ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

সরিষা ফুলের হলুদ চাদরে ঢেকেছে শেরপুরের ফসলের মাঠ


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-১২-২০২৩ দুপুর ২:১

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সরিষার হলুদ চাদরে ঢাকা পড়েছে। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলে হলুদ রঙের অপরূপ দৃশ্য। সোমবার (২৫ডিসেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,খানপুর ইউনিয়নের শালফা, শুবলি, বোয়ালকান্দি, চৌবাড়িয়া, শইল্যাপাড়া, নলবাড়িয়া, গজারিয়া, তালপুকুরিয়া সহ প্রায় সব এলাকাতেই সরিষার আবাদ হয়েছে। কামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর, নলডিঙ্গিপাড়া, বিলনথার, ঘোরদৌড়, মাগুরার তাইর, খামারকান্দি, শুভগাছা, হুসনাবাদ, বোয়ালমারী, বেড়েরবাড়ি, গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, কাফুরা, রণবীরবালা সহ দশটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে সরিষার আবাদ করেছেন কৃষকেরা। প্রকৃতি সেজেছে হলুদের সমারোহে। মৌমাছি, প্রজাপতিও ছুটছে অবিরাম এক ফুল থেকে অন্য ফুলে। তাদের এই খেলা সরিষার জমিকে করেছে আরো মনোমুগ্ধকর। পোকাখেকো বুলবুলি পাখি এবং শালিকের ঝাঁক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, হলুদের সমারোহ আকর্ষণ করেছে শিশু, তরুণ- তরুণী থেকে শুরু করে সকল বয়সের প্রকৃতি প্রেমিকদের। অনেকেই একে অপরের ছবি তুলতে ব্যস্ত। 

গত কয়েক বছরের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনের ফলে এই শস্যটির ফলন ও আগের চেয়ে বেড়েছে। ফলন পেতে সময় অল্প লাগে,খরচ কম হয়, এ কারণে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দিনে দিনে বাড়ছে সরিষার চাষ। মাগুড়ার তাইড় গ্রামের সরিষার চাষী সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রচলিত দেশি সরিষার চেয়ে বারি, টরি ও বিনার উদ্ভাবিত সরিষার জাত গুলোর ফলন বেশি। এ কারণে চাষীরাও আগ্রহী হচ্ছেন সরিষার চাষে। এভাবে সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেলে ভোজ্যতেলের আমদানি কমবে।  তাছাড়া আমন ও বোরো মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে জমি ফেলে না রেখে সরিষার চাষ করে তিন ফসলি করে বাড়তি আয় করতে আগ্রহী হয়েছে কৃষকেরা। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৭-৮ মন সরিষা উৎপাদন হয়। এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে খরচ হয় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। আর বিক্রি হয় প্রায় ১১হাজার থেকে ১২হাজার টাকায়। 

সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে এ উপজেলায় সরকার থেকে প্রতিটি কৃষককে বিনামূল্যে ১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি ডি এ পি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। মোট ৩০০০ জন কৃষক এই সুবিধা পেয়েছে। সরিষার ভালো ফলনের জন্য কৃষকদেরকে প্রতিনিয়ত সব ধরনের পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে শেরপুর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগন। 

শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার জানান, ২০২২ সালে সরিষা চাষের অর্জন ছিলো  ২৩০০ হেক্টর, ২০২৩ সালে মোট সরিষার চাষ হয়েছে ৩৬৬০ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশি। সরিষা একটি বাড়তি অর্থকরী ফসল। এখনো পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে আছে।পোকামাকড়ের তেমন আক্রমণ না থাকলে ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি। 

এমএসএম / এমএসএম

বোয়ালখালী সাংবাদিক ফোরাম - চট্টগ্রামের আত্মপ্রকাশ

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এপেক্স ক্লাব অফ গোপালগঞ্জ-এর ৫ম দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এ্যাম্ভুল্যান্সের চালক ডিউটি অবহেলায় রোগীবহন ভোগান্তি স্বীকার

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপি নেতৃত্বে ভারতীয় প্রাসাধনী ও বাসুমতি চাল জব্দ

নবীনগরে ছাত্রের মায়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার

রাজারহাটে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু

জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তারেক মঞ্চের মতবিনিময় সভা, ১২ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করবো : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

কক্সবাজারে ট্রাফিক পুলিশ ও দালালদের চাঁদার রাজত্ব