ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

খামারিদের অভিযোগ ;পোলট্রি বাচ্চার দাম ৯ থেকে ৫৭ টাকা বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো


আমিনুল ইসলাম photo আমিনুল ইসলাম
প্রকাশিত: ৬-২-২০২৩ রাত ৯:৫২

দেশের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো পোলট্রি মুরগির বাচ্চার দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন খামারিরা। তাঁদের অভিযোগ, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি দামে বাচ্চা বিক্রি করে গত সাত দিনে বাজার থেকে অন্তত ১০৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৯ জানুয়ারি একটি এক দিনের মুরগির বাচ্চার দাম ছিল ৯ টাকা। এর পর থেকে বাচ্চার দাম বাড়তে থাকে। আজ ৬ ফেব্রুয়ারি এক দিনের একটি মুরগির বাচ্চার দাম ৫৭ টাকা। ৩১ জানুয়ারি থেকে আজ ৬ ফেব্রুয়ারি এই সাত দিনে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিটি বাচ্চায় ২০ টাকা বাড়তি লাভ করলেও ১০৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে।

করপোরেট কোম্পানিগুলো পোলট্রির খাবার ও বাচ্চা শতভাগ উৎপাদন করে। আর প্রান্তিক খামারিরা ৯০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করেন। আর ১০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করে করপোরেট প্রতিষ্ঠান।বিপিএ বলছে, আসন্ন রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা এখন মুরগির বাচ্চা তুলবেন। এমন সময় শতভাগ উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো হঠাৎ মুরগির বাচ্চার দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে বিপিএ। সংগঠনটি বলছে, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সুযোগ থাকলে তা করা হচ্ছে না। বাজার যেন এককভাবে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে, সে জন্য সরকারি উদ্যোগে খাদ্য ও বাচ্চা উৎপাদন করার দাবি জানায় সংগঠনটি।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণার ভিত্তিতে বিপিএ জানায়, প্রান্তিক খামারিদের একটি ডিম উৎপাদন খরচ ১১ টাকা ১১ পয়সা। এক কেজি ব্রয়লার মুরগির ১৪৮ টাকা ও এক কেজি সোনালি মুরগির উৎপাদন খরচ ২৬২ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিপিএর সভাপতি সুমন হাওলাদার। তিনি বলেন, সব করপোরেট কোম্পানিগুলো স্বেচ্ছাচারীভাবে কখনো ডিম ও মুরগির উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়ে খামারিদের লোকসানে ফেলে দেয়। কখনো তারা ডিম ও মুরগির উৎপাদন কমিয়ে দিয়ে মুরগির বাচ্চার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। আবার কখনো ভুট্টা ও সয়াবিন মজুত করে কৌশলে পোলট্রি খাদ্য ও বাচ্চার দাম বাড়িয়ে দেয়। এভাবে নৈরাজ্য তৈরি করা কোম্পানিগুলো খামারিদের লোকসানে রাখছে এবং নিজেরা কোটি কোটি টাকা লোপাট করে নিচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর পোলট্রি নীতিমালা অজানা কারণে বাস্তবায়ন করছে না বলে অভিযোগ করে বিপিএ বলেছে, অধিদপ্তরের প্রান্তিক পর্যায়ে পোলট্রি শিল্পকে রক্ষার জন্য কাজ করতে হবে। নীতিমালা বাস্তবায়ন না করায় অধিদপ্তরকে জবাবদিহি করতে হবে। সব খামারিকে নিবন্ধনের আওতায় এনে সরকারি সব সুবিধা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিপিএ'র  ও সহসভাপতি বাপ্পি কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকার,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃআমিনুল ইসলাম আমিন মোস্তফা প্রমূখ।

এমএসএম / এমএসএম

সরকার নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে সার বিক্রি, ভাউচার না দেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

মাগুরায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

বাঁশখালীতে টানা ছয়দিন ধরে বন্যাদুর্গতদের পাশে রেড ক্রিসেন্ট উপজেলা যুব টিম

বাগেরহাটে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার, হত্যা না আত্নহত্যা সঠিক তদন্তের দাবি বিএনপি’র

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চুরি সংঘটিত

মান্দায় এলসিএস শ্রমিক বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

হাটহাজারী উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগ

সিংড়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান, কাউনিয়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

শালিখায় আড়পাড়া বাজারে জলবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

মাদারীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে সভা ও পুরস্কার বিতরণ