উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার খাজনা দাখিলা কর্মকাণ্ড
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কার্যালয়ের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রসিদ জি-১৬৪৪৩০। ২০১৯ সালের ৮ জুনের উক্ত রসিদে আম্বিয়া খাতুনের নামে ২৩নং সোনাতলা মৌজার ৫৯১/১ খতিয়ানে ২.৮৭৫০ একর জমির ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত ৪৬ বছরের কর ৩ হাজার ৫৮৮ টাকা গ্রহণ করেন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা। অথচ রসিদের কার্বন কপিতে খতিয়ান, জমির পরিমাণ এবং খাজনা আদায়ের সাল এক নয়। তবে মৌজা, টাকার পরিমাণ, স্বাক্ষর, তারিখ এক। এভাবেই ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রসিদ (খাজনা দাখিলা) একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্রকে সরবরাহ করেছেন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোসা তানিয়া আক্তার মুক্তা ০৮-০৫-১৯ তারিখ সোনাতলা মৌজার এসএ ২নং সিটভুক্ত ১১৮৬, ১১৮৭ নদীর দাগের ২.৮৭৫০ একর জমির, ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ প্রদান করেন আম্বিয়া খাতুনের নামে। অফিসে সংরক্ষিত উক্ত রসিদের কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ানের পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমাণও পাল্টে ১.৮৭৫০ এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ানের মালিক আছিয়া খাতুন।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্র সেটেলমেন্ট কেস ৪৪কে/৫২-৫৩ ও ৫০কে/৬৬-৬৭-এর দ্বারা সাড়ে ৭ একর জমির ভুয়া বন্দোবস্ত মালিকানা সৃষ্টি করে উপজেলার তুলাতলি গ্রামের মোন্তাজ উদ্দীন মৃধার কন্যা আম্বিয়া খাতুনের নামে। সৃষ্টি করা হয় ৩৯২২ ও ৩৯২৩ বিএস দাগ, সহিমোহর পর্চা, বিএস হাত পর্চা। এরপর ০৯-০৫-১৯ তারিখ ইলিশের অভয়াশ্রম খ্যাত আন্ধারমানিক নদীর পাঁচ একর জমি পৃথক দুটি সাব-কবলা দলিলে (যার নম্বর ২০৫২/১৯ এবং ২০৫৩/১৯) বিক্রী করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় জালিয়াত চক্রটি। সাব-রেজিস্ট্রার কাওসার খান দলিল দুটি রেজিস্ট্রি করেন।
এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোসা. তানিয়া আক্তার মুক্তা বলেন, সোনাতলা মৌজার রেজিস্টারে ৫৯১/১ খতিয়ান নেই। এর আগে অনেকে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন। দাখিলার মূল কপি না দেখে কিছু বলা যাবে না।
সাব-রেজিস্ট্রর কাওসার খান (বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার স্টেশনে কর্মরত) বলেন, দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় ভূমি অফিসের কাগজপত্র দেখে আমি রেজিস্ট্রি করেছি।
কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎ বন্ধু মণ্ডল বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছি। তদন্ত চলমান আছে। তদন্ত শেষ না হলে কিছু বলতে পারছি না। এছাড়া দু-এক দিনে নীলগঞ্জ তহসিল অফিস আমি পরিদর্শন করব।
ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কলাপাড়াকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, যদি বিষয়টি সঠিক হয়, এগুলো আমরা কোনোভাবেই বরদাশত করব না।
এমএসএম / জামান
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ
গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক পেলেন জুড়ীর ওয়ারিশা রাহমান
আওয়ামিলীগের সাথে কোন আপোষ নয় - মনিরুল হক চৌধুরী
প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে বিএনপির গফুর ভূঁইয়ার রিট
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: পিআইবি মহাপরিচালক
সাভারে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা
আত্রাইয়ে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে অল্পের জন্য শত শত যাত্রী প্রাণে রক্ষা
আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব—শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত
রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া
নেত্রকোনার মদনে লাহুত হত্যা মামলার আট মাসেও মিলেনি চার্জশীট
দেয়াল পত্রিকা ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের লাবিবা
তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ