অন্ধ সংগঠনের সম্পদ নয়-ছয়
জীবনের হিসাব মেলাতে গিয়ে কোথায় যেন তাল কেটে যায়, অনেক প্রাপ্তির মাঝে থাকে ব্যর্থতার রোদন। ঠিক তেমনিভাবে দেশজুড়ে সামাজিক সংগঠনগুলোতে চলে সরকার থেকে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব-নিকাশ। দুর্নীতির গন্ধ এলে সংগঠনগুলোতে হয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের তদন্ত। তদন্তে উল্লেখ করা হয়, সরকারি অনুদানে পরিচালিত সামাজিক সংগঠনে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিদের থাকা সমীচীন নয়। হয় দেনদরবার। আবারো হয় অবৈধ কমিটি এবং চলতে থাকে দুর্নীতি।
এরকম এক সংগঠনের নাম ইসলামিক ব্লাইন্ড মিশন। রাজধানীর মিরপুর-১ থেকে ১৯৮২ সালে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি নিয়ে অন্ধদের পুনর্বাসন করতে ভিশন-মিশন নিয়ে যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি, যার রেজি নং ঢ-০১১৪৫। সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয় নুরুল ইসলাম খান, সেক্রেটারী হন তৌহিদুল আলম হুসাইনি।
মিরপুর-১-এর আল কামাল হাউজিং সোসাইটিতে ১৯৯০ সালে সরকারি অনুদানে অন্ধদের কল্যাণে সেক্রেটারি তৌহিদুল আলম হুসাইনি ৫ কাঠা জমি ক্রয় করেন, যার বর্তমান মূল্য ৩ কোটি টাকা। ১৯৯৩ সালে সংগঠনটিতে প্রথম অভিযোগ আসে সেক্রেটারি তৌহিদুল আলম হুসাইনি সরকারি চাকরিরত অবস্থায় তিনি সামাজিক সংগঠনের দায়িত্ব নিতে পারেন না। এর পরপরই নয়-ছয় হয় সরকারি অনুদানে অন্ধদের জন্য কেনা ব্রেইল মেশিনের টাকা। তৈরি হয় ব্রেইল মেশিন আমদানির নকল কাগজপত্র, কেনা হয় নষ্ট ব্রেইল মেশিন।
নানা অভিযোগে তৌহিদুল আলম হুসাইনি পদত্যাগ করেন এবং স্বপদে নিয়ে আসেন নিজ স্ত্রী খাদিজা আক্তারকে। পর্যায়ক্রমে ছেলেকেও অন্তর্ভুক্ত করেন সংগঠনে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর পরপর নতুন কমিটি হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৫ দেয়া হয় নতুন কমিটি। ২০১৫ সালের কমিটিতে সভাপতি পদে অন্তর্ভুক্ত হন ডক্টর এনাম এবং আবারো সেক্রেটারি পদে আসেন তৌহিদুল আলম হুসাইনি।
সংগঠনের অর্থ আত্মসাতে বাধাপ্রাপ্ত হলে সাংগঠনিক বলে ডক্টর এনামসহ কিছু সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করেন সেক্রেটারি তৌহিদুল আলম হুসাইনি। সংগঠনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে নেন মোটা অংকের অর্থ এবং বদলে ফেলেন সংগঠনের নাম। নতুন নাম রাখা হয় সেন্টার ফর এম্পাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড ইকুয়্যাটি ফর ডিজএ্যবল্ড (সিড)। ২০১৬ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয় সংগঠনের সকল কার্যক্রম। আবাসিক বস্তি বানিয়ে সংগঠনের নামে কেনা জমি থেকে আদায় করা হয় ভাড়া। দুর্নীতিবাজ তৌহিদুল আলমের ভাড়া আদায়ের সহযোগী হয় সংগঠনটির অফিস সহায়ক মোতালেব। মোতালেব পরিবারসহ সংগঠনের জমিতে বসবাস করে আসছে ১৯৯৩ সাল থেকে।
অনুসন্ধানের শেষে তৌহিদুল আলম হুসাইননির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দৈনিক সকালের সময়কে জানান, সংগঠনের আয়-ব্যয় সমান সমান। যা ভাড়া আসে তা কর্মচারী-কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতায় খরচ হয় এবং সংগঠনের মামলা চলমান রাখতে খরচ হয়। আর এখন তো ১ টাকা অনুদান আনতে ৭৫ পয়সা ঘুষ দেয়া লাগে।
নানাবিধ কথাবার্তার একপর্যায়ে তৌহিদুল আলম হুসাইনি এবং অফিস সহকারী মোতালেব ম্যানেজ করতে চান অনুসন্ধানী টিমকে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রকনুল হক জানান, আমরা একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, যার পরিপ্রেক্ষিতে তসন্ত কার্যক্রম শুরু করব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এমএসএম / জামান
বাটজার সভাপতি সাফওয়ান, সম্পাদক ইমন
রাজউকের মোবাইল কোর্টে ২১ ভবনে অভিযান, ৩৩টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গঠনে স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আদাবরে বিএনপি নেতা বাদশা হত্যা: দ্রুত বিচারের দাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল
মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের সাথে নিয়ে এক টেবিলে দুপুরের খাবার খেলেন জিকে শামীম
ক্র্যাব সদস্যদের অগ্নিনিরাপত্তার প্রশিক্ষণ দিলো ফায়ার সার্ভিস
আনসারের তৎপরতায় জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দালাল আটক
ন্যায্য বিচারের দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী পরিবার: প্রতিকার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি
হেফাজতের উসকানি ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে হেযবুত তওহীদের মানববন্ধন ও মিছিল
উত্তরখানে ডিএনসিসির প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ আসনের এমপির ওপর হামলার অভিযোগ
স্ত্রী-শাশুড়িকে খুন করে কলাবাগান থানায় হাজির হলেন যুবক
কারিগরি শিক্ষায় অবহেলা দূর ও ১০ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন