হরিরামপুরে হ্যালোবাইক চালাতে নিয়মিত দিতে হয় চাঁদা
মোড়ে মোড়ে অঘোষিত স্ট্যান্ড আর নির্ধারণ করা চাঁদা দিয়ে চলতে হয় ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোবাইক/হ্যালোবাইকের।এছারাও প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা না দিলেই রাস্তায় চলাচলে বাধা প্রদানসহ হুমকি ধামকি দিয়ে চাপে ফেলেও আদায় করার অভিযোগ করেছে অনেকেই, এমটিই জানালেন হরিরামপুরের বেশ কয়েকজন হ্যালোকাইক চালক। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রায় সব মোড়েই যেন এটা নিয়মে পরিনত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হ্যালোবাইক চালক জানান, হ্যালোবাইক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর প্রতিমাসে থানার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে ১০০ করে টাকা নেয়। টাকা না দিলে রোডে চলতেই অসুবিধা হয় তাদের।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক হ্যালোবাইকের ড্রাইভার জানান, প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে জাহাঙ্গীর কে দেই আমরা। আমাদের বিপদে আপদে জাহাঙ্গীর এগিয়ে আসে। কি বিপদে আপদে এগিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- রাস্তাঘাটে সমস্যা হলে আর পুলিশে জ্বালাইলে জাহাঙ্গীর এগিয়ে আসেন বলে জানান।
এছারাও উপজেলার লেছড়াগঞ্জ বাজার থেকে মানিকগঞ্জর বেউথা ট্রিপে গেলে লেছড়াগঞ্জ থেকে ৩০ টাকা, উপজেলা সদর স্ট্যান্ড হতে ২০/৩০ টাকা, এবং মানিকগঞ্জের বেউথা হতে আরও ২০ টাকা চাঁদা দেই আমরা। এছারাও ঝিটকা হরিরামপুর,লাউতা মোড়েও একই অবস্থা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক হ্যালোবাইক ড্রাইভার জানান, থানার কথা বলে ১০০ টাকা জাহাঙ্গীর কে দেই আমরা, আবার টাকার কথা কেউ জিজ্ঞেস করলে আমরা কেউ স্বীকার যেন না করি, এটাও বলা আছে সব ড্রাইভারদের। আর কেউ স্বীকার করলে তাকে এই রোডে চলতেই দিবেনা বলে জানান।
জাহাঙ্গীরের সহযোগী রতন হ্যালোবাইক প্রতি প্রতি ১০০ টাকা উঠানোর কথা স্বীকার করে বলেন, এই টাকা উঠিয়ে কি করে, আমি জানিনা, তবে শুনছি টাকা উঠিয়ে থানায় দেয়। তিনি আরও জানান, জাহাঙ্গীর ১৪/১৫ বছর ধরে হ্যালোবাইক সমিতির সভাপতি, বর্তমানেও সভাপতিই আছে। কিন্ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক যে কে, এটা জানিনা।
হরিরামপুর উপজেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক মোঃ ইউসুফ দেওয়ান জানান, অনেক হ্যালোবাইকের ড্রাইভার চাঁদাবাজির অভিযোগ আমার কাছে করেছে। আমি বারবার জাহাঙ্গীর কে না করেছি, এই চাঁদাবাজির টাকা উঠিয়ে কি কাজে ব্যবহার করে জাহাঙ্গীর সেটা আমাদের কাছে অজানা। শ্রমিকদের কাছ থেকে এই চাঁদা তোলা বন্ধ করতে যা কিছু করা প্রয়োজন তা আমরা করার পরিকল্পনা করতেছি, এর প্রতিবাদসহ প্রয়োজনে রাস্তায় নামবো এই শ্রমিকদের নিয়ে।
হরিরামপুর হ্যালোবাইক সমিতির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর চাঁদা তোলার কথা স্বীকার করে বলেন, চারকেরা স্বেচ্ছায় এই টাকা দেয় আমাকে, তাদের হ্যালোবাইকে যখন দূর্ঘটনা অথবা ড্রাইভারের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়, তবে তার জন্য ড্রাইভারদের সহযোগিতা করা হয়। আর প্রতিমাসে থানা রাতে ডিউটি করার জন্য প্রতিদিন ২ টা করে হ্যালোবাইক দিতে হয়, সেই খরচসহ থানায় কিছু দেই, এটা যদি অপরাধ হয়, তবে আপনারা আমাকে যে শাস্তি দিবেন, সেই শাস্তি মাথা পেতে নেবো।
হরিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সুমন কুমার আদিত্য বলেন, হরিরামপুর থানায় আমি আসার পুর্বে কি হয়ছে, না হয়ছে সেটা আমি জানিনা, ঝিটকা স্ট্যান্ড,হরিরামপুর স্ট্যান্ডসহ প্রায় ৭/৮ টা স্ট্যান্ডের চালক, হ্যালোবাইক সমিতির সভাপতিসহ সবাইকে ডেকে বলে দিয়েছি- আপনারা সমিতির নামে কি করবেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির কথা যদি শুনি, তবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিটলুর কর্মী সমাবেশ
হাটহাজারী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন লক্ষ্যে পর্যায়লোচনা সভা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শ্রমিক ফেডারেশনের বিক্ষোভ
মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজে একাদশ ও স্নাতক শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
মাদারীপুরে দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর আটক
পটুয়াখালীর বাউফলে হত্যা মামলার রায়ে স্বামী-স্ত্রী দন্ডিত
ঘোড়াঘাটে স্বামীকে ফিরে পেতে স্ত্রী-সন্তানের সংবাদ সম্মেলন
নোয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভায় জনস্রোত
ডিজিটাল প্রযুক্তি ও এআই কাজে লাগিয়ে চাঁদপুরের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার আহ্বান
সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই মহাসড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
লামায় জুমের জমিতে হাত-পা বাঁধা ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার: এলাকায় চাঞ্চল্য
কুষ্টিয়ায় বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা