প্রচন্ড তাপদাহঃ এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ, দুই ঘণ্টা লোডশেডিং
খুলনার কয়রায় চলমান লোডশেডিং ও তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ সারতে বিদ্যুতের অপেক্ষায় থাকছে এলাকাবাসী। গ্রাহকদের দাবি, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিলে, দেড় থেকে দুই ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ আসে। অন্য দিকে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রায় নেই কোন বৃষ্টি, নেই কোন বাতাস, খর তাপে মাঠ ঘাট শুকিয়ে গেছে, প্রচন্ড গরম, রোদ অব্যাহত তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষের জীবন। লোডশেডিং ও গরমে হাসপাতালে রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সেবা প্রদানে চিকিৎসকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। নেই কোন জেনেরেটর এর ব্যবস্থা। একাধিক শিক্ষক জানান,চলমান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা কার্যক্রমে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। লোডশেডিং ও অতিরিক্ত তাপদাহে উপজেলার ব্যবসায়ীরাও বিপাকে রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব রুস্তম ঢালী নামের এক ব্যক্তি বলেন,'রাতে ঘুম ভেঙেছে বার বার। বিদ্যুত এসে কিছুক্ষণ থেকেই চলে যায়। আর গরমে ঘুম ভেঙে যায়। এভাবে সারারাত কেটেছে। শরীর ভীষন অসুস্থ্য লাগছে। একদিকে প্রচন্ড গরম, অন্যদিকে বিদ্যুত না থাকায় জনজীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠছে। একাধিক মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দিনে ১২-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে শিশু ওয়ার্ডের সামনে মেঝেতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে দেখা যায় স্বজনদের। গরমের অসহ্য যন্ত্রণায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা। কয়রা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্র জানা গেছে,কয়রা উপজেলায় ছয়টি ফিডে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক রয়েছেন ৬০ হাজার। সাতক্ষীরা প্রধান গ্রিড থেকে ভায়া হয়ে কয়রার হাতিয়ারডাঙ্গা সাবস্টেশনে যুক্ত হয় বিদ্যুৎ। সেখান থেকে উপজেলার ছয়টি ফিডে ভাগ করে দেওয়া হয়। যেসব এলাকায় কলকারখানা ও সেচকাজ কম, সেখানে লোডশেডিং বাড়িয়ে অন্য স্থানে কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কয়রা সদর একালার বাসিন্দা মোনোয়ার রহমান ও নূর হাসান বলেন, শিশুদের নিয়ে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন চিন্তায়ও রয়েছেন তারা। রাতে ঠিকমতো ঘুমানো সম্ভব হয় না। বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক না হলে এ দাবদাহে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বে। আশে পাশে কয়েকজন অসুস্থ হওয়াতে চিন্তিত রয়েছেন তারা বাচ্চাদের নিয়ে৷ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা একাধিক রোগীর স্বজন বলেন, চিকিৎসা ভালো হলেও প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিলে এক থেকে দুই ঘণ্টা আর বিদ্যুৎ আসে না। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটরে নেই। শিশুদের সুস্থতার জন্য এসে এখন তারা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কয়রা সদরের ব্যবসায়ী বিপুল অধিকারী বলেন, সামনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দোকানে বেশি পরিমাণে মালামাল ওঠানো হয়েছে। দিনে অতিরিক্ত গরম ও সন্ধায় অন্ধকার দোকানে ক্রেতারা প্রবেশ করে না। আইপিএসের ব্যাটারিতে ঠিকমতো চার্জ হয় না। অসহনীয় গরমে দোকানে বসাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ‘লোডশেডিং বেড়েছে। এতে রোগীদের পাশাপাশি আমাদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খুলনা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কয়রা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কায়সার রেজা বলেন, উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১০ মেগাওয়াট। তার জায়গায় সরবরাহ পাচ্ছেন মাত্র ৫ মেগাওয়াট। গ্রাহকের চাহিদার চেয়ে বিদ্যুৎ কম সরবরাহ। এ কারণে লোডশেডিং বেড়েছে। আশা করি জাতীয় গ্রিড থেকে শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। এতে লোডশেডিং কমে আসবে।
এমএসএম / এমএসএম
তারাগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
২ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১১ জন জীবিত উদ্ধার, বাসে ছিল ৪৫ জন
রূপগঞ্জে জামদানী ভিলেজ প্রকল্প পরিদর্শনে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম
ঈদ উপলক্ষে ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত
ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, দুই সহোদরসহ ৪ শিশু নিহত
চাঁদপুরে শুটিং করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার শুটিং ইউনিট!
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানবাহনের ধীরগতি
নবীগঞ্জে দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল
সান্তাহারে হাজারো যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে নীলসাগর এক্সপ্রেস
বগুড়ার শেরপুরে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত
নড়াইলে গরীব, দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ বিতরণ
ঈদে সাময়িক দর্শক বাড়লেও সারা বছর লোকসান টিকে থাকার লড়াইয়ে শ্রীমঙ্গলের সিনেমা হল