ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

বরেন্দ্র অঞ্চলে শেয়ালের উৎপাতে অতিষ্ট মানুষ


সোহানুল হক পারভেজ, তানোর photo সোহানুল হক পারভেজ, তানোর
প্রকাশিত: ৩১-১০-২০২২ দুপুর ১১:৪৫
রাজশাহীর প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শেয়ালের উপদ্রপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতে অথবা দিনে সমানভাবে শেয়ালের অত্যাচারে অতিষ্ট গ্রামের মানুষ। গৃহস্তের মুরগি কিংবা হাঁসের খোয়াড়ে হানা দিচ্ছে প্রাণীটি। সুযোগ পেলে মানুষের উপরও ঝাপিয়ে পড়ছে প্রাণিটি।
 
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারি প্রাণিটি আগে মাঠের গর্তে ও বড় জঙ্গলে থাকলেও সেগুলি অনেকটা উজার হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে মানুষ নতুন করে বসতবাড়ির পাশ ঘেষে গড়ে উঠছে বিভিন্ন ফলের বাগান। সে কারণে শেয়াল এখন মানুষের বসতির কাছাকাছি বাস করছে বলে জানিয়েছেন বন্য প্রাণি বিশেষজ্ঞরা।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর গ্রামের সাহিদা বেগম নামের এক গৃহবধূ জানান, ৫ থেকে ৬ বছর আগেও বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে নিজেদের খাওয়া,আত্মীয় আসলে আপায়ন করেও বছর শেষে তা বিক্রি করে সংসারে খুটি-নাটি জিনিসপত্র কেনা হয়েছে। কিন্তু বিগত দুই বছর শেয়ালের উৎপাতে বাড়িতে হাঁস-মুরগি পোষাই দায় হয়ে পড়েছে।
 
তিনি জানান, ৫ বছর আগে তার বাড়িপাশ েিঘষে ১৫ বিঘা জমিতে করা হয়েছে পেয়ারার বাগান। সেই বাগানেই শেয়াল আশ্রয় নিয়েছে। পেয়ারার বাগানের মধ্যে বাসা বাধা শেয়াল দিনের বেলাতেও বাড়িতে হানা দিচ্ছে। দুই বছরে তার ১৫ থেকে ২০টি মুরগি শেয়ালে ধরে নিয়ে গেছে।
এমন সমস্যা শুরু সাহিদা বেগমেরই না। রাজশাহী চারঘাট, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, বাগমারা, মোহনপুর উপজেলাসহ গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় শেয়ালের উৎপাত বেড়েছে। বাড়ির পোষা প্রাণি ধরে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শেয়ালের আক্রমনে মানুষও আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।
 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি)বন্যপ্রাণি বিভাগের অধ্যাপক ড.বিধান চন্দ্র দাশ জানান, দেশের ঝোপ ও জঙ্গলে রয়েছে অসংখ্য বন্যপ্রাণির বাস। এদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের পরিচিত বুনো প্রাণি শেয়াল। দেশে দুই ধরনের শেয়াল দেখা যায়। একটি পাতি শেয়াল, অপরটি খেঁক শেয়াল। পাতি শিয়াল সব ধরনের বনে বাস করতে পারে।
 
তৃণভূমি অঞ্চল, সমতল ভূমি, পাহাড়ি বন, পাতাঝরা বন, গ্রামের। গৃহস্থের মুরগি-হাঁস, ছাগল শিকারের বদনাম আছে পাতি শেয়ালের। আকারে গৃহপালিত কুকুরের সমান। গায়ের রঙ লালচে বাদামী থেকে বাদামী, সাথে কালচেভাব আছে। লোমশ শরীর। নাকের ডগা কালো। মুখ লম্বাটে সরু। পাতি শেয়াল মাথা থেকে লেজের গোঁড়া পর্যন্ত ৬৮ সেমি হয় । লেজ লোমশ সরল ২৩ সেমি , অগ্র ভাগে কালচে ভাব আছে। দাঁড়ান অবস্থায় উচ্চতা ৩৮ থেকে ৪৩ সেমি। ওজন ৮ থেকে ১১ কেজি। ড.বিধান চন্দ্র দাশ আরো জানান, প্রকৃতিতে এরা বড়জোর ৮ থেকে ৯ বছর বাঁচে।
 
শেয়ালের উৎপাতে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ড.বিধান চন্দ্র দাশ। তিনি জানান, বিভিন্ন কীটপতঙ্গ, ইঁদুর, খেয়ে কৃষিতে যেমন উপকার করছে তেমনি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করছে শেয়াল। এছাড়া মরা খেয়ে পাতি শিয়াল দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়ানো থেকে রক্ষা করছে।

এমএসএম / এমএসএম

সরকারি চাকরির শুরুর বেতন ৫০০ টাকা, এখন ছয়তলা ভবন- প্রাইভেট গাড়ি-সম্পত্তি

ফেনীতে লায়ন্স ক্লাবের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

দাউদকান্দিতে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট অটোমেশন পানি সরবরাহ প্ল্যান্ট চালু

স্মার্ট টিকেটিংয়ের মাধ্যমে আধুনিকায়ন হবে গণপরিবহন ব্যবস্থা

শান্তিগঞ্জে গীতিকবি প্রতাপ রঞ্জন তালুকদারের প্রয়াণ দিবসে ধামাইল উৎসব

রায়গঞ্জে পুকুরে ভাসছিল বৃদ্ধের মরদেহ

নরসিংদীতে অস্ত্র-মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৩

উল্লাপাড়ায় আগাম সবজির স্বপ্ন"সারের অদৃশ্য দেয়াল

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ

শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদে পোকার উপস্থিতি নির্ণয়

ফাইতংয়ে অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, কর বা টোল না নেওয়ার নির্দেশ

দায়িত্ব নিল ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত কমিটি

বরিশালে মা ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতা মুলক সভা অনুষ্ঠিত