ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

তীব্র যানজটে আটকা ঘরমুখী মানুষের ঈদের স্বপ্ন


রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল photo রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ২০-৭-২০২১ দুপুর ৩:২৬
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটে আটকে আছে ঈদে ঘরমুখী মানুষের স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া পর্যন্ত প্রায় ৩৩ কিলোমিটার মহাসড়কে যানজটে আটকে ঈদে ঘরমুখী মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকালে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় যানজটে আটকে পড়া মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়।
 
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়। কিন্তু কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করছে। গতকাল সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৪২৩টি যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করায় গভীর রাত থেকেই যানজট শুরু হতে থাকে। সেতুর পশ্চিম প্রান্তে (সিরাজগঞ্জের দিকে) যানজট শুরু হয়। পরে ওই জট দীর্ঘ হতে হতে সেতু অতিক্রম করে পূর্ব প্রান্তে (টাঙ্গাইলের দিকে) চলে আসে। সকাল পর্যন্ত ওই জট সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া পর্যন্ত চলে আসে।
 
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের মধ্যে বৃষ্টি ঘরমুখী যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দেয়। সকালে মহাসড়কে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩৩ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে উত্তরবঙ্গগামী লেন যানবাহনে পূর্ণ হয়ে রয়েছে। এক জায়গায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটু একটু করে এগোতে হচ্ছে।
 
সদর উপজেলার তারুটিয়া এলাকায় এক ট্রাকচালক আলী জানান, তিনি আধাঘণ্টার বেশি এক স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ৪০ মিনিট সময় লেগেছে।
 
বাস, মিনিবাস, ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপভ্যানে নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী মানুষকে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। সকালে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় তাদের দুর্ভোগের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
 
গাজীপুর থেকে বগুড়াগামী ট্রাকের যাত্রী সোবহান শেখ জানান, তিনি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কম ভাড়ায় গন্তব্যে পৌঁছার জন্য ট্রাকে উঠেছেন। এখন যানজট ও বৃষ্টিতে খুব দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 
মহাসড়কের সদর উপজেলার রসুলপুর, রাবনা, কালিহাতী উপজেলার পৌলী ও এলেঙ্গা এলাকায় যানজটে আটকে পড়া যাত্রীদের, বিশেষ করে নারী যাত্রীদের দুর্ভোগ বেশি ছিল। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে তাদের মহাসড়কের আশপাশের বাড়িঘরে যেতে দেখা যায়।
 
এলেঙ্গা সিএনজি স্টেশনে কথা হয় ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী মাইক্রোবাসের যাত্রী রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিবার ঈদে ঘরে ফিরতে তাদের এমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। টাঙ্গাইল বাইপাস থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা পার হতে সময় লেগেছে দুই ঘণ্টারও বেশি।
 
একই স্থানে বগুড়াগামী বাসের যাত্রী  রশীদ বলেন, এই যানজটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়তে হয়। এ কারণে ঈদের আনন্দই মাটি হয়ে যায়।
 
পুলিশ জানায়, যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের ছয় শতাধিক এবং হাইওয়ে পুলিশের দুই শতাধিক সদস্য মাঠে রয়েছেন।

এমএসএম / জামান

পেকুয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রদল

পিরোজপুরের কাউখালীতে টহল শেষে ফেরার পথে নৌ পুলিশের ওপর হামলা

ধামইরহাটে গৃহবধুকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার-২

বিলাইছড়িতে তীব্র পুষ্টিহীন শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছে আশিকার

কাউনিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

গোদাগাড়ীতে গোয়ালঘরে মিলল ১৪০ বস্তা সার, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মনপুরার মেঘনায় জেলের জালে দুই কেজির ‘রাজা ইলিশ’, বিক্রি ৯ হাজার টাকায়

বাগমারায় প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ত্রিশালে দোয়া মাহফিল

শান্তিগঞ্জে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা

তিন বন্ধুর হাত ধরে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিদায় উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

মনোহরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা