জনবল সংকটে বিঘ্নিত স্বাস্থ্যসেবা
জন্ম থেকেই যে পঙ্গুত্ব বা অন্ধত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসে তার কখনো ভালোভাবে হাঁটার বা দেখার সাধ পূরণ হয় না। ঠিক তেমনি অবস্থা নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। উদ্ধোধনের পর খেকেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। খারিয়াজুরী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও মিলছে না তার সুফল। হাসপাতালে শুরু থেকে অধ্যাবধি এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাফি চালু করা হয়নি জনবলের অভাবে।
যদিও বছর দেড়েক আগে ডা. রাজিব হোসেন ভূঁইয়া নিজ উদ্যোগে আলট্রাসনোগ্রাম চালু করে গর্ভবতী মাযেদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি উচ্চতর ডিগ্রি লাভের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে চলে যাওয়ার পর সেটা বন্ধ রয়েছে। গর্ভবতী মহিলারা গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারেন না পরীক্ষা-নিরীক্ষার অভাবে। তাছাড়াও জরুরি বিভাগে নেই ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার। চতুর্থ শ্রণির কর্মচারী দিয়ে চালিয়ে নেয়া হচ্ছে জরুরি সেবা। জরুরি বিভাগে নেই পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, যার কারণে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেই হাতে নিতে হয় রেফার্ডের কাগজ নেত্রকোনা অথবা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের।
জরুরি রোগীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া নৌ অ্যাম্বুল্যান্সটির চাকা ঘোরে না বছরে একবার। নৌ অ্যাম্বুল্যান্সটির জ্বালানি খরচ বেশি হওয়ায় গরিব রোগীদের ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হয় না। যদি কোনো কারণবশত জরুরি রোগী নিয়ে যাত্রা শুরু করে রাস্তায় যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ হযে রোগী নিয়ে বিড়ম্ববনায় পড়তে হয় দক্ষ চালক না থাকার কারণে। আন্তঃবিভাগে ঠিকমতো সেবা পান না ভর্তিকৃত রোগীরা। রাতে পাওয়া যায় না চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত সেবিকাদের।
অফিস তথ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম শ্রেণির ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে ১০টি পদ শূন্য। দ্বিতীয় শ্রেণির ১৮ জনের মধ্যে ৫টি শূন্য। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর ৬৫টি মধ্যে ২০টি পদ শূন্য। এছাড়া চতুর্থ শ্রেণির ২২ জনের মধ্যে ১৮টি পদ শূন্য।
সরেজমিন জানা যায়, ডা. মো. মিজানুর রহমান খান ( আর্য়ুবেদিক) ২৯ জুন থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তিনি মাঝেমধ্যে আসেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, হারবাল স্যার সব সময থাকেন না। মাসে দুই-তিন দিন থাকেন।
কর্তব্যরত এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আসলেই দুজন মেডিকেল অফিসার দিয়ে হাসপাতাল দেখাশোনা করা খুবই কষ্টকর। আশা রাখি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আশানুরূপ ভূমিকা রাখবেন।
সত্যতা নিশ্চিত করে খালিয়াজুরী উপেজলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আতাউল গণি উসমানি বলেন, জনবল সংকঠ নিয়ে মাসিক সভা, ভার্চুয়ালি সভায় এ বিষযে আলোচনা করেছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালনা করে ডাক্তার কিন্তু নিয়োগ বিষয়টা পরিচালনা করে মন্ত্রণালয়। তাতে আমাদের কিছু করার থাকে না।
এ বিষযে সিভিল সার্জন মো. সেলিম মিয়া বলেন, আমরা চেষ্টা করছি জনবল সংকট দূরীারণের। তাছাড়া হাওর এলাকায কেউ আসতে চায় না। তবুও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। প্যাথলজি ও ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্সের নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন।
জনবল সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে সরকার, এমনটাই প্রত্যাশা হাওর উপজেলাবাসীর।
এমএসএম / জামান
হাতিয়ায় অস্ত্র দিয়ে ছাত্র দল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আপিল ঘিরে বিতর্ক, ভাইরাল অডিওতে তোলপাড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪
বোয়ালমারীতে ইউনাইটেড আরব আমিরাতের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ
দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিরুল ইসলাম জামু গ্রেফতার
সরিষার হলুদে রঙিন ত্রিশাল : বাম্পার ফলনের আশা
গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি
নাঙ্গলকোটে দু'জনকে গুলি করে হত্যা
মনপুরায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ
কুড়িগ্রামে এলপিজি সংকটে দাম দ্বিগুণ, তবু মিলছে না গ্যাস
কালো ধোঁয়ার দখলে রায়গঞ্জ, ঝুটে পুড়ছে চাতাল
কুমিল্লার মুরাদনগরে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার
সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ
Link Copied