বাড্ডায় জোড়া অস্ত্র, গুলি উদ্ধার ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার
গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের অনুসারী আমজাদ হোসেন সোহেল ওরফে চাক্কু সোহেল সহ তিনজন, দস্যুতার চেষ্টা কালে চার রাউন্ড গুলি সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক দুটি মামলা হয় একটি দসূ্্যতার চেষ্টা মামলা ও একটি অস্ত্র আইনের মামলা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, রিমান্ডে আনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসা বাদ করেন এবং চাক্কু সোহেলের মোবাইলে একটি অস্ত্রের ছবি দেখতে পান, এই ছবিটিকে কেন্দ্র করে তার তদন্ত রূপনােয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে। ছবিতে দেখা যায় একটি বিদেশি রিবলবার একটি হাতে ধরা অবস্থায় একটি লাল বিছানার চাদরের উপরে। ইতোমধ্যে আসামিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশী পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন, কিন্তু বিছানার চাদরের উপরে থাকা রিভলবারের ছবি তদন্তকারী কর্মকর্তার মাথায় ঘুরতে থাকে, পরবর্তীতে চাক্কু সোহেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জানায় যে, উক্ত রিভলবার পিস্তলটি জনৈক মোহাম্মদ রহিমের নিকট রয়েছে যিনি আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড আবুল বাশার বাদশার একনিষ্ঠ সহযোগী, আবুল বাশার বাদশা বাড্ডা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সেক্রেটারি। রাজনৈতিক পরিচয় এর আড়ালে বাদশা এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অস্ত্রের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, আর এই রহিম হচ্ছে বাদশার অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণকারী, পুলিশ ও নাছোড়বান্দা। সরকারি পুলিশ কমিশনার বাড্ডা জোন, জনাব রাজন কুমার বলেন, বাড্ডায় আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর সন্ত্রাসীদের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে যা যা করা লাগবে পুলিশ তাই করবে, বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন অফিসারদের দিকনির্দেশনায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া সঙ্গীয় এসআই শাহ আলম খলিফা সহ এএসআই মোহাম্মদ রুহুল আমিন সহ প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে, চাক্কু সোহেলের তথ্যের ভিত্তিতে, এবং ছবির অস্ত্রটির বিছানার চাদরের সূত্র ধরে বহু প্রতীক্ষিত বিদেশি রিবোলবার টি চার রাউন্ড গুলি সহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, আন্ডার ওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপ, মেহেদী বা কলিন্স গ্রুপ, বহুল আলোচিত মিল্কি হত্যা মামলার আসামি চঞ্চল গ্রুপ, ডালিম রবিন গ্রুপ সহ আন্ডার ওয়ার্ল্ডের বহু গ্রুপ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, অস্ত্র কেনাবেচা সহ নানান ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে লিপ্ত, জিসান গ্রুপের অনুসারী সহ চারজন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বাড্ডা থানা কতৃক অস্ত্রগুলি সহ ধৃত হওয়ায় জনজীবনে স্বস্তি নেমে এসেছে। একাধিক সূত্রে জানা যায় যে, পূর্বের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এরকম অনেক সন্ত্রাসী প্রকৃতির ব্যক্তিরা পুলিশের ভয়ে বাড্ডা থানা এলাকার ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। চলমান পুলিশ সপ্তাহ এরমধ্যে বাড্ডা থানার এরূপ সাফল্য সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
এমএসএম / এমএসএম
টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ: আব্দুল হাসেমের পাশে দাড়ালেন ডিসি ফরিদা খানম
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা: দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়নের নির্দেশ পূর্ত প্রতিমন্ত্রীর
আইসিটি অধিদপ্তরে ‘অদৃশ্য ক্ষমতার দাপট
রাজধানীর মিরপুরে টেলিগ্রামের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি বিক্রির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
অবশেষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস ট্রেডিং এন্ড কনস্ট্রাকশনের সাথে জাগৃক এর চুক্তি বাতিল
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে তেল নিয়ে তেলেসমাতি ব্যবসা
রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান: মিরপুর ও শেওড়াপাড়ায় নকশা বহির্ভূত ৯ ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
তাপদাহ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান
চাঁদাবাজি ও হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
তারেক রহমানের সমর্থন চায় মেয়র প্রার্থী শামীম আহমদ
উত্তরায় স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে প্রাইভেট হাসপাতাল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা রেঞ্জের আন্তঃব্যাটালিয়ন ফুটবল, ভলিবল ও কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত