ঢাকা শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

নারী দিবসে সব কর্মক্ষেত্রেই নারীরা সততার সাথে কাজ করছে-মমতাজ বেগম


ইমাম হো‌সেন, ঢাকা photo ইমাম হো‌সেন, ঢাকা
প্রকাশিত: ৮-৩-২০২৪ দুপুর ৩:৫১
ঢাকা জেলার সুযোগ্য (শিক্ষা ও আইসিটি) দায়িত্ব কর্মরত মমতাজ বেগম কর্মস্হলে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রশাসনে সুনাম অর্জন করায় জনপ্রশাসন মন্ত্রানালয়ের দৃষ্টগোচার হয় প্রমোশনের তালিকাতে অন্তর্ভূক্ত করার, তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মমতাজ বেগম (শিক্ষা ও আইটি) কে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। শনিবার (১১ নভেম্বর) এ পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে মমতাজ বেগম ছাড়াও প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব ও সমমর্যাদার আরো ২৪০ কর্মকর্তা উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনে থাকা ৯ জন সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন। সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য ছিল বিসিএস ২৯তম ব্যাচ। এছাড়া এর আগের পদোন্নতি বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও উপ-সচিব পদে পদোন্নতির তালিকায় এসেছেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়। 
 ৮ ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে মমতাজ বেগমের গনমাধ্যমের কাছে তার জীবনের উঠে আসার বিষয়ে আলাপচারিতায় জানা যায় যে, তিনার গ্রামের বাড়ী শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব সরকার ও আলেয়া বেগম দম্পতির কন্যা মমতাজ বেগম। পাঁচ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় তিনি। শিক্ষা জীবনে তিনি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাবলিক হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং এমএ রেজা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য প্রতিযোগিতায় টিকে ভর্তি হন দেশ সেরা বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
 
২৯তম বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় কালেক্টরেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ছিলেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার। দায়িত্ব পালন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবেও। বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) হিসেবে কর্মরত আছেন এই নারী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।
 
মমতাজ বেগম সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা, সততা, উদ্ভাবন, ই-ফাইলিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতাসহ শুদ্ধাচার চর্চা বিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ  জেলা পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার পান এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় তিনি জেলা ও ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ ‘জয়িতা’  হিসেবে পুরস্কার পান।
 
৮ মার্চ নারী দিবস উপলক্ষ্যে গনমাধ্যমকে জানায় তার আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনের গল্প। 
 
গনমাধ্যমঃ বর্তমান আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়  অধিষ্ঠিত হয়েছেন নিজ কর্মদক্ষতায়। এ পর্যন্ত আসার পিছনে একজন নারী হিসেবে কতটা কঠিন ছিল? 
 
মমতাজ বেগম : পারিবারিকভাবে আমরা চার বোন, এক ভাই। পরিবার থেকে সব সময় সহযোগিতা পেয়েছি। পরিবার থেকে কখনো মেয়ে হিসেবে বড় হইনি, বড় হয়েছি সন্তান হিসেবে। তবে সমাজে কিছু সমস্যা থাকে, যেটা অন্যরাও উপলব্ধি করে বা সমস্যার সম্মুখীন হন। মেয়ে হিসেবে সেটি আমরাও করেছি।
 
নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। সফলতার সঙ্গে নারীদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য তার যে প্রচেষ্টা সেটা আমাদের কাছে দৃশ্যমান। আমাদের স্পিকার, সংসদ উপনেতা নারী। হুইপ আছেন সেখানেও নারীদের অবস্থান। নারী সচিবও রয়েছেন। সেনা,নৌ,বিমান বাহিনীতেও উচ্চপদে নারীরা আছে।  সম্প্রতি দেখেছেন সমাজসেবা মন্ত্রাণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নারী হয়েছেন। আরও অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নারী রয়েছেন। এক্ষেত্রে আমরা নারীদের একটা উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। আর সমতার কথা কেন বলা হয় আপনারা জানেন, নারীদের সব সময় পিছিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা করা হতো। অবশ্যই মেধার দিক থেকে তারা কখনোই কম ছিল না। 
 
নেতৃত্বের দিক থেকেও নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেটা পরিবার থেকেই কিন্তু নেতৃত্বের গুণাবলীটা রাষ্ট্রের কর্মক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই। সার্ভিসে এসে আমারটুকুই আমি বলব। আমাদের মেল (পুরুষ) যে অফিসার রয়েছেন তারা যে কাজটি পারেন, আমরাও তাদের মতো করে অথবা কখনো কখনো আমরা ভাবি আমি মেয়ে বলে হয়ত কারো মধ্যে সংশয় থাকতে পারে এ কাজটি আমি করতে পারব কি না। সেজন্য আমাদের চেষ্টাটা আরও বেশি থাকে। 
 
লক্ষ্য করবেন, আমরা যারা নারী কর্মকর্তা রয়েছি, নিজেরাই বলতে পারি সমাজও স্বীকৃতি দেবে যে আমাদের অবদান তাদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আমাদের প্রচেষ্টাও তাদের চেয়েও অনেক বেশি থাকে। সেক্ষেত্রে কখনো কখনো তাদেরকেও আমরা ছাপিয়ে যাচ্ছি। আপনারা স্বীকার করবেন কি না জানি না। তবে আমরা সে পর্যায়ে কিন্তু এসেছি। 
 
গনমাধ্যম : নারী দিবস এলেই কেবল নারীর ক্ষমতায়ন, পদায়ন এ বিষয়গুলো চলে আসে। আপনি সরকারিভাবে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তা। আপনার কাছে কি মনে হয়েছে রাষ্ট্র যোগ্যতা-সমঅধিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে?
 
মমতাজ বেগম : একটি জিনিস লক্ষ্য করলে দেখবেন, একটি মহল বেশ কিছুদিন আগে আন্দোলন করেছিল কোটাবিরোধী। সেখানে নারী কোটা থাকবে না এ রকম বিষয়টিও আছে। সেটি কিন্তু এখন আর নেই। মেয়েরা প্রতিযোগিতা করেই তাদের অবস্থান করে নিচ্ছে। যেহেতু রাষ্ট্র সুযোগ দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সুযোগ দিয়েছেন যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেয়ে হবে, এসিল্যান্ড মেয়ে হবে, বিসিএস ক্যাডারে মেয়েরা আসতে পারবে। পুলিশ, আর্মি অফিসার মেয়ে হবে, এমপি মেয়ে হবে। মন্ত্রিত্ব দিলেও মেয়েরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। স্পিকারও সুন্দরভাবে পার্লামেন্ট চালাতে পারেন। কোটা কিন্তু তুলে দেওয়ার পরেও মেয়েদের অবস্থান প্রশংসনীয় এবং নারী কর্মকর্তা হিসেবে আমি বলব, রাষ্ট্র তো অবশ্যই আমাদের সহযোগিতা করে। আমরা সমাজের কাছ থেকেও সহযোগিতা পাচ্ছি। পাশাপাশি পরিবার থেকেও কিন্তু আমরা বড় সহযোগিতা পাচ্ছি। 
 
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে রাষ্ট্র অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী সুযোগ করে দিয়েছেন। এটা আমাদের একটা ইন্সপারেশনের জায়গা। সেদিক থেকে আমরা বলতেই পারি, আমরা সমতা না এখন আমরা মানুষ হিসেবে সমাজে নিজেদের কর্মের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। দেখবেন এখন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে ফিমেল স্টুডেন্টরা এগিয়ে আছে। 
 
গনমাধ্যম :  নারীর কাজের জায়গাটা কতটা সহজ বলে মনে হয়?
মমতাজ বেগম : আমাদের অফিসের প্রত্যেকটা কক্ষে গেলেই দেখবেন সবার জন্য যেমন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে আমার জন্যও একই সুযোগ সুবিধা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে আমার পুরুষ সহকর্মীরা যে কাজগুলো করেন আমরাও সে কাজগুলো করি। আমাদের কঠিন কঠিন কিছু বিষয় থাকে যেমন মোবাইল কোর্ট, সুরতহাল, গার্ড অব অনার দেওয়া বা দাঙ্গা। এগুলোর ক্ষেত্রেও কিন্তু আমরা পিছিয়ে নেই। প্রত্যেকটা কাজেই পুরুষ সহকর্মীরা যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমরাও সেভাবে কাজ করছি। কাজের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ হিসেবে এখন আর কেউ ট্রিট করে না।
 
আমরা যারা কর্মজীবী মা আছি তারা অনেক ক্ষেত্রে সন্তানদের সেভাবে সময় দিতে পারি না। অথবা শিক্ষার যে সময়টায় বাচ্চাদের আমাদের বেশি প্রয়োজন তখন আমাদের কর্মক্ষেত্রে বেশি সময় দিতে হয়। রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান, যারা নীতিনির্ধারণী জায়গায় আছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করব, উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে। 
উন্নত দেশগুলোর আদলে আমাদের দেশেও ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা দরকার। আমাদের স্কুলগুলোতে এমন পরিবেশ আনা দরকার যেখানে বাচ্চারা সারাদিন থাকতে পারে। সেখান থেকেই তারা পাঠ্যক্রম শেষ করে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়বে।  
 
ইদানি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রতি বাচ্চাদের আসক্তি বেড়ে গেছে। ডিভাইস ছাড়া অন্য কিছুতে খেয়াল রাখে না। আমি নীতিনির্ধারকদের কাছে অনুরোধ জানাই, যাতে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন এনে স্কুলগুলোতে সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি করেন যেখানে আমাদের বাচ্চারা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাসহ অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে। তাদের বেড়ে ওঠার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে আমরা আমাদের কর্মক্ষেত্রেও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারব। এই জায়গাটাই আমার কাছে মনে হয় একটু চ্যালেঞ্জিং। 
 
গনমাধ্যম : কর্মপরিবেশ কতটা নারীবান্ধব বলে আপনি মনে করেন?
 
মমতাজ বেগম : দেশ স্বাধীনের পর থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান। এখানে কাজের ক্ষেত্রে সুযোগের সমতা বিরাজমান। আমি মনে করি নারীদের জন্য কর্মপরিবেশ যথার্থ মানানসই। আগে যেখানে শুধু সরকারি চাকরিজীবী নারীরা দুই মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি পেতেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটা ছয় মাস করেছেন। বেসরকারি চাকরিজীবী নারীদের জন্যও একই নীতিমালা রয়েছে। এটা কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার জন্য একটা মাইলফলক। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান নিজেদের তৈরি করে নিতে হয়। কেউ কাউকে সুযোগ করে দেবে না। নিজের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে আমরাও কোনো অংশে কম নই। লক্ষ্য করলে দেখবেন কর্মক্ষেত্রে সততার জায়গায়, স্বচ্ছতার দিক থেকে নারীরা কিন্তু অনেকএগিয়ে।
 
গনমাধ্যম : নারীদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত অভিমত কী?
 
মমতাজ বেগম : আমাদের কর্মের মাধ্যমেই যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। যেহেতু নারীদের জন্য আলাদা কোনো কোটা নেই। আমাদের আচার আচরণ, মেধা কাজে লাগিয়েই অবস্থান করে নিতে হবে। জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের অধিকার ও সুযোগের সমতা রয়েছে। রাষ্ট্র আমাদের অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করেছে। সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারলেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব। কাউকেই কেউ সুযোগ দেবে না। আমাদের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগটুকু কাজে লাগিয়ে কর্মের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
 
এ প্রজন্মের নারীদের প্রতি আমার বক্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্র যেহেতু সুযোগ দিচ্ছে। নিজেদের একটা লক্ষ্য ঠিক করে মেধা ও মনন কাজে লাগিয়ে সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে তার সম্মান বজায় রাখার জন্য নিজেকেই চেষ্টা করতে হবে। আমি বলতে চাই, আমরা যেহেতু মেয়ে হয়ে জন্মেছি আমাদের কিছু কিছু বিষয়ে নিজের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে যাতে আমরা বিপদে না পড়ি। এই বুদ্ধিমত্তা নিয়ে চললে আমি মনে করি কাউকে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। কাজ করার সুযোগ আছে। তবে সাহসী হতে হবে।এ প্রজন্মের নারীদের প্রতি আমার বক্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্র যেহেতু সুযোগ দিচ্ছে। নিজেদের একটা লক্ষ্য ঠিক করে মেধা ও মনন কাজে লাগিয়ে সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে তার সম্মান বজায় রাখার জন্য নিজেকেই চেষ্টা করতে হবে। 

এমএসএম / এমএসএম

সাভার উপজেলার জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের অভিযানে ৩ কিশোর গ্যাং গ্রেফতার

মিয়ানমার জলসীমায় প্রবেশকারি ১৯ ট্রলারসহ ১২২ মাঝিমাল্লাকে আটক করলো কোস্টগার্ড

মানিকগঞ্জে হারুনার রশিদ খান মুন্নু স্মৃতি স্বরণে ফুটবল টুর্নামেন্ট

লাকসামে মামলা তোলার হুমকি ও প্রতারণার অভিযোগে বাদীর সংবাদ সম্মেলন

রাণীনগরে কৃষকের ক্ষতি প্রায় ৩৪কোটি ৩০লাক্ষ৪০হাজার টাকা

শালিখায় বিএনপি'র কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

মিয়ানমার জলসীমায় প্রবেশকারি ১৯ ট্রলারসহ ১২২ মাঝিমাল্লাকে আটক করলো কোস্টগার্ড

বরগুনায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাক প্রতিবন্ধীকে কুপিয়ে জখম

নরসিংদীতে মাদক বিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিল, বিদেশী মদ, গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার

বাকেরগঞ্জের প্রায়ত সাংবাদিক দিনুর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের মানবেতর জীবন

নাগরপুরে খামার ধল্লা ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ ফাইনাল ২০২৫ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে একদিনে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং

দোহাজারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত