ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

তানোরে কীটনাশক কোম্পানির যাতাকলে কৃষক


তানোর প্রতিনিধি photo তানোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১০-২০২৩ দুপুর ৪:৪৯
রাজশাহীর তানোরে হরেক রকমের কীটনাশক কোম্পানির বাহারি নামের নানা জাতীয় রোগের দোহায়ে দেদারসে বিক্রি করা হচ্ছে, সরল সাদা পা ফাটা কৃষকরা কোম্পানির উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের মুখে বাহারি কথায় নিমিষেই বাজার থেকে কীটনাশক কিনে জমিতে ব্যবহার করছে, রোগ বালাই আশার আগেই কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা কৃষকদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন এখন এই রোগ আসবে, এজন্য এপ্রোডাক্ট ব্যবহার করলে ফলন ভালো হবে। এভাবে তানোরের কৃষকদের বুঝিয়ে বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা নিয়মিত দেদারসে বিক্রি করছেন কীটনাশক।
 
সারা দেশে বৈধ অবৈধ কত কোম্পানি আছে তার তো সঠিক হিসেব নেই, আবার তানোরের মত জায়গায় কত কোম্পানি তাদের কীটনাশক বিক্রি করছেন সেটিরও কোন সঠিক তথ্য বা তদারকি নেই কৃষি দপ্তরের। ফলে কৃষকরা প্রতিনিয়ত জেনে না জেনে এসব কীটনাশক জমিতে দিয়ে সর্বনাশ ডেকে আনছেন। অথচ এসব বেপরোয়া কোম্পানির কোন ভাবেই লাগাম টানতে পারছেন না কৃষি দপ্তর যেমন, তেমনি ভাবে কৃষি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নানা সুবিধা দিয়ে বিক্রি করছেন মানহীন পণ্য।
 
কামারগাঁ ইউপির পারিশো ধানী জমিতে এক কৃষক কীটনাশক স্প্রে করছেন, তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কি পোকার আক্রমণ তিনি জানান, এখনো পোকার আক্রমন শুরু হয় নি, কোম্পানির লোক এসে জমি দেখে বলল কারেন্ট পোকা ধরবে এখুনি এই কীটনাশক দিতে হবে। নইলে ফলন পাবেন না। তার কথামত স্প্রে করছি। কারণ অনেক খরচ করে জমি রোপন করেছি।
 
কৃষকরা জানান, আমাদের সাথে এতো প্রতারণা কেন করা হচ্ছে। আজ এ কোম্পানি কাল আরেক কোম্পানি,পরশু আরেক কোম্পানি এসে লেকচার দিয়ে পণ্য বিক্রি করছেন। তাদের স্মার্ট কথায় সরল সাদা কৃষকরা একাধারে কীটনাশক ব্যবহার করে জমির সর্বনাশ ডেকে আনছে। এতো কোম্পানি কেন আসবে। এসব নামি দামি কোম্পানির মোড়কে ভেজাল কীটনাশকে ছড়িয়ে পড়েছে বাজার। কৃষি দপ্তরের এসব বিষয়ে কোন নজরদারি নেই। অথচ কৃষি দপ্তরের উচিৎ যে কোম্পানির কীটনাশকের মান ভালো পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে যাচাই বাচাই করে মার্কেটে আনা দরকার। আর উপজেলার পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে আনাচে কানাচে শতশত কীটনাশকের দোকান গড়ে উঠেছে। রাখা হচ্ছে খোলামেলা জায়গায়।
 
বেশ কিছু কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা জানান, আমাদের কে মাসিক টার্গেট দেয় সেটা পুরোন না করতে পারলে বেতন পাওয়া যায় না। যার কারনে আমাদের কে মাঠে পড়ে থাকতে হয়।
 
কৃষকরা বলেন, যত কোম্পানি আছে তা বলায় মুসকিল, কখনো এ কোম্পানি এসে বলছে আমাদের পণ্য একশো পারসেন কাজ করে। এটা ব্যবহার করেন। আবার দোকানে গেলে আরেক অবস্থা। যাই যে ভাবে পারছে আমাদের ঠকিয়ে বানিজ্য করছেন। এতে করে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারনে জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। যদি কৃষি দপ্তর নির্দিষ্ট কোম্পানীর কীটনাশক ব্যবহার করতে বলত তাহলে আমাদের জন্য ভালো হত এবং আমরা প্রতারনার স্বীকার হতাম না।
 
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ২২ হাজার ৪শ ২০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ জানান, কৃষকরা এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ করেননি। তবে কীটনাশকের ভেজাল রোধে বাজারে নজরদারি করা হচ্ছে।

এমএসএম / এমএসএম

গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে শালিখায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নড়াগাতীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের

চাঁদপুরে খাল দূষণ ও ভরাট করায় দুই রাইস মিল মালিকের জরিমানা

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নতুন উদ্যমে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই বংশের সংঘর্ষ, আহত ১৪

তারাগঞ্জে দায়সারা ভাবে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত,কৃষকদের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে ঘুষ বাণিজ্য, রাজস্ব ফাঁকির ধুম

মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

কুড়িগ্রামে জেলা টাউন ক্লাবে আধুনিক ডিজিটাল প্রজেক্টর উদ্বোধন

গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্টুডেন্ট ফোরামের দ্বি-মাসিক স্টাডি সার্কেল অনুষ্ঠিত

এসিল্যান্ডের ড্রাইভার থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য

কুমিল্লায় গোল্ডেন লাইফ ইনসুরেন্সের আল-ফালাহ্ ইসলামী জীবন বীমা প্রকল্পের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হলো রেডি টু কুক ফিস