"উলিপুরে তীব্র শীতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে তীব্র শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে প্রত্যন্ত অঞ্চল। শীতে বিপর্যস্ত হয়ে গেছে জনজীবন। কুয়াশায় ঘর ছেড়ে বের হওয়াটাই যেন দায়। এতে করে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। এছাড়া শীতের কারনে প্রায় প্রতিদিনই সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
সরেজমিন শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় ঢেকে রেখেছে উত্তরবঙ্গের কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা। ঘন কুয়াশায় যান চলাচল অনেক হুমকির মধ্যে পড়েছে। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হয় রাস্তা। এদিকে বিপাকে পড়েছে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। সকাল ১১ টার দিকেও সূর্যের দেখা না মেলায় কাজে যেতে পারছেন শ্রমিকরা।
উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হারুনেফড়া গ্রামের দিনমজুর মনজু মিয়া বলেন, ‘বেলা প্রায় ১১ টা বাজিল। কামত যাওয়ার কথা আছিল ৯ টায়। কিন্ত জারের কারণে ঘর থেকে বেড় হবার পাই নাই। হামরা গরিব মানুষ জামা কাপড়ও নাই জারত পরমো। যে জার কাম করি কেমন করি। কাম যাবার না পাইলে ছাওয়া গুলা খাইবে কী। তারপর তো কিস্তির টাকাও জোগাড় করা নাগবে। আজ শীত পড়ি দিনটা মাটি করি দিলে। উপজেলার তবকপুর এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোক্তার আলী বলেন, কয়েক দিনশীতের তীব্রতা একটু কম থাকলেও গত দুইদিন ধরে শীত অনেক বেড়েছে। আজ সকালে আরও তীব্র। শীতের কারণে রিকশা-ভ্যান চালানো যাচ্ছে না, গা-হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। নাক দিয়ে পানি পড়ছে। শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে। ভাড়াও পাচ্ছি না। আমাদের আয় রোজগার কমে গেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়ে গেছি।উপজেলার খামার নারিকেল বাড়ি এলাকার অটোরিকশা চালক আতাউর রহমান বলেন, সকাল থেকে কুয়াশা রিকশার হেড লাইট জ্বালিয়ে যাত্রী নিয়ে চালাচ্ছি। তীব্র কুয়াশার কারণে যাত্রী কমে গেছে। ভাড়ায় টাকা আয় করতে না পারলে সাংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যাবে। এভাবে প্রতিদিন ঘনকুয়াশা থাকলে ভাড়ায় চালিত অটোরিকশা চালা অসম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাকিব, আসাদুল, রিয়াজ ও আলামিন বলেন, আমাদের সকালে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাই সাইকেলে করে প্রায় ৮ কিলো পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয়। এতই কুয়াশা ও ঠান্ডা পড়েছে বাই সাইকেলে করে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। নাক দিয়ে পানি পড়ছে হাত পা বরপের মত হয়ে গেছে। তার পড়েও যেতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাঈদুল ইসলাম জানান, শীতের কারনে প্রায় প্রতিদিনই সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এরমধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বেশি । এছাড়া ডায়রিয়াও আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছবুর মিয়া জানান, “উত্তরবঙ্গের কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে বর্তমান মৃদু শৈত প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ মৃদু শৈত প্রবাহ ও ঘন কুয়াশা আরও ৩ দিন বয়ে যেতে পারে বলে যানান তিনি।”
এমএসএম / এমএসএম
পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ’র নেতৃত্বে প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগে ফিরেছে স্বস্তি
জাল চুরি করতে গিয়ে বিএনপি নেতা আটক কিন্তু নেতা বলছে অন্য কথা
মাগুরায় তেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যা রহস্য উদঘাটন, ৪ গ্রেফতার
রোববার জঙ্গল সলিমপুরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইজিপি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট
দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেক কর্মকর্তার পোস্ট, এরকম অপরাধ কে না করে আমিও করি"
আদমদীঘিতে গাাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার
ঈদে পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায়, হোটেল-রিসোর্টে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
রায়পুরে কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে আসামিকে পালাতে সহযোগিতায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে
কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার - কুমিল্লায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী