ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

জয়পুরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী ও হানাদার মুক্ত দিবস পালিত


রাকিবুল হাসান রাকিব, জয়পুরহাট photo রাকিবুল হাসান রাকিব, জয়পুরহাট
প্রকাশিত: ১৪-১২-২০২৩ বিকাল ৫:১৪
জয়পুরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায়  শহীদ বুদ্ধিজীবী ও  পাকিস্তানী  হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্প্রতিবার সকালে পাগলা দেওয়ানে হাজারো শহীদের বধ্যভূমিতে সকাল ৮টায় পুষ্প্যস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করেন জেলা প্রশাসন। 
 
পরে সরকারি  বিভিন্ন দপ্তর ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।  আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক সালেহীন তানভীর গাজীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কে এম এ মামুন খান চিশতী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রকেট, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক আমিনুল হক বাবুল প্রমূখ। 
 
১৯৭১ সালের এ দিনে পাকিস্তানী হানাদারদের হটিয়ে ”জয় বাংলা” স্লোগান দিয়ে  মুক্তিযোদ্ধারা  ঝাঁকে ঝাঁকে ফাঁকা গুলি বর্ষণ   ও উল্লাসের মধ্যে দিয়ে জয়পুরহাটের ডাক বাংলোতে বেলা ১১ টায় প্রবেশ করে। হানাদার পাকিস্তানি সৈন্য বাহিনী ও তাদের এদেশিয় দোসর রাজাকার আলবদররা তখন পালিয়ে বিভিন্ন দিকে ছুটে যায় জীবন বাঁচাতে। জয়পুরহাটের ডাক বাংলো প্রাঙ্গন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ’জয়বাংলা’ স্লেগানে  কেঁপে ওঠে। সমবেত কন্ঠে ’আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানের মধ্য দিয়ে প্রথম স্বাধীনতার বিজয় কেতন সোনালী বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করেন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খন্দকার আসাদুজ্জামান বাবলু  (বাঘা বাবলু)। এ স্বাধীনতার জন্য মূল্য দিতে হয়েছে অনেক মা-বাবা, ভাই-বোনকে। স্বজনদের হারিয়ে অনেকেই এখনও শোকে পাথর হয়ে আছেন।  ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিক থেকে দেশের অনেক জেলা যখন পাক-হানাদার মুক্ত হতে থাকে তখনও যুদ্ধ চলে জয়পুরহাটে। ৯ মাস ধরে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা নির্মম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালায় এখানে । দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরে নিয়ে এসে ১০ হাজারের বেশী মানুষকে ব্যানট দিয়ে খুঁচিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় জয়পুরহাটের পাগলা দেওয়ানে। এখানে শুয়ে আছে কত মায়ের অজানা সন্তান। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বদ্ধভূমি  এ পাগলাদেওয়ান। এখানে পাক হানাদার বাহিনীর একটি পরিত্যাক্ত বাংকার এখনও  হত্যা যজ্ঞের ভয়াল স্মৃতি বহন করছে। এ নারকীয় হত্যাযজ্ঞ থেকে প্রাণে বেঁচে আসা অনেকেই এখনও সেই করুন স্মৃতি বহন করছেন। এছাড়াও কড়ই কাদিপুর গ্রামে ৩শ ৭১ জন মৃৎ শিল্পী (কামার-কুমার) কে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী ও এ দেশীয় দোশর রাজাকার আল বদর বাহিনীর সদস্যরা। এখানে একটি বধ্যভূমি রয়েছে। বিজয়ের এ দিনকে স্মরণ রাখার জন্য জয়পুরহাটে শহীদ ডাঃ আবুল কাসেম ময়দানে ৭১ ফুট উচ্চ শহীদ স্মৃতি বিজয় স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও জয়পুরহাট হানাদারদের নিকট থেকে মুক্তির এ দিনটিকে স্মরণ করে কড়ই-কাদিপুর ও পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি স্মৃতি সৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এমএসএম / এমএসএম

প্রশাসনিক অনিয়ম ও অনৈতিকতার অভিযোগে বিদ্ধ বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

​রাণীনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন এসিল্যান্ড, পাইপ জব্দ

শালিখায় সিএনআরএস এর উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

রৌমারী সীমান্তে পতাকা বৈঠকে সমাধান হয়নি, সীমান্তের শুন্য রেখায় অনিশ্চয়তায় ৯ বাংলাদেশি

নেত্রকোণার সদর উপজেলায় প্রবাসী আজিজের খরিদা সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ভিক্ষুক বৃদ্ধা'র স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

বাকেরগঞ্জে কলেজছাত্র সজিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুরতে নিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ, প্রেমিকসহ গ্রেফতার-৩

"মা" কে নির্যাতন করার অভিযোগে দুই সন্তান আটক, কারাগারে প্রেরণ। 

সাংবাদিক মিজানকে হত্যার হুমকি আল আজিমের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শ্যামনগরে মানববন্ধন

সিংড়ায় বজ্রপাতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

রাজস্থলীতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সহ ৪ জন আটক, যৌতুক আইনে সাজা ভোগ করছিলেন একজন