ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

কুতুবদিয়ায় নামমাত্র দামে লবণ মাঠের নিলাম


নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া photo নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া
প্রকাশিত: ২৮-১০-২০২২ দুপুর ১১:৫৩
কুতুবদিয়ায় নামমাত্র দামে এক সনের জন্য ৪ একর ৪০ শতক লবণ মাঠের সরকারি  ইজারা ভাগিয়ে নিয়েছে একটি সিন্ডিকেট। ২৫ অক্টোবর   সহকারী কমিশনার (ভূমি)'র কার্যালয়ে  রিসিভারি মিচ মামলা ৭৭/৭২-৭৩ মূলে উত্তর ধূরুং মৌজার ৪ একর ৮০ শতক (১২ কানি) লবণ চাষের জমি নিলাম ডাকের আয়োজন করলে চক্রটি অভিনব কৌশল অবলম্বন করে 
মাত্র ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকায় চলতি মৌসুমের জন্য উক্ত লবণ চাষের জমি ভাগিয়ে নেয় । যা চলতি বাজার মূল্যের এক তৃতীয়াংশ বলে জানিয়েছেন নিলামে অংশ গ্রহণকারী জহুর আলম। অথচ এক সনের জন্য ওই জমির বর্তমান বাজার দর কানি প্রতি ৪০ হাজার। অর্থাৎ ১২ কানির সর্বমোট বর্তমান বাজার দর দাঁড়ায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
 
ভুক্তভোগী জহুর আলম জানান, ডাককারিদের একটি সিন্ডিকেট  অভিনব পথ বেছে নিয়ে পাতানো নিলামে অংশ গ্রহণ করায় সরকার উক্ত লবণ মাঠের ন্যয্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে একজন ১ লাখ ৫৩ হাজার ডাকার পরপর আরেকজন অস্বাভাবিকভাবে ১০ লাখ ডাকে। পরিকল্পনামতে তিনি ডাক সারেন্ডার করে সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যের মাধ্যমে নামমাত্র দামে ইজারা হাতিয়ে নিয়েছে তারা। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অপর ডাককারিসহ স্থানীয়রা।
 
জানা যায়, উত্তর ধূরুং মৌজার বি,এস ১৫৬৭ নং খতিয়ানের জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের ধরে গিত ১৯৭৩ সালে একটি এম.আর মামলা (এম.আর ১৩৫/৭৩) ও রিসভারী মিচ মামলা (মামলা নং-৭৭/৭২-৭৩) রুজু হয়। মামলার প্রেক্ষিতে সরকার ৪ একর ৮০ শতক জমি প্রতি বছর সরকারিভাবে নিলাম ডাক দিয়ে আসছে।
 
জহুর আলম সাংবাদিকদের জানান, গত ২৫ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে ওই জমিতে রিসিভার নিয়োগের  ডাক দিলে তিনি সহ ৭ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের ৪ জন আত্মীয়তার সুবাধে একটি সিন্ডিকেট করে প্রকাশ্য ডাকে অংশ নেন। শুরুতে ১ম ডাককারি সাইফুল ৭০ হাজার টাকা উল্লেখ করে ডাক দেন ২য় ডাককারি জহুর আলম ১দলাখ ২০ হাজার টাকা ডাক দিলে ১ম ডাককারির আপনভাই গিয়াস উদ্দিন ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ডাকেন।
 
পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ১ম এবং ৩য় ডাককারির আরেকভাই আজম এক লাফে ১০ লাখ টাকা ডাক দিয়ে অন্য কাউকে ডাকার সুযোগ দেয়নি। এরপরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সর্বোচ্চ ডাককারি হিসেবে আজমের নাম ঘোষণা করায় আজম ইচ্ছাকৃতভাবে সারেন্ডার করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২য় সর্বোচ্চ ডাককারি  গিয়াস উদ্দিনের (১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা) নাম ঘোষণা করেন।
 
এদিকে ইজারাকৃত ৪ একর ৮০ শতক জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পরস্পর যোগসাজসে ওই জমি মাত্র ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়ায় পুনরায় ইজারা দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন অপর ডাককারি জহুর আলম।
 
 এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা বলেন,যথাযথ নিয়ম  ও শর্ত প্রকাশ এবং মেনে প্রকাশ্য ডাকের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ ডাককারি সারেন্ডার করায় নিয়মানুযায়ী ২য় সর্বোচ্চ ডাককারিকে ইজারা প্রদান করা হয়েছে। ২য় সর্বোচ্চ ডাককারিও যদি সারেন্ডার করত তাহলে নিয়মানুযায়ী ৩য় সর্বোচ্চ ডাককারিকে ইজারা প্রদান করা হতো।

এমএসএম / এমএসএম

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত