তিনজনের সিন্ডিকেট করে সকল কাজ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তা অর্ধ যুগ ধরে গাইবান্ধায়
গাইবান্ধা গণপূর্ত অধিদপ্তরের দুইজন কর্মকর্তাসহ তিন স্টাফের বিরুদ্ধে অর্ধ যুগ ধরে ঘুরেফিরে একই জেলায় কর্মরত থাকার অভিযোগ উঠেছে। একদিকে তাদের প্রভাবের কারণে ঠিকাদাররা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে তারা একটা শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি করে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। অথচ চাকরিবিধি অনুযায়ী একজন সরকারি কর্মকর্তা একই কর্মস্থলে টানা তিন বছরের বেশি থাকার কথা নয়।
ওই তিনজন হলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন ও স্টানো টাইপিস্ট (পিএ) এম এ মাসুদ মিয়া। এরমধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এই উপ-সহকারি প্রকৌশলী ঘুরে ফিরে একই জেলায় ২০ বছর ধরে কর্মরত আছেন।
গাইবান্ধা গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার পূর্ব রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামে কিন্তু তিনি পৌর শহরের ওয়াপদা পাড়ায় নিজের একটি বিলাস বহুল বাড়িতে থাকেন। তিনি গাইবান্ধা জেলায় ২০০৭ সালে গণপূর্ত অফিসে যোগদানের পর দীর্ঘ এক যুগের বেশি কর্মরত থেকে ২০২০ সালের শেষ ঢাকা বঙ্গভবন গণপূর্ত ই/এম উপ-বিভাগে বদলি নিয়ে সেখানে মাত্র ৩ মাস ১৬ দিন দায়িত্ব পালন করেন। পরে তদবির করে পূনরায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে গাইবান্ধা গণপূর্ত বিভাগে যোগদান করেন। সেই থেকে আজ অবধি তিনি গাইবান্ধা গণপূর্ত অফিসে কর্মরত আছেন।
রোকনুজ্জামানের বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরে। তিনি ২০১৪ সালের ৪ আগষ্ট গাইবান্ধা জেলা গণপূর্ত অফিসে যোগদান করে আজ অবধি কর্মরত আছেন। এই অফিসে তিনিও ১০ বছর যাবৎ কর্মরত আছেন।এম এ মাছুদ স্টানো টাইপিস্ট (পিএ) বাড়ি সদর উপজেলার তুলসীঘাটে। তিনিও ২০১৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা জেলা গণপূর্ত অফিসে যোগদান করে আজ অবধি কর্মরত আছেন। এই অফিসে তিনি প্রায় ৯ বছর যাবৎ কর্মরত আছেন।
গাইবান্ধা গণপূর্ত বিভাগের তুষার নামের এক ঠিকাদার জানান, গণপূর্ত অফিসের এই তিনজন স্টাফ একটি সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন থাকার কারণে তারা নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাছাড়া ইলেকট্রিক টেন্ডারের কোন কাজ কোন ঠিকাদারা করতে পারে না। এই তিনজনই সিন্ডিকেট করে কাজ করে থাকে। রোমান নামের আরেক ঠিকাদার জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই প্রতিষ্ঠানে থাকার কারণে গণপূর্ত অফিসের ঠিকাদাররা অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। অচিরে এদের বদলির দাবী জানান এই ঠিকাদার।
গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, যে কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ঘুরে ফিরে একই জায়গায় থাকেন, তার মধ্যে অসৎ উদ্দেশ্য থাকে। এ প্রসঙ্গে গাইবান্ধা গণপূর্ত বিভাগের ওই তিন কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তারা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ার সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সার্বিক বিষয়ে গাইবান্ধা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসান জানান, আমি অল্প কিছুদিন হলেও যোগদান করেছি। অফিসের স্টাফদের বিষয়ে তেমন কিছু জানিনা। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম তিনজন স্টাফ দীর্ঘদিন ধরে এই অফিসে কর্মরত আছে। তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।
এমএসএম / এমএসএম
বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি
সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু
শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড
মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা
কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী
বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার
কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়