কুতুবদিয়ায় নামমাত্র দামে লবণ মাঠের নিলাম
কুতুবদিয়ায় নামমাত্র দামে এক সনের জন্য ৪ একর ৪০ শতক লবণ মাঠের সরকারি ইজারা ভাগিয়ে নিয়েছে একটি সিন্ডিকেট। ২৫ অক্টোবর সহকারী কমিশনার (ভূমি)'র কার্যালয়ে রিসিভারি মিচ মামলা ৭৭/৭২-৭৩ মূলে উত্তর ধূরুং মৌজার ৪ একর ৮০ শতক (১২ কানি) লবণ চাষের জমি নিলাম ডাকের আয়োজন করলে চক্রটি অভিনব কৌশল অবলম্বন করে
মাত্র ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকায় চলতি মৌসুমের জন্য উক্ত লবণ চাষের জমি ভাগিয়ে নেয় । যা চলতি বাজার মূল্যের এক তৃতীয়াংশ বলে জানিয়েছেন নিলামে অংশ গ্রহণকারী জহুর আলম। অথচ এক সনের জন্য ওই জমির বর্তমান বাজার দর কানি প্রতি ৪০ হাজার। অর্থাৎ ১২ কানির সর্বমোট বর্তমান বাজার দর দাঁড়ায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
ভুক্তভোগী জহুর আলম জানান, ডাককারিদের একটি সিন্ডিকেট অভিনব পথ বেছে নিয়ে পাতানো নিলামে অংশ গ্রহণ করায় সরকার উক্ত লবণ মাঠের ন্যয্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে একজন ১ লাখ ৫৩ হাজার ডাকার পরপর আরেকজন অস্বাভাবিকভাবে ১০ লাখ ডাকে। পরিকল্পনামতে তিনি ডাক সারেন্ডার করে সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যের মাধ্যমে নামমাত্র দামে ইজারা হাতিয়ে নিয়েছে তারা। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অপর ডাককারিসহ স্থানীয়রা।
জানা যায়, উত্তর ধূরুং মৌজার বি,এস ১৫৬৭ নং খতিয়ানের জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের ধরে গিত ১৯৭৩ সালে একটি এম.আর মামলা (এম.আর ১৩৫/৭৩) ও রিসভারী মিচ মামলা (মামলা নং-৭৭/৭২-৭৩) রুজু হয়। মামলার প্রেক্ষিতে সরকার ৪ একর ৮০ শতক জমি প্রতি বছর সরকারিভাবে নিলাম ডাক দিয়ে আসছে।
জহুর আলম সাংবাদিকদের জানান, গত ২৫ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে ওই জমিতে রিসিভার নিয়োগের ডাক দিলে তিনি সহ ৭ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের ৪ জন আত্মীয়তার সুবাধে একটি সিন্ডিকেট করে প্রকাশ্য ডাকে অংশ নেন। শুরুতে ১ম ডাককারি সাইফুল ৭০ হাজার টাকা উল্লেখ করে ডাক দেন ২য় ডাককারি জহুর আলম ১দলাখ ২০ হাজার টাকা ডাক দিলে ১ম ডাককারির আপনভাই গিয়াস উদ্দিন ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ডাকেন।
পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ১ম এবং ৩য় ডাককারির আরেকভাই আজম এক লাফে ১০ লাখ টাকা ডাক দিয়ে অন্য কাউকে ডাকার সুযোগ দেয়নি। এরপরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সর্বোচ্চ ডাককারি হিসেবে আজমের নাম ঘোষণা করায় আজম ইচ্ছাকৃতভাবে সারেন্ডার করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২য় সর্বোচ্চ ডাককারি গিয়াস উদ্দিনের (১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা) নাম ঘোষণা করেন।
এদিকে ইজারাকৃত ৪ একর ৮০ শতক জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পরস্পর যোগসাজসে ওই জমি মাত্র ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়ায় পুনরায় ইজারা দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন অপর ডাককারি জহুর আলম।
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা বলেন,যথাযথ নিয়ম ও শর্ত প্রকাশ এবং মেনে প্রকাশ্য ডাকের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ ডাককারি সারেন্ডার করায় নিয়মানুযায়ী ২য় সর্বোচ্চ ডাককারিকে ইজারা প্রদান করা হয়েছে। ২য় সর্বোচ্চ ডাককারিও যদি সারেন্ডার করত তাহলে নিয়মানুযায়ী ৩য় সর্বোচ্চ ডাককারিকে ইজারা প্রদান করা হতো।
এমএসএম / এমএসএম
ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া মদিনাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ
হাটিকুমরুল ইউনিয়ন যুবদলের আংশিক কমিটি গঠন: আমজাদ সভাপতি রাসেল সম্পাদক
শালিখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু
বাবা-ভাইসহ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় মগনামায় খাল থেকে ৯ বাঁধ অপসারণ
পত্নীতলায় একমাত্র দর্শনীয় স্থান ঐতিহাসিক দিবরদিঘী
ভোটের সময় সচল, শিক্ষার সময় বন্ধ: ডামুড্যার দিগশুল বিদ্যালয়ের বেহাল দশা
বাজারে এসেছে মৌসুমি ফল লটকন: টক-মিষ্টি স্বাদের আমেজ, চাহিদাও তুঙ্গে
উজানের ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই
বিড়ালদহ এস কে ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রকি সরকারের পাশে দাঁড়ালেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ
ত্যাগ, সংগ্রাম ও রাজপথের স্বীকৃতি সিটি ইউনিভার্সিটি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাশিমপুরের মো. লিংকন মিয়া
রানীনগরে মাদক কারবারীর ও সেবির কারাদন্ড
সিংড়ায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১২৬ পরিবার পেল ৭ লাখ টাকার অনুদান, এডিপির উপকরণ বিতরণ
Link Copied