ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

ধানজুড়িতে ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে সমাধিস্থল : সবার চোখে বেদনার ভক্তি


জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর photo জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর
প্রকাশিত: ৩-১১-২০২২ দুপুর ১:৫১
ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে পুরো সমাধিস্থল। একটি সমাধির পাশে বসে নির্মল চোখে তাকিয়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধা মা। পরম ভক্তি নিয়ে তিনি প্রার্থনা করছেন পরম পিতার চরণে। বুধবার (২ নভেম্বর) খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের জন্য ছিল একটি বিশেষ দিন। পরলোকগত প্রিয়জনদের জন্য এদিন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা প্রিয়জনদের কবরে গিয়ে প্রার্থনা করেন। খ্রিস্টজাগ পরিচালনা করেন ধানজুড়ি ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ম্যানুয়েল হেমব্রম।
 
এ উপলক্ষে বুধবার বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউপির ধানজুড়ি ক্যাথলিক চার্চ সংলগ্ন কবরস্থান ঘুরে দেখা গেছে, ফুল দিয়ে প্রিয়জনদের কবর সাজিয়ে, মোমবাতি জ্বালিয়ে সকলে তাদের প্রিয়জনের আত্মার কল্যাণ ও স্বর্গবাসীর জন্য প্রার্থনা করছেন। যাদের জন্য প্রার্থনা করার কেউ ছিল না তাদের জন্যও উপস্থিত সকলে মিলে প্রার্থনা করছেন। শুধু তাই নয়; যারা সূচাগ্নি স্থান বা স্বর্গ-নরকের মধ্যস্থানে রয়েছেন তাদের আত্মাও যেন স্বর্গে স্থান পায়, তার জন্যও প্রার্থনা করা হয়েছে।
 
ধানজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পারগানা (প্রধান) ক্যারোবিন হেমব্রম বলেন, এখানকার কয়েকটি গ্রামের খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীর সকল বয়সের মানুষের উপস্থিতিতে যার যার প্রিয়জনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে খ্রিস্টযাগে অংশগ্রহণ করেছেন। খ্রিস্টযাগ শেষে পবিত্র জলের মাধ্যমে কবরস্থান সূচিস্নাত করা হয়েছে। এখন কবরস্থানে জ্বলে উঠবে মোমবাতির আলো। পূর্বপুরুষদের আমল থেকেই এখানে এ দিনে এ ধর্মের অনুসারীরা মৃত স্বজনের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও মৃতদের আত্মার শান্তি কামনায় আশীর্বাদ কামনা করে।
 
খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান চিত্ত রঞ্জন পাহান বলেন, ‘খ্রীস্ট সম্প্রদায়ের সকল বয়সের স্বজনরা কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে প্রার্থনার মাধ্যমে চোখের জলে ধুয়ে দিয়েছেন প্রিয়জনের কবর। সবার চোখে ছিলো বেদনার ভক্তির ছাপ।এদিনটি আসার পূর্বেই স্বজনরা তাদের মৃত প্রিয়জনদের কবরস্থান সংস্কারের পাশাপাশি সমাধী ধোয়া মোছা, রং করা কিংবা লেপনের কাজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় মিশনের গির্জা ও নিজ নিজ স্বজনের সমাধিস্থলে খ্রিষ্টযাগের প্রার্থনা করছি।’
 
ধানজুড়ি ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ম্যানুয়েল হেমব্রম বলেন, ‘বিশ্বজনীন ক্যাথলিক মন্ডলী সকল পরলাগত ভক্তবৃন্দের আত্মার চিরশান্তি কামনার জন্য প্রতি বছরের ২ নভেম্বর নির্ধারিত করে দিয়েছেন। তাই এইদিনকে বলা হয় ‘মৃত লোকের পর্ব’, ‘কবর আশির্বাদ’ বা ‘পরলাগত ভক্তদের আত্মার কল্যাণ’ কামনার দিন। এদিন সকল মৃতলোকের আত্মার শান্তি কামনার জন্য প্রিয়জনরা বিশেষ প্রার্থনা এবং এলাকার গরিব ও দুস্থ মানুষকে খাওয়ানো হয়। ২ নভেম্বর দিবসটি পালন করা হলেও পুরো নভেম্বর মাস সকলে কবরে এসে প্রার্থনা করেন। ১৩০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এটি সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।’

এমএসএম / জামান

নোয়াখালীর কবিরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

ঘোড়াঘাটে দাদী হত্যায় জড়িত নাতীসহ গ্রেফতার-৩

উল্লাপাড়ায় ১২’শ লিটার ডিজেল জব্দ

পটুয়াখালীতে কালেক্টেরেট স্কুল এন্ড কলেজের গেট ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থী আহত

মাদারীপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন

মধুখালীতে ছায়া সংসদে বিতর্ক উৎসবে বিজয়ী দল সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ

ভূরুঙ্গামারীতে চিকিৎসকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও রাহাজানি:সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ, থানায় অভিযোগ

কুমিল্লায় ভারী বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি, ভোগান্তিতে নগরবাসী

গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহ উপলক্ষে আমঝুপিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মেহেরপুরে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাঁশখালীতে লোকালয়ে ইটভাটা, আইন লংঘনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন

বগুড়ার শেরপুরের ভবানীপুর বাজার বণিক সমিতির আংশিক কমিটি গঠন