ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

টুং টাং শব্দে মুখরিত রাণীশংকৈলের কামার পাড়া


মাসুদ রানা লেমন, রাণীশংকৈল photo মাসুদ রানা লেমন, রাণীশংকৈল
প্রকাশিত: ২৬-৬-২০২৩ দুপুর ৩:৩

আর মাত্র তিন দিন পরেই মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলের কামারপট্টিতে বেড়েছে ব্যস্ততা। অধিকাংশ দোকানের ভেতর থেকে ভেসে আসা হাতুড়ি দিয়ে লোহা পেটানোর টুং টাং শব্দে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে উঠেছে।

রোজার ঈদের এক মাস পর থেকেই কামাররা কোরবানির জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। আগে ১২ ঘণ্টা কাজ করলেও কোরবানির সময় ঘনিয়ে আসায় এখন টানা ১৪-১৫ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে তাদের। মাঝে শুধু খাওয়ার সময় পাওয়া যাচ্ছেন তারা। ক্রেতাদের চাহিদানুসারে সরবারহ স্বাভাবিক রাখতেই তাদের এ অক্লান্ত পরিশ্রম। 

কামারপট্টিতে প্রতিটি দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটার বিভিন্ন আকারের দা, বটি, ছুরি, চাপাতি, কুড়াল। অনেকে আবার দোকানের সামনে বসে এসব সরঞ্জাম ধারালো করতে শান দেওয়ার কাজ করছেন। দোকানের পাশ দিয়ে কেউ গেলেই ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করছেন, কী লাগবে ? টুকটাক যেসব ক্রেতা আসছেন তাদেরকে চাহিদা অনুযায়ী সরঞ্জাম দেখাচ্ছেন, দামাদামি করছেন। সবমিলিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কামার ও বিক্রেতারা। সোমবার (২৬ জুন) সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন কামারশালায় দেখা যায়, কারিগররা উত্তপ্ত লোহাকে পিটিয়ে নির্দিষ্ট রূপ ‍দিচ্ছেন। নির্দিষ্ট সময় পর ঠান্ডা করে ধারালো করছেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। পাশাপাশি কয়লা আর কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমেছে বলেও জানায় এই উপজেলার কামাররা। সারা বছর কমবেশি লোহার কাজ করলেও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বৃদ্ধি পায় কামারদের কর্মব্যস্ততা। ভোর থেকে শুরু করে গভীররাত অবধি চলছে তাদের রকমারি কর্মযজ্ঞ।

ক্রেতারা বলেন “আর মাত্র কয়েক দিন পরেই ঈদ। গরু ও ছাগল জবাই দিতে এবং মাংস কাটতে দা,বটি, চাকু ও ছুরির প্রয়োজন। এজন্য বাজারে দা, বটি ও ছুরি কিনতে এসেছি । তবে গতবছরের চেয়ে এবার দাম খানিকটা বেশি।”

লোহার তৈরী জিনিপত্র পাইকারী বিক্রেতারা বলেন, “সারাবছরই তারা দা, বটি, চাকু, ছুরি বিক্রি করি। তবে কোরবানির মৌসুমেই এসব সরঞ্জামের কেনা-বেচার ধুম পড়ে। এবারও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়লা ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় কামারদের কাছ থেকে বেশি দামে এসব জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে। যার ফলে কিছুটা বেশি দামে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।

রাণীশংকৈল পৌর শহরের হাটখোলা এলাকার কামার মো. বাবুল হোসেন বলেন, বাপ-চাচার ঐতিহ্য সূত্রে অনেক বছর ধরে এই কাজ করে আসছি। বছরের অন্য দিনগুলোতে তেমন কাজ থাকে না। কিন্তু কোরবানির ঈদ এলে কাজের চাপ বেড়ে যায় প্রতিবছর।

কামাররা দৈনিক সকালের সময়কে জানায়, দা আকৃতি ও লোহাভেদে ২০০- ৫০০ টাকা, ছুরি ১০০-৪০০ টাকা, চাকু প্রতিটি সর্বোচ্চ ৫০-৫০০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি প্রতিটি ৫০০-৮০০ টাকা এবং পুরানো দা, বটি, ছুড়ি শান দিতে বা লবণ-পানি দিতে ৫০-১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।

এমএসএম / এমএসএম

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই নবাগত ইউএনও এর সাথে সুরের ধারা পরিবারের শুভেচ্ছা বিনিময়

বিলাইছড়িতে পশু জবাই ও কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত