মহাদেবপুরে ভেজাল কীটনাশকে কৃষকের সর্বনাশ!
নওগাঁ মহাদেবপুরে ভেজাল কীটনাশক প্রয়োগে ফসল বিনষ্টের অভিযোগ প্রমাণ হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গত দুই মাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এনিয়ে চাষিদের মধ্যে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে বিষয়টি মিমাংশা করতে বলা হয়েছে। উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান জেলেপাড়া গ্রামের কৃষক আফাজ উদ্দিন অভিযোগ করেন যে, তিনি তার দুই বিঘা জমিতে শসা লাগিয়েছিলেন। সে জমিতে প্রয়োগের জন্য মহাদেবপুর উপজেলা সদরের সারপট্টির মেসার্স মহন্ত কীটনাশক বিপণী থেকে বায়ার কোম্পানীর টাফগর নামক কীটনাশক কিনে জমিতে প্রয়োগ করেন। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে তার শসা ক্ষেত পুড়ে যায়। এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। বিষয়টি ওই দোকানের মালিককে জানালে তিনি কৃষক আফাজ উদ্দিনকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি ধামকি দেন। আফাজ উদ্দিন বিষয়টির প্রতিকার, ক্ষতিপূরণ ও ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মীর আমজাদ আলী এনিয়ে ওই দোকানে কয়েক দফা বৈঠকে বসেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ওই কোম্পানীর কীটনাশকের বোতলে ভেজাল কীটনাশক ভরে বিক্রি করা হয়েছে জন্যই ফসল বিনষ্ট হয়েছে। ওই দোকানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
জানতে চাইলে মীর আমজাদ আলী জানান, বিষয়টি মিমাংশার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব নিয়েছেন। কৃষক আফাজ উদ্দিন জানান, বিষয়টি টাকা দিয়ে মিমাংশার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোমরেজ আলী জানান, অভিযোগটি নিরসনের জন্য উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু গত দুই মাসেও কোন ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে মদদ দেয়া হচ্ছে কিনা তার কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।
অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মেসার্স মহন্ত কীটনাশক বিপণীর মালিক রামকৃষ্ণ মহন্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি ওই কোম্পানীর ডিলার না হলেও অন্যত্র থেকে সংগ্রহ করে আসল কীটনাশকই বিক্রি করেছেন। তবে টাকা দিয়ে কেন বিষয়টি মিমাংশা করতে চেয়েছেন তা তিনি বলতে পারেননি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এলাকায় নকল কীটনাশক তৈরি করে নামি দামি কোম্পানীর বোতলে ভরে হরহামেশা হাটে বাজারে বিক্রি করছেন। চাষিরা এসব কীটনাশক কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। এবার বোরো মৌসুমে খেতে একের পর এক কীটনাশক প্রয়োগ করে পোকা দমন করতে চাষিরা হিমসিম খেয়েছেন। বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট হলেও গোপন সমঝোতার কারণে কৃষি বিভাগ তাদের বিরুদ্ধে কোনোই ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নিয়মানুযায়ী বাজার মনিটরিংয়ের বিধান থাকলেও তা করা হয়না। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে কীটনাশক ব্যবসায়ীদের দারুন সখ্যতা গড়ে ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসব অস্বীকার করেন।
এমএসএম / এমএসএম
নবনিযুক্ত গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেনকে সাংস্কৃতিক জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা
বারহাট্টায় নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডাঃ আনোয়ারুল হকের মত বিনিময়
মনপুরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই ভাইয়ের পাশে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জিয়াউর রহমান
গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন
নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
আগামীকাল থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ তম আবির্ভাব-বর্ষ-স্মরণ মহোৎসব শুরু
অনলাইন জুয়ার কালো জালে নবীগঞ্জ: শূন্য থেকে কোটিপতি ‘ক্যাসিনো মামুন’ ও ‘আকাশ’-এর উত্থানে বিপর্যস্ত যুবসমাজ
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
গাঁজাসেবনের দায়ে অভয়নগরে চারজনের জেল-জরিমানা
নওগাঁয় পলিনেট হাউজে সবজির চারা উৎপাদন করে লাভবান লিটন
রৌমারীতে ৪৫ টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
গোদাগাড়ীতে পেঁয়াজের বীজ চাষে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা