ঢাকা বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস আজ


জামিল, জামালপুর photo জামিল, জামালপুর
প্রকাশিত: ৪-১২-২০২২ দুপুর ২:৪৭

আজ ৪ ডিসেম্বর জামালপুরের বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকহানাদার মুক্ত হয় মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কামালপুর রণাঙ্গন। পাক হানাদার বাহিনীর ১৬২ জন সদস্য অস্ত্রসহ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসর্মপণ করে। ধানুয়া কামালপুর মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সূচিত হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল মুক্ত হওয়ার পথ।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর রণাঙ্গন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে । ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধীনে থাকা ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল আবু তাহের। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর রাজধানী ঢাকা দখলের সহজ ও একমাত্র পথ ছিল এটি। ধানুয়া কামালপুর দখল হলেই ঢাকা দখল সহজ হব এ কারনে পাক হানাদার বাহিনি ধানুয়া কামালপুরে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলে। 

পাকসেনাদের এই শক্তিশালী ঘাটির পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃতে ১২ জুন থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকসেনাদের দফায় দফায় সম্মুখ যুদ্ধ হয়। সব চেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৩১ জুলাই রাতে। সম্মুখ যুদ্ধে ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিনসহ ১৯৪ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ ও শত্রু পক্ষের একজন মেজরসহ ৪শ ৯৭ জন নিহত হয়। এই যুদ্ধে পাকসেনাদের একটি মর্টার শেলের আঘাতে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের গুরুত্বর আহত হন এবং ১টি পা হারান।

৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনি হানাদার বাহিনির কামালপুর বিওপিতে আঘাত হানে। মাত্রাতিরিক্ত গোলা বর্ষণ করেও তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব হয়নি। এর পর বিমান হামলার মাধ্যমে পাকসেনা বাহিনির বিওপি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। শুরু হয় বিমান আক্রমণ।

প্রতিটি আক্রমনের আগে মেজর জেনারেল গিল পাক বিওপি কমান্ডার ক্যাপ্টেন আহসানকে আত্বসর্মপণ করার জন্য একটি করে চিঠি পাঠান। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ৪ ডিসেম্বর শত্রু সেনা বিওপিতে প্রথম চিঠি নিয়ে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বশীর আহমদ। চিঠিতে লেখা ছিল তোমাদের চারদিকে যৌথবাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে। বাচঁতে চাইলে আত্মসর্মপণ কর, তা না হলে মৃত্যু অবধারিত।
চিঠি পেয়ে অগ্নিমূর্তি ধারন করে পাকসেনা কমান্ডার আহসান মালিক। বশিরের ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় আরেকটি চিঠি দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সঞ্জুকে পাঠানো হয় পাকসেনা ক্যাম্পে। চিঠির জবাব না পাওয়ায় শুরু হয় চুড়ান্ত বিমান হামলা।

অবস্থা বেগতিক দেখে অস্ত্রসহ পাক বাহিনির ধানুয়াকামালপুর ক্যাম্পের গ্যারিসন কমান্ডার আহসান মালিকসহ ১৬২ জনের একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে আত্বসমর্পন করতে বাধ্য হয়। হানাদার মুক্ত হয় কামালপুর রণাঙ্গণ। মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কামালপুর মাঠে। এরপর থেকেই ৪ ডিসেম্বর ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

 

প্রীতি / প্রীতি

মাওলানা আব্দুল হাকিম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

কেরনছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

শ্রীমঙ্গলে রামকৃষ্ণের ১৯১তম জন্মতিথিতে শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে বিশেষ স্বাস্থ্যক্যাম্প

পবিত্র মা‌হে রমজানকে সামনে রেখে বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দাম বে‌ড়ে‌ছে নিত্য প্র‌য়োজনীয় দ্র‌ব্যের

তানোরে গভীর রাতে দূর্বৃত্তের দেয়া আগুনে ৫ পরিবারের বসতবাড়িসহ টাকা পুড়ে ছাই

মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই বোটসহ ১১ জন আটক

নাগেশ্বরীতে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় স্বাগত র‍্যালি

পাঁচবিবি বাসির দুর্ভোগ লাঘবে ইউএনও

জনসংহতি সমিতির ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিলাইছড়িতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান

চিলমারী প্রেসক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নালিতাবাড়ীতে বিআরডিবি ইউসিসিএ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

নাগেশ্বরী আল-কাওছার মেরিট মাদরাসার ফুল শিক্ষাবৃত্তি