প্রবাসে মৃত ব্যক্তির স্ত্রী সেজে অর্থ-সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা
রাজধানীর ডেমরা কোনাপাড়া মেডিহোপ হাসপাতাল গলির পিছনে ইসলাম রোডের সালমা বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে ভূয়া কাগজপত্র সৃজন করে প্রবাসে মৃত ব্যক্তির স্ত্রী পরিচয়ে প্রবাসী ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে জমা দিয়ে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওমান প্রবাসী ঐ মৃত ব্যক্তির নাম নুর হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার হোগলহরী গ্রামে।গত ১০ আগষ্ট ২০১৯ সালে ওমানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সেই সময়ে সালমা বেগম নামে ঐ নারীও ওমানে চাকরি করতেন। তিনি নুর হোসেনকে চিনতেন।নুর হোসেনের আত্মীয় স্বজনের সরলতার সুযোগে দুইটি ভূয়া কাবিন নামা তৈরি করে নিজে স্ত্রী সেজে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাৎ করার জন্য চেষ্টা করে।মৃত নুর হোসেনের পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশে লাশ দেশে আনতে এ নিয়ে তেমন মাথা ঘামায়নি। বাংলাদেশে নুর হোসেনের স্ত্রী মিনারা বেগম লক্ষীপুরে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করত।যে কোন মূল্যে তারা চেয়েছিল নুর হোসেনের লাশ দেশে আসুক। কিন্তু পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন প্রবাসী কর্মী মারা গেলে বিদেশে নিয়োগকর্তা, সংস্থা, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান থেকে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা নেয় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।লাশ দাফন করার সময় দেয়া হয় ৩০ হাজার টাকা।ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিবারের সদস্যরা পায় ৩ লাখ টাকা। এই অনুদান পেতে মৃত প্রবাসী কর্মীর স্বজনকে দাখিল করতে হয় বেশকিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। এছাড়া প্রবাসী কর্মীর বকেয়া বেতন, সার্ভিস বেনিফিট ও ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাওনা থাকলে তা আদায় করে স্বজনকে তা পাওয়ার উদ্যোগও নিয়ে থাকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। এজন্য মৃত প্রবাসীর কর্মীর স্বজনকে বেশকিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। সেই টাকা স্ত্রী সেজে নিজের একাউন্টে আনতে দুইটি মিথ্যা বিয়ের কাবিন নামা তৈরি করে। একটিতে বিয়ের সাল ২০০৭ অন্যটিতে বিয়ের সময় দেখানো হয়েছে ২০১৮ সাল। এছাড়া শুধু ঐ মৃত ব্যক্তির প্রবাসী ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের টাকা ছাড়াও সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। প্রবাসীর স্ত্রী সেজে দুই সন্তানকে একই তারিখে জন্ম নিবন্ধন করে মৃত নুর হোসেনের ঔরষজাত দাবি করে সম্পত্তি গ্রাসের ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া তার জাতীয় পরিচয় পত্রে তার পিতার নাম হামজের আলী খান। পাসপোর্টে পিতার নাম মোঃ সোবহান। পাসপোর্টৈ স্বামীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে নুর হোসেন অথচ প্রকৃতপক্ষে তার স্বামীর নাম মোশাররফ হোসেন।
মৃত প্রবাসী নুর হোসেনের স্ত্রী মিনারা বেগম দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আমার স্বামীর ঔরষজাত ৪ সন্তান ছাড়া আর কোন সন্তান নেই, সালমা বেগম নামে এক নারী প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে নানা ধরনের জাল কাগজপত্র সৃজন করে টাকা পয়সা সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে, আমরা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রয়োজনে আদালতে যাব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করবো।
এ বিষয়ে সালমা বেগম বলেন, আমার কাগজপত্র অনেক ভুল আছে, আমি সব জায়গায় তা বলেছি,ভুল হলে তা স্বীকার করলে মাফ পাওয়া যায়, তবে মোশাররফ আমার পূর্বের স্বামী,ঐ ঘরে আমার ৫ টি সন্তান থাকলেও মৃত নুর হোসেনের ঘরে ২ টি সন্তান নুসরাত জাহান লিমা ও আবুবক্কর সিদ্দিক জন্ম হয়। তবে সালমা বেগমের কথায় নানা সময়ে নানা অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
গুলশান লেক ও ইউআরপি ভবন এলাকায় পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ইডিসিএলে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ওএমএসে ফিরেছে গতি রাজধানীতে স্বস্তির বার্তা
ইডি শাহজালালের তৎপরতায় তদারকিতে গতি, চাপে প্রোটোকল কোম্পানিগুলো
লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় শিশু সন্তানকে ফিরে পেলো কিশোরী মা
মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস ফেরদৌসী আহমেদ এমপির
মিরপুরে দেয়াল ধসে ২ জন নিহত
ন্যায্যভিত্তিক সমাজ গঠনে বিভাজনের বদলে ঐক্যের আহ্বান
নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল
টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই বরাদ্দ, নাফরিজা শ্যামার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি: ORAT কার্যক্রম শুরুর তাগিদ
বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে ঢাকায় দ্বিতীয় মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট উদ্বোধন
খিলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী পাগলা সোহেল গ্রেফতার পর এলাকায় স্বস্তি মিলেছে
Link Copied