ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬-১২-২০২২ দুপুর ১২:৩৪

সাভার উপজেলা কাউন্দিয়া ইউনিয়ন শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়। সকাল ৯ টায় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কবির চৌধুরী মুকুল -এর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষিকা  ছাত্র-ছাত্রী, কর্মচারী  নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।সকাল ১১ টায় এ.কে.এম আব্দুল মতিন প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত )  সভাপতিত্বে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা। আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজ মাস্টার. সহ-সভাপতি আওমীলীগ কাউন্দিয়া ইউনিয়ন। 

কবির চৌধুরী মুকুল বলেন. আজ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরব ও অহংকারের দিন। লাখ লাখ বীর মুক্তিযোদ্ধার রক্তস্রোত, স্বামী-সন্তানহারা নারীর অশ্রুধারা, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা আর বীরাঙ্গনাদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে অর্জিত হয়েছিল মহান এই বিজয়। ৫০ বছর আগে এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় বাঙালি জাতিকে.জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  এনে দিয়েছিল আত্মপরিচয়ের ঠিকানা। আজ কৃতজ্ঞ জাতি সশ্রদ্ধ বেদনায় স্মরণ করবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং  দেশের বীর সন্তানদের।

ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজ মাস্টার  বলেন. বিজয় এলো যেভাবে : পূর্ব বাংলার মানুষের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, বঞ্চনা আর অবহেলা চরম আকার ধারণ করলে প্রতিবাদে ক্রমে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখিয়ে তারা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভকারী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে টালবাহনা শুরু করে শাসকগোষ্ঠী। ফলে ক্ষোভে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান। একাত্তরের ৭ মার্চ তত্কালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ জনগণের স্বাধীনতার স্পৃহাকে প্রবল করে তোলে। ঢাকা যখন অগ্নিগর্ভ, তখন পাকিস্তানি শাসকচক্র আমাদের মুক্তির স্পৃহাকে দমনের পথ বেছে নেয়। রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে নিরস্ত্র মানুষ হত্যার মাধ্যমে জন্ম দেয় ২৫ মার্চের কালরাতের। এর পরই চূড়ান্ত হয়ে যায় আমাদের পৃথক পথচলার যাত্রা। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত লড়াই। দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিসংগ্রামের পর পরাজয় মেনে নেয় পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী আত্মসমর্পণ করেন. শুরু হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের পথচলা।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  , কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অন্যান্য সদস্য বৃন্দ.  রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সহ সর্বস্তরের জনগণ।

এমএসএম / এমএসএম

সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যকে আটকের ঘটনায় নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের তীব্র নিন্দা, দ্রুত মুক্তির দাবি

ডেঙ্গু ঠেকাতে তিন মাসের অভিযান, ফুটপাত দখল হলেই উচ্ছেদ: ডিএনসিসি

সুফিবাদ বিষয়ক শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ‘সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশন’-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ সেবায় গতি বাড়ানোর উদ্যোগ

স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নে গোলটেবিল বৈঠক

দূষিত বাতাস ও দীর্ঘ ডিউটিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ট্রাফিক পুলিশ

স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল

যৌথ উদ্যোগেই পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজউকের অভিযানে ১০ ভবনের আংশিক অপসারণ

শারীরিক ও মানসিকভাবে গুরতর অসুস্থ ব্যক্তিকে চাপে ফেলে সম্পদ-সম্পত্তি দখলের মহোৎসব

ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ে বিদেশি মালিকানা, কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান

বিএমএসআরআই দখলের প্রতিবাদ ও হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি