লকডাউনে বিপাকে রাজশাহীর চামড়া ব্যবসায়ীরা

কোরবানির ঈদের পরই শুরু হওয়া কঠোর লাকডাউনে ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে রাজশাহীর কাঁচা চামড়া ব্যবসায়। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। সরকারি সিদ্ধান্ত মতে লকডাউনে গার্মেন্টসসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে। যদিও এ সময়ে ট্যানারি, আড়তদার ও মৌসুমি পাইকারি চামড়া বিক্রেতারা কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ করবেন। এ বছর গরুর চামড়ায় ৫ টাকা ও খাসির চামড়ায় ২ টাকা দাম বাড়লেও লকডাউনের কারণে চামড়া সংরক্ষণ ও পরিবহন নিয়ে সংশয়ের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
চামড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, কোরবানির দিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ এবং প্রধান মোকাম ও সব ট্যানারি ঢাকায় হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাঁচা চামড়া ঢাকায় পৌঁছাতে হবে। এসব কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে দেশে প্রায় ২৫০টি ট্যানারি ও কয়েক হাজার আড়তদার রয়েছে। রাজশাহীতে চামড়া কেনার আড়ত ৬০টি। কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ কাজে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক-কর্মচারী জড়িত এবং এ কাজ করে তারা জীবিকা নির্বাহ করেন। রাজশাহী অঞ্চলের বিপুল পরিমাণ চামড়া সংরক্ষণ ও পরিবহনের জন্য অন্তত এক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। এদিকে চামড়ার দাম কম, বাজারও মন্দা। এর ওপর ‘কঠোর লকডাউন’ শুরু হয়েছে। লাকডাউন শিথিল না হলে এ ব্যবসায় ধ্বস নামবে।
চলতি বছর রাজধানীতে লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া ১৫ থেকে ১৭ টাকা, বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার রাজশাহী জেলায় ষাঁড় ও বলদ ৫৩ হাজার ৬৯৪টি, গাভী ও বকনা ৯ হাজার ১৬০টি, মহিষ ৩১৫টি, ছাগল ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৭টি, ভেড়া ১৯ হাজার ৬৬৩টি এবং অন্যান্য ৩০টিসহ সর্বমোট ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৮৯টি পশু কোরবানি করা হয়েছে।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুরের মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসান বলেন, এক থেকে দেড় লাখ টাকার চামড়া কিনি প্রতি বছর। আমরা এখান থেকে চামড়া কিনে নাটোরে নিয়ে যাই। চামড়া বেচাকেনায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাভ হয়। জেলার চামড়াগুলো ট্রাকে ঢাকায় নিয়ে যেতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লেগে যায়। লকডাউন শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত।
মহানগরীর রেলগেটে পাইকারি চামড়া ব্যবসায়ী শফিউল খন্দকার বলেন, রাজশাহীতে চামড়া রাখার মতো ব্যবস্থা নেই। চামড়ায় লবণ দেয়া পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের কাছে থাকে। এর পরে ট্যানারিতে বিক্রি করা হয়। বিক্রি করতে সময় লাগে। চামড়া বেচাকেনা ও পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা উচিত।
রাজশাহী জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি আসাদুজ্জামান মাসুদ বলেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা বকেয়া পড়ে আছে। জেলার ব্যবসায়ীদের ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা বকেয়া পড়ে আছে ট্যানারি মালিকদের কাছে। প্রতি বছর কোরবানির দিন থেকে পাড়া-মহল্লায় গিয়ে চামড়া কেনেন ব্যবসায়ীরা। এর পরে পাইকারি ও ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয় চামড়াগুলো। কিন্তু লকডাউন শুরু হওয়ায় ভালোভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এমএসএম / জামান

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে একদিনে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং

দোহাজারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

শিবচরে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গরু ছিনতাই, আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৩ সদস্য গ্রেফতার

প্রধান উপদেষ্টার রোডম্যাপ সুষ্ঠু নির্বাচন ভণ্ডুল করার নীল নকশা: ডা. তাহের

টাঙ্গাইলে স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির মূলহোতা'সহ ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার

আনোয়ারায় শ্রমিক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে যুবলীগ নেতা শাহ জালাল

কোটালীপাড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত হল কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

কুতুবদিয়ায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ সদস্য গ্রেফতার

রায়গঞ্জে বিপিএলের ধাঁচে ফুটবলার নিলাম, গ্রামে উৎসবের আমেজ

মানিকগঞ্জে শিশুকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

শেরপুরে গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন ৮টি গরু ও ৪টি ছাগল পুড়ে ছাই
