নোবিপ্রবিতে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের আয়োজনে এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে জাতির পিতার ওপর বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।
সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. দিব্যদ্যুতি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক এনায়েত হোসেন।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান বাদশা মিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন, যা বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে শিক্ষাকে প্রাধান্য দিতে হবে। কারণ সোনার বাংলা গড়তে হলে আগে সোনার মানুষ গড়ে তুলতে হবে। একজন সৎ ও আদর্শবাদী নেতার উজ্জল দৃষ্টান্ত আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’ জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে প্রফেসর ড. মেসবাহ কামাল জাতির পিতার শিক্ষা ভাবনা ও শিক্ষা দর্শন এবং রাষ্ট্রনীতিতে তার প্রয়োগ নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা অনুধাবন করেছিলেন বাঙালি জাতিকে সমৃদ্ধ করতে হলে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এজন্য স্বাধীনতার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে গঠন করেন ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন। বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রথম বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ ছিল শিক্ষা খাতে। সোনার বাংলা পরিণত করার প্রধান সোপান হচ্ছে শিক্ষা, একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু দেশজ সংস্কৃতির সাথে শিক্ষার সংযোগ সাধন করেছিলেন। তিনি বিশ্ব মানবের মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের সংবিধানেও বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শন সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। সেখানে এদেশে শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, এবং শিক্ষাকে সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য সমান অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ’
এমএসএম / জামান
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহালয়া উদযাপন
পবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতির সাংগঠনিক পদ স্থগিত
রাবিতে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় ৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ
টানা ৩ বার ২% গবেষকের তালিকায়, সাবেক পাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতা
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শেকৃবির ৭ শিক্ষার্থী
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় পাবিপ্রবির ৮ গবেষক
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় কুবি শিক্ষক মোহাম্মদ শফি উল্যাহ্
শ্রেণিকক্ষের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কুবিতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা মেলা
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থী
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩৪ নম্বর রুম থেকে জার্মানির বায়ার্নে দুই বন্ধু
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত, ২৩ শিক্ষার্থী পেলেন বৃত্তি
কুবিতে শিক্ষাছুটি শেষে যোগ না দেওয়ায় ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য
১৫ দিনের সংস্কারে কি বদলাবে গবি ক্যান্টিন?
Link Copied