ঢাকা রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

আলোকিত নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন-এর বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে সিজিএস


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০-১২-২০২৩ রাত ৮:৫

বিজয়কে আমরা পারিবারিকভাবেই ধারণ করতে শিখেছি। সেই ছোট্র বেলায় মায়ের হাত ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুব কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।  সেই  সময় কোন এক শুভক্ষণে জাতির পিতা আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া করেছিলেন। মনে পড়ে জাতির পিতার সেই স্পর্শ আমার মাঝে কি যে এক শিরহণ জাগিয়েছিল। জীবনের এ পর্যায়ে এসেও সেই শিহরণ আমাকে আপ্লুত করে। কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ ( সিজিএস) লে. জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান। আলোকিত নারী উন্ন্য়ন ফাউন্ডেশন, এনভায়রনমেন্ট এন্ড এগ্রো প্রমোশন এসোসিয়েশন ও ফুড সেফটি মুভমেন্টের যৌথ আয়োজনে বিজয় দিবসের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক রেস্টুরেন্টে এ আয়োজন করা হয়। অনেকটা ঘরোয়া আয়োজন হলেও এ অনুষ্ঠানটি গুনে ও মানে ছাপিয়ে গিয়েছিলো আন্তর্জাতিক মাত্রা।  
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এস এম  মুজিবুর রহমান। বিশেস অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফারুক আহমেদ, অর্থমন্ত্রণালযের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, সাংষ্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রÍণালয়ের উপসচিব  আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বাণিজ্য মন্ত্রণালযের উপসচিব মো. আতাউর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার তাহমিনা খাতুন, আন্তর্জাতিক  অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ  এর পুলিশ সুপার নুরুল ইসলাম বিপিএম, এনভায়রনমেন্ট এন্ড এগ্রো প্রমোশন এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও আলোকিত নারী উন্ন্য়ন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রভাষক ফারজানা হাসান।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলোকিত নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মেহেরুন নেছা মেহেরীন। অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত করে রেখেছিলেন সঞ্চালক ও ফুড সেফিটি মুভমেন্ট এর মহাসচিব মো. ইউনূছ আলী। সাথে ছিলেন উপস্থাপিকা  প্রারম্ভিকা ইসলাম কুঞ্জল। 
অনুষ্ঠানের  বিশেষ আকর্ষণ ছিলো  দেশের গান। প্রখ্যাত কন্ঠ শিল্পী ফরিদা পারভিন গানে গানে মুগ্ধ করে রাখেন আগত মেহমানদের। নানা স্মৃতি, আলোচনা, আর বিজয়ের গর্ব কথায় অনেকটা মিলন মেলায় পরিনত হয় অনুষ্ঠানটি। প্রধান অতিথি   বিচারপতি এসএম মুজিবুর রহমান বলেন,  বিজয় আমাদের অহঙ্কার। আর এদেশের সঙ্গীত, আমাদের অহঙ্কার।  মুক্তিযুদ্ধের সময়  অনেক গান মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। আর আমাদের বিজয়কে করেছে শানিত। তিনি বলেন, তিনি নিজে লালনের অন্ধ ভক্ত। তিনি তার সন্তানের নাম রেখেছেন লালন, আর মেয়ের নাম রেখেছেন পড়শি। এটা তিনি করেছেন লালন সঙ্গীতকে ভালবেসে। ফরিদা পারভিনের  উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে উচ্চ মর্যাদা দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।  বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পীরজাদা শহীদুল হারুন বরেন, আমাদের প্রিয় স্বদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ দেশকে পেছনে টেনে রাখতে  বেপরোয়া হয়ে উঠেছে একটি বিশেষ গোষ্ঠি। কিন্তু বিজয়ের চেতনা এ গোষ্ঠিকে বার বার  পরাজিত করেছে। এরা কখনোই বিজয় লাভ করতে পারবে না। 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত সচিব ফারুক হোসেন বলেন, বিজয় আমাদের অহঙ্কারের। এটা নিয়ে কারো ছিনিমিনি খেলা উচিৎ নয়।  আর কেউ করতে চাইলেই এদেশের  মানুষ তা করতে দেবে এমনটা ভাবার  কোন সুযোগও নেই। আমাদের বিজয় আমাদের রক্ষা করতে হবে। একাজ করতে কে কোন অবস্থানে আছে সেটা বড় কথা নয়।  বড় কথা হচ্ছে তিনি দেশটাকে কতটা ভালবাসছেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কতটা গভীরে গ্রথিত। 
ফরিদা পারভিন বলেন, আমি আপ্লুত। এমন সব মানুষ আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত, এটা ভিন্ন মাত্রার একটি আয়োজন। এখানে যারা আছেন তারা সবাই আলোকিত। আর তাদের এক মঞ্চে নিয়ে এসেছে আলোকিত নারী ফাউন্ডেশন। একজন নারী হিসেবে এটা আমার ভাল লাগার আর একটি জায়গা। তিনি এই পদ্মা এই মেঘনা এই যমুনা  সুরমা নদীর তটে এ গান দিয়ে শুরু করেন। আর এর পর একের পর এক অনুরোধে গাইতে থাকেন লালনের সব মন ছুঁয়ে যাওয়া গান।  
অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে  প্রভাষক ফারজানা হাসান বলেন, আমরা ভাল কিছু কাজ করতে চাচ্ছি। আলোকিত নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর আঞ্জাম দেয়ার চেষ্টা করছে। আমরা সবাই এর সাথে আছি। তিনি বলেন, আমাদের এখন আর চাওয়া বা পাওয়ার কিছুই নেই । যা আছে তা হচ্ছে সমাজের জন্য দেশের জন্য ভাল কিছু কাজ করে যাওয়া। তিনি ভাল কাজের সে মিশনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একই সুরে কথা বলেন অনুষ্ঠানের সভাপতি  ও  আলোকিত নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেহেরুন নিছা মেহেরীন। তিনি বলেন, আমরা যাত্রা শুরু করেছি। কিছু ভাল কাজ করার মিশন নিয়ে। এখানে এতসব  প্রতিষ্ঠিত এবং আলোকিত মানুষ, আপনারা সবাই আমাদের ডাকে এসেছেন যা সত্যি আমাকে  উৎসাহিত করেছে। তিনি বলেন আপনাদের এ উপস্থিতি আমাদের কাজে প্রেরণা যোগাবে। বিশেষ করে আমার সাহস হাজার গুন বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, আমার পেছনে যে মানুষটা সব সময় ইনভেস্ট করেন তিনি আমার স্বামী  আশুগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ। ভাল মনের মানুষ। তিনি অর্থ ফেরত চান না। কিন্তু চান আমি যেন  মানুষের জন্য ভাল কিছু কাজের সাথে থাকি।  আমি বিশ্বাস রাখি আপনাদের এ উপস্থিতি তার সেই মানসিকতাকে আরো উদার হতে সাহায্য করবে। 

এমএসএম / এমএসএম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়াউর রহমানের মাজারে ড্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ জিয়ার মাজারে ভ্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন

৭ নভেম্বরের বিপ্লব থেকে ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: এক দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবস উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে সাইফুল আলম নীরবের শ্রদ্ধা নিবেদন

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট: স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ

কারাগারে থেকেও ডেমরায় মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে খিলগাঁওয়ে গ্রেপ্তার হওয়া নাঈম

ডেমরায় থানা কৃষক দল নেতা মমিনকে মধ্যরাতে বাসায় এসে প্রাণনাশের হুমকি

এনবিআরের বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূনর্বহালের দাবি

৬৪ জেলায় তরুণদের জন্য এআই প্রশিক্ষণ উদ্যোগ: দক্ষ জনশক্তি গড়ার নতুন দিগন্ত

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মোহাম্মদপুরে সিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা, ড্যাবের তীব্র নিন্দা

আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

গার্মেন্টস আন্দোলনকারীদের উপর দমন পীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জনিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।