ঢাকা রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

পঞ্চগড়ে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ: পুলিশের ৫ মামলায় ৮১ আসামী, অজ্ঞাত সহস্রাধিক


সাইদুজ্জামান রেজা, পঞ্চগড় photo সাইদুজ্জামান রেজা, পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ২৬-১২-২০২২ দুপুর ১২:৫৮
পঞ্চগড়ে বিএনপির গণমিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশ এবং বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৫টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এসব মামলায় মোট ৮১ জনের নাম উল্লেখসহ এক হাজারেরও অধিক অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। রোববার দুপুরে এ তথ্য জানান পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা।
 
পুলিশ জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, পুলিশের ওপর বল প্রয়োগ, ককটেল বিস্ফোরন, সড়ক অবরোধ এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে পঞ্চগড় সদর থানায় করা এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পঞ্চগড় সদরের একজন, দেবীগঞ্জ উপজেলার দুইজন, বোদা উপজেলার একজন, আটোয়ারীর দুইজন এবং তেঁতুলিয়ার দুইজন। এদের মধ্যে তেঁতুলিয়া উপজেলার দুইজন জামায়াতের সঙ্গে জড়িত এবং বাকীরা বিএনপির।
পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা বলেন, গতকাল বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত গণমিছিলের কর্মসূচি ছিলো। আমরা বিএনপির লোকজনকে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করতে অনুরোধ করি। আমরা নিরাপত্তার কারণে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করি। কিন্তু তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি না করে লাঠিসোটা, ইটপাটকেল নিয়ে মিছিল করে এবং পুলিশের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে তারা ভাঙচুর করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই তারা পুলিশের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।
 
পুলিশ সুপার আরো বলেন, যেহেতু পুলিশের উপর আক্রমণ করা হয়েছে এবং রাস্তায় ভাঙচুরের চেষ্টা হচ্ছিল তাই স্বাভাবিক ভাবেই পুলিশ টিয়ারশেল এবং শর্টগানের গুলি করে। নিরাপত্তা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। এ ঘটনায় যারা মিছিল করেছেন তাদের ২০-২৫ জন এবং পুলিশের ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। পুলিশি কাজে বাধা দেয়া এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করায় আমরা মামলা করেছি। এই মামলায় কোন সাধারণ মানুষকে হয়রানী করা হবেনা বলেও জানান তিনি।
 
এর আগে, গতকাল শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে গণমিছিলের প্রস্তুতি নেয় পঞ্চগড় জেলা বিএনপি। বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকে জেলা বিএনপির অফিসে। পরে দলটি গণ মিছিল বের করলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এঘটনায় গণমিছিলে আসা আব্দুর রশিদ আরেফিন (৫১) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হন বলে অভিযোগ করে বিএনপি।
 
বিএনপির এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা বলেন, বিএনপির কর্মসূচীতে পুলিশের মারপিটে কোন প্রাণহানি হয়নি। আব্দুর রশিদ আরেফিন হৃদ রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দুপুর আড়াইটার দিকে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে তাকে ইসিজি করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা জেনেছি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এছাড়া আমরা তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেও জেনেছি তিনি আগে থেকেই বাইপাসের রোগী ছিলেন, উনার তিনটা বাইপাস অপারেশন করা ছিলো। মূলত এই ধরণের কর্মসূচিতে তার আসা উচিত হয়নি।
আব্দুর রশিদ আরেফিনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিকেল ৪টায় তার নিজ এলাকা ময়দানদীঘিতে জানাজা শেষে দাফন করা হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

এমএসএম / এমএসএম

নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আইফোন চুরির অভিযোগে মামলা; দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

মধুখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ইউ.এন.ও,এসিল্যান্ডের মতবিনিময় সভা

রামুর খুনিয়াপালংয়ে ছেলের গুলিতে আহত পিতা আয়াছের মৃত্যু

মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা, পুলিশ হেফাজতে ছাত্রলীগের এক কর্মী

ভূরুঙ্গামারীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, আহত ১

ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

অভয়নগরে ইয়াবাসহ আটক যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড

পঞ্চগড়ে বিএসএফের অমানবিক আচরণ, ৬৫ ঘণ্টা জিরো লাইনে আটকা ১০ নারী-পুরুষ ও শিশু

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুটবল বিশ্বকাপকে স্বাগত জানিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের র‌্যালি

সিংড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আসমার সন্তানদের হাতে মানবিক সহায়তার চেক প্রদান

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ‘পুশ ইন’ করার চেষ্টা বিএসএফের, শূন্যরেখায় ১১ শিশু–নারী–পুরুষ অবস্থানরত

পটুয়াখালীতে রেস্টুরেন্ট শেফের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আদমদীঘি সদর ইউপির ২ কোটি ৯১ লাখ ৬৬ হাজার টাকার উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা