কৃষ্ণচূড়া ও কামিনীর সৌন্দর্যে প্রাণোচ্ছল গবি

বৈশাখের নীল আকাশে
কৃষ্ণচূড়া দোলখেলে
মনের প্রফুল্লচিত্তে।
গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ে চারপাশ
তাদের মাঝে প্রশান্তি আনে
কৃষ্ণচূড়ার মুখরিত সাজ।
চৈত্রকে বিদায় জানিয়ে বৈশাখে প্রকৃতি সাজে নতুন রূপে। গ্রীষ্মের খরতায় যখন চারপাশ তাপদাহে পুড়তে থাকে তখনই আগমন ঘটে লাল টুকটুকে সাজে কৃষ্ণচূড়ার। এসময় শহর - গ্রামে সকল জায়গায় রাস্তার ধারে ধারে ফুটে থাকে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া। যার সুসজ্জিত সাজ মনকেড়ে নেয় অসংখ্য মানুষের। এ ফুল গন্ধহীন হলেও তার রূপে মনকেড়ে নেয় সকলের।
ঠিক তেমনি শহর - গ্রামে সম্মিলিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়কেও (গবি) নতুন রঙে রাঙিয়েছে কৃষ্ণচূড়ার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যতা। ক্যাম্পাসের মূল ফটকের ধার ঘিরেই তার উৎপত্তি। ভর্তি অফিসের ভবনের পাশে সবুজ চিরল পাতার মাঝে প্রতিটি ডালে ডালে তৈরি করেছে একেকটি আগুনের লাল আভা। যার সৌন্দর্য আরও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে এই ৩২ একরের ক্যাম্পাসকে। ক্যাম্পাসে আসা সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অতিথিকে যেনো তার রঙে রাঙিয়ে নেয় বরণ করে। ক্যাম্পাসে পা রাখতেই যেনো সকলকে মনে করিয়ে দেয় এই বুঝি এলো স্বর্গীয় সুখ নেমে। তার ছায়ায় লুটিয়ে দিয়েছে সেই লাল আভার পসরা, যেনো ছড়িয়ে আছে তার মায়ার চাদর। সেই সুখ মনে রাঙিয়ে তুলছে কত শিক্ষার্থী ছবি, বসেছে তার ছায়ায় গল্পের ঝুড়ি।
অন্যদিকে ভর্তি অফিসের ভবন পারি দিতেই পরে একাডেমিক ভবন যার সামনে শুভ্রতা ছড়িয়ে আছে কামিনী ফুল। এই ফুলের বাহ্যিক গঠন নাকের নোলকের মত বলে অনেক শিক্ষার্থীরা একে নোলক ফুল বলেও অভিহিত করে। কামিনী ফুলের মনোমুগ্ধকর সুবাসে ভরিয়ে তুলে ক্যাম্পাসের বিখ্যাত জায়গা বাদাম তলা। শিক্ষার্থীরা সেই সুবাসে নিজেকে মাখিয়ে গল্পে মেতে উঠে। ঘন সবুজ পাতায় আবৃত গাছের মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে ফুটে আছে নক্ষত্রের মতো এই অসংখ্য কামিনী ফুল। একাডেমিক ভবনে আসতে যেতে সবার মন কেড়ে নেয় নক্ষত্রের মতো ফুটে থাকা এই কামিনী ফুল।
গন্ধ মাখায় পরিপূর্ণ কামিনী তোমার রূপ
বাহারি দোল খেলে নারীর খোঁপায় তোমার সেই রূপ
নাকের নলকের মতো বলে ডাকে তোমায় নোলক ফুল
দ্রুত ঝড়ে যাওয়া তুমি তবুও নারীর খুব শখের ফুল।
সাদা লালের মিশ্রণে ক্যাম্পাসটি যেনো এক নতুন প্রাণোচ্ছলতা পেয়েছে। যার মাঝে বহন করছে হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। ঘন সবুজ প্রকৃতির মাঝে এ যেনো এক টুকরো স্বর্গীয় সুখ। ক্যাম্পাসের প্রকৃতি সম্পর্কে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমার ক্যাম্পাসের প্রকৃতি দেখে আমি খুবই আনন্দিত । প্রতিটি ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করে এবং আমাদের এক নতুন পরিবেশ উপহার দেয়। যেমন এই বৈশাখ- জৈষ্ঠ্যমাসে ক্যাম্পাসের এই কৃষ্ণচূড়া, কামিনি ক্যাম্পাসকে একটি নতুন রূপ দিয়েছে। খুবই সুন্দর লাগে এই সাদা লালের বাহারের ফুল।
লেখকঃ ইভা আক্তার
শিক্ষার্থী ফার্মেসি বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়।
এমএসএম / এমএসএম

ব্যতিক্রমী ধারার আলো নেভার পথে

টেকসই কৃষির জন্য চাই জৈব বালাইনাশক

ঈদযাত্রা হোক দুর্ঘটনামুক্ত

রমজানে ভ্রমণে যে বিষয় মেনে চলা জরুরি

সুস্থ থাকার জন্য কেমন পানির ফিল্টার নির্বাচন করবেন

সাপের ক্ষিদে মেটাতে পাখিশূন্য দ্বীপ

একদিনের ট্যুরেই ঘুরে আসুন চীনামাটির পাহাড়ে

আধ্যাত্মিকর যাত্রা পথে সুফি মেডিটেশন এর গুরুত্ব

খাজা ওসমান ফারুকীর কুরআন দর্শন

খাজা ওসমান ফারুকীর সুফি তত্ত্বের নিদর্শন

'আরএনএস রাজিম একজন সফল ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তার গল্প'

প্রাক্তনের খোঁজ নেওয়ার দিন আজ
