উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ টানা বৃষ্টি
ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে চারিদিকে নদী ও সুন্দরবন বেষ্টিত খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল কয়রায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। উপকূলীয় এ এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে উপকূলীয় এ অঞ্চলে বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই হালকা থেকে মাঝারি আকারের বৃষ্টি হচ্ছে। ১৭ নভেম্বর সকাল থেকে বৃষ্টির সাথে যোগ হয়েছে দমকা হাওয়া। সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি এ এখোনো । গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই বৃষ্টি বাড়ার সাথে সাথে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলায় । এ অঞ্চলের জেলেরা সমুদ্র ও গভীর সুন্দরবন থেকে তীরে ফিরতে শুরু করেছেন । ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে এ অঞ্চলের কৃষকরা চলতি আমন মৌসুমে জমির পাকা ধান ও শীতের সবজির ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছে।
ইতি মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ১৭ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১১ টায় জরুরি সভা করেছে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে । এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম । সভায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার অংশ হিসেবে উপজেলার নদীর তীরবর্তী ঝূকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের সতর্কসহ নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্টান গুলো খুলে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক যুগ সংকেত শুনলেই ভঙ্গর বেঁড়িবাধের প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কেটেছে এ অঞ্চলের মানুষের। বিগত কয়েক বছরে বেঁড়িবাধের বেশ কাজ হওয়ায় কিছুটা নিরাপদে থাকলেও পাশ হওয়া টেইসই বেঁড়িবাধের কাজ এখোনো শেষ না হওয়ায় জলোচ্ছ্বাসের ভয়ে এখোনো রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষকদের জমিতে আমন ধান রয়েছে। প্রায় ৯০ ভাগ এখনও কাটা হয়নি। এ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় হলে কৃষকদের পাকা ধানে ও মাঠে থাকা শীতকালীন সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। কৃষকদের ক্ষতি ক্ষতির পরিমাণ কমাতে মাঠে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন জানান, উপজেলায় মোট ১২৭ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে বিগত কয়েক বছরে ব্যাপক কাজ হওয়ার কয়েকটি পয়েন্ট ছাড়া অধিকাংশ ঝূঁকিমুক্ত। তাৎক্ষনিক ঝূঁকি এড়াতে তাদের হাতে পর্যাপ্ত জিও ব্যগ (বালুভর্তি ব্যাগ),সিনথেটিক ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামত ও রক্ষার জন্য মাঠপর্যায়ে লোকবল প্রস্তুত রয়েছে।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য উপজেলায় ১১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার লোক আশ্রয় নিতে পারবেন। এছাড়াও ইউনিয়ন ভিত্তিক মেডিকেল টিম,কন্টোল রুম ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য খাদ্য ও নগদ অর্থ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
রৌমারীতে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুদ
সন্দ্বীপ পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ডের মা গঙ্গা পূজা ও মহোৎসব অনুষ্ঠিত
শরণখোলায় রিয়া মনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন: গ্রেপ্তার ৩
ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
মোহনগঞ্জে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে মডেল মসজিদে মুসল্লিদের সাথে ওসির মতবিনিময়
অবশেষে সন্তানকে খুঁজে পেলেন আলেয়া বেওয়া
গ্রামীণ ঐতিহ্য পলো দিয়ে মাছ শিকার এখন শুধুই স্মৃতি
এই পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাউফলে জাতীয় পতাকা হাতে জামায়াতের ‘আগ্রাসী’ মিছিল: উত্তপ্ত বাউফল
কেশবপুরের এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলীকে সামাজিক সংবর্ধনা
আশুলিয়ায় মানবিক ডাক্তারের গাড়ি পোড়ালো আ.লীগ নেতা
গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিল ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন