ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

ডেমরা-রামপুরা সড়কে চলছে চোরাই জ্বালানি তেলের ব্যাবসা


উর্মি আক্তার photo উর্মি আক্তার
প্রকাশিত: ৯-১১-২০২৩ বিকাল ৬:২
রামপুরা সড়কের মেন্দিপুর ও মীরপাড়া এলাকায় পরিবহনের চোরাই  জ্বালানি তেল বিক্রি সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া গেছে।চোরাই তেল কেনাবেচাই এ চক্রের মূল কাজ।এসব চোরাই তেলের মধ্যে অন্যতম হলো ডিজেল। খোলা বাজারে বিক্রি হওয়ার কারণে হরতাল অবরোধের সময় গাড়িতে অগ্নিসংযোগ সহ নাশকতা কাজে এসব চোরাই জ্বালানি তেল ব্যবহার হয়ে থাকে।
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭০ নং ওয়ার্ডের মেন্দিপুর নামক স্থানে সড়কের পাশে একটি টিনশেড ঘর ভাড়া নিয়ে চলছে চোরাই তেল সংগ্রহ ও বিক্রয়। কামাল গং নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এই চক্রের রমরমা বাণিজ্য।এসব ড্রাম ভর্তি চোরাই তেল হরতাল-অবরোধে অগ্নিসংযোগের জন্য চড়া দামে কিনে নিয়ে যায় আন্দোলনকারীরা। কামাল হোসেন রানা কিছু ভূঈফোড় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এই ধরনের অবৈধ কাজ চালিয়ে আসছে।
 
রামপুরা-স্টাফ কোয়াটার সড়কের মীরপাড়া এলাকার পেট্রোল পাম্প এর বিপরীতে রাস্তায় একটি খুপরি ঘর তুলে চোরাই তেলের বানিজ্য করছে মিজান ও তার ছেলে বেলাল। জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে বিস্ফোরক লাইসেন্স এবং ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্র পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়ার বিধান থাকলেও নজরদারির অভাবে শুধু একটা ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই এমন রমরমা বাণিজ্য করছে চক্রটি। কয়েকটি তেলের ড্রাম মবিলের ডিব্বা বা গ্যালনের মালা গেঁথে একটি বাঁশের খুঁটিতে ঝুলানো থাকে। খুপরির ভেতর একটি টেবিলে টালি খাতা নিয়ে বসেন একজন। রাত যাপনের জন্যে খুপরিতেই আছে  সিঙ্গেল খাট, বালিশ, তোশক ও মশারি। রাত গভীর হলেই চক্রের সদস্যরা পিকআপ ভ্যানে ড্রাম বসিয়ে সড়কের পাশে গাড়ির সাথে গাড়ি ভিড়িয়ে অভিনব কৌশলে মটর দ্বারা পাইপের মাধ্যমে ট্যাংক থেকে তেল বাহির করে নিয়ে সটকে পড়ে। কখনো চালকে ম্যানেজ করে আবার কখনো চালক ও হেলপার ঘুমন্ত অবস্থার সুযোগে তারা তেল সংগ্রহ করে। এছাড়া ও নদীপথে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকার মাধ্যমে জাহাজ ও বিভিন্ন নৌযান থেকে চোরাই তেল সংগ্রহ করা হয়।
 
ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক দ্বীন মোহাম্মদ নীল মিয়া নামে একজন জানান, চোরাই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম‌্যে অনেক ব্যবসায়ী পথের ফকির হয়েছে। কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও গাড়ির মালিক লাভের মুখ দেখে না। অথচ সামান্য লাভের আশায় গাড়ির চালকরা চুরি করে তেল বিক্রি করে। ওই তেল কেনাবেচা করে চোরাকারবারিরা বছর না ঘুরতেই কোটিপতি হচ্ছে।
 
রাত-দিন ২৪ ঘণ্টাই এ চোরাই তেল বিক্রির খুপরি ঘর খোলা থাকে। দিন-রাত গাড়ির চালকরা পিকআপভ্যান, বাস, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান থামিয়ে তেল বিক্রি করে। স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চালকের কাছ থেকে প্রতি লিটার ডিজেল কেনা হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। আর বিক্রি করেন ৬৩ টাকায়। কোন গাড়ির চালক তেল বিক্রি করতে আসলে চোরাই সিন্ডিকেট তাদের ওপর বাটপারি করে। ট্যাংকি থেকে তেল নামানোর সময় ২ থেকে ৩ লিটার বেশি নিয়ে নেয়। অর্থাৎ ১০ লিটারের জায়গায় ১৩ লিটার। এতে লাভ প্রায় দ্বিগুণ হয়।
 
এ বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আপনার মাধ্যমে আমি বিষয়টি অবগত হলাম, এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

সমন্বিত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার ও বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর

বিদেশে বিনিয়োগকৃত কোম্পানীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত নথি ব্যবহারে প্রবাসী কর্মীকে বঞ্চিত করার অভিযোগ

শ্রমিক দিবস প্রতিবছর আসে মেহনতী পরিবহন শ্রমিকরা অবহেলিত থেকে যায়

উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে নেপাল ফটো সাংবাদিক সফরত বিপিজেএ উদ্যাগে কক্সবাজার ভ্রমন

উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ডেমরায় কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৪ ইউনিট

অস্ত্র-ড্রোনসহ ‘উগ্রবাদী সংগঠনের’ ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

কর্মস্থলে অনুপস্থিতি: মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে শোকজ

২০ তম বিসিএস ব্যাচের মেধাবী ও পেশাদার কর্মকর্তারা পদোন্নতি বঞ্চিত, পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে ন্যায় বিচার চান

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কর্মচারীদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদের অভিযোগ

খিলক্ষেতে উন্নয়নের অঙ্গীকারে শওকত উল ইসলাম সৈকত

টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ: আব্দুল হাসেমের পাশে দাড়ালেন ডিসি ফরিদা খানম