এখন আসে ৩ হাজার হতে ৩২০০ টাকার বিল। বিদ্যুৎ বিল দিতে গিয়ে আমরা সর্বস্বান্ত।

বেলাগাঁও গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, আমার মিটারে প্রতি মাসে ৩ হাজার ইউনিটের বেশি বিল দেয়া হচ্ছে। আমি একজন সাধারণ কৃষক। কিন্তু বারবার অফিসে গিয়েও এ সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। আমরা এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই।

জানা যায়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটারের রিডিং দেখে বিল দেয়ার কথা থাকলেও প্রতি মাসে অফিসে বসে অনুমাননির্ভর ভুতুড়ে বিল তৈরি করে গ্রাহকদের কাছে বিলি করা হয়। এতে অতিরিক্ত বিলের বোঝা মাথায় নিয়ে বিদুৎ অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিচ্ছেন সাধারন গ্রাহক। অনেক সময় অফিসের লোকজনের সাথে ভুতুড়ে বিলকে কেন্দ্র করে গ্রাহকরা জড়িয়ে পড়ছেন বাকবিতণ্ডায়। দীর্ঘদিন থেকে এ সমস্যা চলতে থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা রিডিং না দেখে বিল দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, অনেকেই অবৈধভাবে বিদ্যুৎ চুরি করে ব্যবহার করছেন। তার কারণে বিদ্যুৎ বিতরণে সিস্টেম লস হচ্ছে। এ ঘাটতি পূরণে বৈধ গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল দিয়ে সমন্বয় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জুড়ী পিডিবির উপ-সহকারী  প্রকৌশলী আনসারুল কবির শামীম বলেন, যারা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করেছেন, মিটার দেখে সম্বনয়  করা হবে। এ সময় তিনি সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী প্রি-পেইড মিটার লাগানোর জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানান।

এমএসএম / জামান

লোগাংয়ে এম এন লারমা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রৌমারীতে ফাঁসিতে ঝুলে এক নারীর আত্মহত্যা

লাকসামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপন

আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে

মোরেলগঞ্জে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন: ৬ নভেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু

মনোহরদীতে এ্যাব মহাসচিবের উদ্যোগে নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত

গাজীপুরে জোড়া খুনের আসামি বরিশালে গ্রেপ্তার

রাজারহাটের ইউএনওর ছুটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: সাংবাদিক ও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা

যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা পালিয়ে গেল বাড়ির লোকজন

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা ও শিশুপুত্র নিহত

রাজশাহীতে উদীচীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রগতিশীল সংস্কৃতির শক্তিতে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোরস্থানের ভেতর থেকে ১ কেজি ৩৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

উল্লাপাড়ায় পানি সরবরাহ শুরুর আগেই পানির মিটার চুরি, শঙ্কায় গ্রাহক