ঢাকা রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

ডেমরা-রামপুরা সড়কে চলছে চোরাই জ্বালানি তেলের ব্যাবসা


উর্মি আক্তার photo উর্মি আক্তার
প্রকাশিত: ৯-১১-২০২৩ বিকাল ৬:২
রামপুরা সড়কের মেন্দিপুর ও মীরপাড়া এলাকায় পরিবহনের চোরাই  জ্বালানি তেল বিক্রি সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া গেছে।চোরাই তেল কেনাবেচাই এ চক্রের মূল কাজ।এসব চোরাই তেলের মধ্যে অন্যতম হলো ডিজেল। খোলা বাজারে বিক্রি হওয়ার কারণে হরতাল অবরোধের সময় গাড়িতে অগ্নিসংযোগ সহ নাশকতা কাজে এসব চোরাই জ্বালানি তেল ব্যবহার হয়ে থাকে।
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭০ নং ওয়ার্ডের মেন্দিপুর নামক স্থানে সড়কের পাশে একটি টিনশেড ঘর ভাড়া নিয়ে চলছে চোরাই তেল সংগ্রহ ও বিক্রয়। কামাল গং নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এই চক্রের রমরমা বাণিজ্য।এসব ড্রাম ভর্তি চোরাই তেল হরতাল-অবরোধে অগ্নিসংযোগের জন্য চড়া দামে কিনে নিয়ে যায় আন্দোলনকারীরা। কামাল হোসেন রানা কিছু ভূঈফোড় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এই ধরনের অবৈধ কাজ চালিয়ে আসছে।
 
রামপুরা-স্টাফ কোয়াটার সড়কের মীরপাড়া এলাকার পেট্রোল পাম্প এর বিপরীতে রাস্তায় একটি খুপরি ঘর তুলে চোরাই তেলের বানিজ্য করছে মিজান ও তার ছেলে বেলাল। জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে বিস্ফোরক লাইসেন্স এবং ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্র পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়ার বিধান থাকলেও নজরদারির অভাবে শুধু একটা ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই এমন রমরমা বাণিজ্য করছে চক্রটি। কয়েকটি তেলের ড্রাম মবিলের ডিব্বা বা গ্যালনের মালা গেঁথে একটি বাঁশের খুঁটিতে ঝুলানো থাকে। খুপরির ভেতর একটি টেবিলে টালি খাতা নিয়ে বসেন একজন। রাত যাপনের জন্যে খুপরিতেই আছে  সিঙ্গেল খাট, বালিশ, তোশক ও মশারি। রাত গভীর হলেই চক্রের সদস্যরা পিকআপ ভ্যানে ড্রাম বসিয়ে সড়কের পাশে গাড়ির সাথে গাড়ি ভিড়িয়ে অভিনব কৌশলে মটর দ্বারা পাইপের মাধ্যমে ট্যাংক থেকে তেল বাহির করে নিয়ে সটকে পড়ে। কখনো চালকে ম্যানেজ করে আবার কখনো চালক ও হেলপার ঘুমন্ত অবস্থার সুযোগে তারা তেল সংগ্রহ করে। এছাড়া ও নদীপথে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকার মাধ্যমে জাহাজ ও বিভিন্ন নৌযান থেকে চোরাই তেল সংগ্রহ করা হয়।
 
ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক দ্বীন মোহাম্মদ নীল মিয়া নামে একজন জানান, চোরাই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম‌্যে অনেক ব্যবসায়ী পথের ফকির হয়েছে। কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও গাড়ির মালিক লাভের মুখ দেখে না। অথচ সামান্য লাভের আশায় গাড়ির চালকরা চুরি করে তেল বিক্রি করে। ওই তেল কেনাবেচা করে চোরাকারবারিরা বছর না ঘুরতেই কোটিপতি হচ্ছে।
 
রাত-দিন ২৪ ঘণ্টাই এ চোরাই তেল বিক্রির খুপরি ঘর খোলা থাকে। দিন-রাত গাড়ির চালকরা পিকআপভ্যান, বাস, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান থামিয়ে তেল বিক্রি করে। স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চালকের কাছ থেকে প্রতি লিটার ডিজেল কেনা হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। আর বিক্রি করেন ৬৩ টাকায়। কোন গাড়ির চালক তেল বিক্রি করতে আসলে চোরাই সিন্ডিকেট তাদের ওপর বাটপারি করে। ট্যাংকি থেকে তেল নামানোর সময় ২ থেকে ৩ লিটার বেশি নিয়ে নেয়। অর্থাৎ ১০ লিটারের জায়গায় ১৩ লিটার। এতে লাভ প্রায় দ্বিগুণ হয়।
 
এ বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আপনার মাধ্যমে আমি বিষয়টি অবগত হলাম, এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

কারিগরি শিক্ষায় অবহেলা দূর ও ১০ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

দ্রুত মৌখিক পরীক্ষার দাবিতে প্রেস ক্লাবে ১৮তম এনটিআরসিএ উত্তীর্ণদের মানববন্ধন

পশ্চিম জোনের আনসার সদস্যদের তৎপরতায় মোটরসাইকেল চোর আটক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার

সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী দুইভাইকে হয়রানী

দেশের শান্তি রক্ষায় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চান হেযবুত তওহীদ ওয়াজ মাহফিলের নামে উসকানি ও হুমকির

আন্ডারওয়্যারে লুকানো কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ১

ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন ও অন্যায্য শ্রমচর্চা প্রতিরোধে এসওপি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

যাত্রাবাড়ী সময় টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও মারধর, থানায় জিডি

বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ঢাকায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ঢাকাস্থ শ্রীপুর (মাগুরা) বিএনপি পরিবারের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কলাবাগানে হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার