ঢাকা বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

সাহায্য না পেলে ঠাকুরগাঁওয়ের রাহা-রোজাকে বাঁচানো যাবে না


কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও photo কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ৪-৭-২০২১ রাত ৮:১০

থেলাসামিয়া রোগে আক্রান্ত দুই বোন রাহা আক্তার মরিয়ম (৫) ও আরফিন রোজা (২)। জন্মের পর থেকে তারা এ রোগে ভুগছে।  প্রতি মাসে তাদের দুজনকে রক্ত দিতে হয়। বর্তমানে সেটাও জোগাড় হচ্ছে না। কারণ রক্ত বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও রক্ত দিতে আনুষঙ্গিক খরচগুলো জোগাড় করতে পারছেন না রাহা-রোজার দিনমজুর বাবা।

এই প্রতিবেদক যখন রাহা-রোজার বাড়ির সামনে তখন তাদের দাদির আকুতি, আমার নাতনি দুইটাকে বাঁচাও বাবা। ওদের মুখের দিকে আর তাকানো যাচ্ছে না। রক্তশূন্য মেয়েগুলোকে দেখে আর নিজেদের বাঁচতে ইচ্ছা করছে না। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কাজিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজু ইসলামের দুই মেয়ে তারা।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রামের একটি রাইস মিলে কাজ করেন রাহা রোজার বাবা রাজু ইসলাম। সেখান থেকে মাসে যা আয় করে তা দিয়ে মাসে একবারও ভালো তরকারি কেনা সম্ভব হয় না। অনেক সন্ধ্যা না খেয়েও থাকতে হয় তাদের। একটি টিনের ঘর, তাতেই গদাগদি করে থাকে তারা। দুই নাতির চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে ভাঙা একটি ইজিবাইক নিয়ে ছোটেন রাহা-রোজার বৃদ্ধ দাদা। ইজিবাইকটি সর্বোচ্চ চলে ২৫ কিলোমিটার। তাতে কোনোদিন আয় হয়, কোনোদিন আবার মেরামত করতেই সব টাকা চলে যায়।

স্থানীয়রা আরো জানান, রাহা-রোজার চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেক আগেই সর্বস্বান্ত হয়েছে পরিবারটি। এখন গ্রামের দু-চার, দশজনের ওপর ভরসা করেই জীবন প্রদীপ বেঁচে আছে দুই বোনের। কিন্তু তাও করোনাকাল থেকে ঝিমিয়ে পড়েছে। দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে যখন নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, রাহা-রোজাকে সাহায্য করা গুটিকয়েক গ্রামবাসী তখন তাদের করণীয়বা আর কী? স্থানীয়রা বলছেন, সরকার থেকে যদি রাহা-রোজাকে সাহায্য করা যেত তাহলে নিষ্পাপ ফুলের মতো শিশু দুটিকে বাঁচানো সম্ভব।

রাহা-রোজার বাবা জানান, আমার সহায়-সম্বল যা ছিল তার সবই শেষ। আমার মেয়ে দুটির চিকিৎসার খরচ চলে এলাকার কিছু ভাইয়ের টাকায়। কিন্তু করোনাকালে তাও বন্ধ হয়ে গেছে। আমার আয় দিয়ে কোনোদিন এক কেজি মাছ বা মাংস কিনে অসুস্থ্য সন্তানগুলোকে খাওয়াতে পারিনি। নাতনিদের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে না পেরে আমার অসুস্থ বাবা  ইজিবাইক নিয়ে রাস্তায় বের হন। কিন্তু করোনাকালে তিনিও এখন বেকার। আমার মেয়ে দুটিকে বাঁচাতে পারে শুধুমাত্র হৃদয়বানরা। আমার অর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। সেটা সরকারি হোক কিংবা ব্যক্তি থেকে। যদি তা না পাই তাহলে আমাকে নিজের কিডনি বেঁচে হলেও আমার সন্তানদের চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ ডাক্তার বলেছেন, উন্নত চিকিৎসা করালে আমার সন্তানরা ভালো হবে।

১১নং মোহম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সোহাগ বলেন, শিশুদ্বয়ের সমস্যার কথা আমি শুনেছি। পরিবারটি অনেক গরিব। আমি আহ্বান করব হৃদয়বানদের এগিয়ে আসতে। সেই সাথে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে একটি আর্থিক সাহায্যের আবেদন করতে আমি সুপারিশও করেছি।

এমএসএম / জামান

মাদারীপুরে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে অচলাবস্থা নিরসনে মতবিনিময় সভা

রূপগঞ্জে বেড়াতে এসে অপহরণের শিকার কলেজ শিক্ষার্থী

রাজারহাটে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা

"বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু হলে কমবে দূরত্ব, গতি পাবে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও বাণিজ্য"

কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

গোপালগঞ্জে দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভূঞাপুরে ডাকাতির চেষ্টা নস্যাৎ: দেশীয় অস্ত্র ও নৌকাসহ ৫ ডাকাতকে পুলিশে দিল জনতা

একটি মহল দেশকে অশান্ত করতে চায়, সতর্ক থাকার আহ্বানঃ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন

নিউজ প্রকাশের পরেও বহাল তবিয়তে নওগাঁর ভূমি কর্মকর্তা জিয়া

নানার বাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের ১২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

নবীগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার