ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে ১৫০ বাড়ি বিলীন, আতঙ্কে এলাকাবাসী


আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর photo আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর
প্রকাশিত: ১৪-৯-২০২২ বিকাল ৫:১৭
কুড়িগ্রামের উলিপুরে গত দুই সপ্তাহে উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া, সরকারপাড়া, ব্যাপারীপাড়া, রসুলপুর ও বথুয়া তলী গ্রামের প্রায় ১৫০টি বাড়ি ও শত শত বিঘা আবাদি জমি নদী র্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন এলাকাবাসী।  ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছেন নদের অববাহিকার বাসিন্দারা। 
 
ভাঙনকবলিতরা আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও খোলা আকাশের নিচে। এছাড়াও তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে এসব নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের। 
 
ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে শেষ সম্বলটুকুও হারিয়েছেন উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফকির চান (৬০)। তিনি বলেন, ‘গতকাল হামার বাড়ি নদীর পোটোত গেইছে। হামার আর যাওয়ার মতো কোনো স্থান নাই। মানুষের জায়গায় কয়টা টিন দিয়ে ছায়লা করি কোনো রকমে আছি। কোথায় বাড়ি করব, কোথায় যাব, চিন্তায় বাঁচি না।’
 
ওই এলাকার লতিফ মণ্ডল বলেন, কয়েকদিন থেকে নদী খুব ভাঙছে। গাছপালা ফেলেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। আমার বাড়িও ভেঙে গেছে। আমাদের যে কি কষ্ট এখানে না আসলে কেউ বুঝতে পারবে না। এতো পরিমাণে ভাঙছে আমাদের কান্নাকাটি শুরু হয়েছে। 
 
স্থানীয় কলেজছাত্র আবুল কালাম আজাদ বলেন, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কি বা করার আছে বলুন? শত পোস্ট শত নিউজ করলেও কারও নজরে আসবে না বা কেউ গুরুত্ব দেবে না। কুড়িগ্রামের সবচেয়ে দরিদ্র ইউনিয়ন বেগমগঞ্জ সারাজীবন দরিদ্রই থাকবে। ত্রাণ নয়, টেকসই বাঁধ চান বেগমগঞ্জ ইউনিয়নবাসী। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের ইউনিয়নটিতে সুদৃষ্টি দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
 
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জালাল মিয়া বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে মুসুল্লিপাড়া এলাকার ১৫টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ৩-৪ জনের অবস্থা একেবারেই খুব খারাপ। তাদের যাওয়ার মতো কোনো স্থান নেই। আমরা স্থানীয়রা তাদের থাকার মতো কোনো রকমে স্থান করে দিয়েছি।
 
বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বাবলু মিয়া বলেন,আমার ইউনিয়নের বেশিরভাগ অংশ ব্রহ্মপুত্রের তীরে। ভাঙনে গত দুই সপ্তাহে প্রায় ১৫০টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। প্রায় ৪০০-৫০০ বিঘা জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধু  এক হাজার জিও ব্যাগ দিয়েছেন ব্যাপারীপাড়া গ্রামে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমি বলেছি- আপনারা কাজ না করেন এসে অন্তত ভাঙনটা দেখে যান।এখানে জরুরিভাবে ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে। 
 
উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল কুমার বলেন, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নে টিকসই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা করা হচ্ছে।
 
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন নিয়ে আমরা এমপি মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। সেখানে একটি স্কুলও রয়েছে। দ্রুত সেখানে কাজ করা হবে

এমএসএম / জামান

লাকসামে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে বাঁশখালীতে ত্রাণ বিতরণ

বাগেরহাটে জালে আটকা পড়া বিশাল অজগর আটক, পরে সুন্দরবনে অবমুক্ত

লাকসামে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ পালিত

মান্দায় মহিলাদল নেত্রীর ক্ষমতায় কাটা হচ্ছে সরকারি রাস্তার দুই শতাধিক গাছ

খুলনায় ৬০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২

কুড়িগ্রামে ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, জরিমানা

ঝিনাইদহে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীতে এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম, বৃষ্টির মধ্যেই পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালো ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক

ধামইরহাটে বিজিবি'র অভিযানে নেশার সিরাফ উদ্ধার

মাগুরা সদর হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন, রোগী-স্বজনদের স্বস্তি

কুমিল্লায় জলাবদ্ধতার মধ্যেও থেমে নেই পরীক্ষা, নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা