ঢাকা সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শ্রীপুরে কনকনে শীতে বোরো চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক


রাশিদুল ইসলাম, শ্রীপুর photo রাশিদুল ইসলাম, শ্রীপুর
প্রকাশিত: ১৪-১-২০২৪ বিকাল ৫:৬
পৌষের কনকনে শীত উপেক্ষা করেই বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতে প্রতিদিন ভোর ৭টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত চলছে ধানের চারা রোপণ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমিতে রোপণ করা হচ্ছে ধানের চারা। শীতের হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে চলছে কৃষকদের ব্যস্ততা।
 
জানা গেছে, আগাম জাতের ইরি-বোরো ধানের বীজ রোপণের হিড়িক পড়েছে। অন্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে শ্রীপুর উপজেলায় তিনগুণ বেশি জমিতে ইরি বোরো ধান চাষ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। আমন ধানের দাম ভালো না পাওয়ায় ইরি ও বোরো ধানের আবাদে ঝুঁকেছেন কৃষকেরা।
 
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে,শ্রীপুর উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬ 'শত ৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণ করে হচ্ছে। তবে লক্ষ্যমাত্রা এর থেকে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। ইরি-বোরো ধানের মধ্যে হাইব্রিড ও উফসী জাতের ধান বেশি আবাদ হয়। এছাড়াও, ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-২৯, ব্রি-৮১, ব্রি-৭৪, ব্রি-৮৯সহ স্থানীয় জাতের কিছু ধানের চাষও করা হচ্ছে।
 
চলতি মৌসুমে শীতে বীজ তলার তেমন ক্ষতি না হওয়ায় জমিতে চাষাবাদ ঠিক মতো করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি ইরি- বোরো মৌসুমে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানের কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ফসলের ক্ষেতে। শীত উপেক্ষা করে ধানের চারা রোপণ করছেন। ধানের চারা রোপণে স্থানীয় কৃষকেরা দূর-দূরান্ত থেকে শ্রমিক এনেও কাজ করছেন ফসলের ক্ষেতে।
 
উপজেলার আমলসার ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামের কৃষক মো. ইউনুচ আলী জানান, প্রতি বছরই ধানের চাষ করি। এ বছরও করছি। তবে বীজের দাম বেড়েছে। শ্রমিকের মজুরিও বেশি। ফলন ভালো হলে লাভের মুখ দেখা যাবে।
 
কৃষক মো. মালেক মন্ডল বলেন, সব কিছুর দাম বেশি থাকায় ধান চাষে ব্যয় বেশি হচ্ছে। এবার বীজ ভালো পাওয়া গেছে। আশা করি ফলনও ভালো আসবে।
 
উপজেলার বড় উদাস গ্রামের কৃষক সৌরভ শেখ বলেন, রাতদিন পরিশ্রম করে আবাদ করি। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত পরিচর্যাও করতে হয়। তেল-সার ও বীজের দাম বৃদ্ধিতে খরচ ও বেশি হচ্ছে। তারপরও যদি ন্যায্য দাম না পাই তাহলে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাই সরকারের কাছে বোরো আবাদে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রতি বিঘা জমিতে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। তবে বর্গাচাষীদের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘায় ২২-২৫-মণ ধান হবে। দাম ভালো বেশি হলে সকল খরচ বাদ দিয়ে লাভ হবে।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা বলেন, বোরো ধান চাষে কৃষকদের সকল ধরনের পরামর্শ ও সহোযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো ধানের উফসি ও হাইব্রীড জাতের বীজ, সার বিতরণ করছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খুব দ্রুত জমি রোপণের কাজ শেষ হবে। তবে গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে বোরো ধানের আবাদ হবে।

এমএসএম / এমএসএম

চাঁদপুরে পচা ইলিশ বিক্রির দায়ে ২ মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বঙ্গবন্ধুর পর এবার মন্ত্রী এ্যানির ছবি ব্যবহার করে কুয়াকাটায় জমি দখলের অভিযোগ

পটুয়াখালীতে জেলা পর্যায়ে ২ দিনব্যাপি ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমপানি ও পুরস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলন ফাঁসের অভিযোগ

চাঁদপুরে ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ টাকা শিক্ষা অনুদান

জুড়ীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, এমপি বললেন ‘সরকারি নির্দেশনা’, হুইপের ‘না’

হাতিয়ায় সাত দিনের ব্যবধানে ফের ক্লাসরুমে ২১ শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

২৪ ঘন্টা আল্টিমেটামের মধ্যেই পাবনার সেই ডিবি পুলিশের ওসি অবশেষে প্রত্যাহার

ঘিওরে বয়স্ক-বিধবা-প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের মাঝে গাছের চারা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

নগরকান্দায় কাইচাইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

তিন বিচারক প্রত্যাহারের দাবিতে চাঁদপুরে আইনজীবীদের মানববন্ধন

২০ বছরের রাস্তা বন্ধ করতে ইটের প্রাচীর প্রতিবেশীর, ৭ টি পরিবার অবরুদ্ধ

অগ্রণী ব্যাংকের বাগেরহাটের কচুয়ায় ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে ক্যাম্পেইন কর্মসুচী