সুন্দরগঞ্জে উদ্বোধনের আগেই সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার রামডাকুয়ায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক উদ্বোধনের আগেই ধসে গেছে। মুষলধারে প্রায় দুই ঘন্টার বৃষ্টিতে সেতুর পূর্ব পাশে এ ধস দেখা দিয়েছে। ফলে দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার অন্তত বিশ গ্রামের মানুষ।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে রামডাকুয়া সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে এলজিইডি। এ কাজের দায়িত্ব পায় ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পুরকৌশল প্রযুক্তি লিমিটেড। পিসি গার্ডার সেতুটির দুই পাশের সংযোগ সড়কসহ ৯৬ মিটার লম্বা। সেতুর মূল অংশ ছাড়া পূর্ব পাশে ৫০ মিটার ও পশ্চিম পাশে ৫০ মিটার সংযোগ সড়ক রয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪৪ টাকা। এ বছর এপ্রিলে নির্মাণ কাজ শেষ হয় এ সেতুর।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেলকা, হরিপুর, তারাপুর ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও চিলমারি উপজেলার প্রায় ২০ গ্রাামের লোকজন প্রতিদিন যাতায়াত করে তিস্তার এই শাখা নদী দিয়ে। সেতু না থাকায় কখনো নৌকা, কখনো বাঁশের সাঁকো আবার কখনো কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতেন তারা। কিন্তু তাদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো এখানে একটি সেতু নির্মাণ করার। অবশেষ ২০১৯ সালে শুরু হয়ে গত এপ্রিলে শেষ হয় এর নির্মাণ কাজ। আনুষ্ঠানি উদ্বোধন না হতেই সেতুর পূর্ব পাশের ৫০ মিটার অংশের সংযোগ সড়কে ধস দেখা দিয়েছে।
রামডাকুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আ. সামাদ মিয়া বলেন, গত রোববার বিকালে মুষলধারে বৃষ্টি হয় ঘন্টা দুয়েক। এতেই ব্রিজের সংযোগ সড়কটিতে ধস দেখা দেয়। বর্ষা এখনও শুরু হয়নি। তাতেই ব্রীজের যে অবস্থা। মনে হচ্ছে ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না আমাদের চরবাসীর।
বেলকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজি বলেন, শুরু থেকেই সংশ্লিষ্টরা অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেছেন সেতু নির্মাণে। আমরা এ বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগও করেছিলাম। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। মনগড়া কাজ করেছেন ঠিকাদার ও এলজিইডি অফিসের লোকজন। সে কারণে আজ সেতুর এই অবস্থা।
৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর লাভলু মিয়া বলেন, অনিয়মের কারণে ৩-৪ বার কাজ বন্ধ করে দেয় হয়েছিলো। এ নিয়ে তাদের সাথে একাধিকবার বাকবিতন্ডাও হয়েছে আমাদের। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে প্রকল্পের ঠিকাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি।
সেতু নির্মাণে তদারকীর দায়িত্বে থাকা নকশাকার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মইনুল ইসলাম বলেন, দেখেছি সেতু। বৃষ্টির কারণে এটি হয়েছে। ঠিকাদারের সাথে কথাও হয়েছে আমার। দু-একদিনের মধ্যে এসে মেরামত করে দেবেন তিনি।
উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল মনছুর বলেন, এখানে কাজ করা অনেক জটিল ছিলো। সংযোগ সড়ক থেকে স্লোপ যে পরিমাণ লম্বা থাকার কথা ছিলো সেটা করতে পারিনি আমরা। জমির মালিকরা জায়গা দেয়নি আমাদের। আর সে কারণেই এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
এমএসএম / জামান

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে একদিনে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং

দোহাজারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

শিবচরে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গরু ছিনতাই, আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৩ সদস্য গ্রেফতার

প্রধান উপদেষ্টার রোডম্যাপ সুষ্ঠু নির্বাচন ভণ্ডুল করার নীল নকশা: ডা. তাহের

টাঙ্গাইলে স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির মূলহোতা'সহ ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার

আনোয়ারায় শ্রমিক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে যুবলীগ নেতা শাহ জালাল

কোটালীপাড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত হল কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

কুতুবদিয়ায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ সদস্য গ্রেফতার

রায়গঞ্জে বিপিএলের ধাঁচে ফুটবলার নিলাম, গ্রামে উৎসবের আমেজ

মানিকগঞ্জে শিশুকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

শেরপুরে গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন ৮টি গরু ও ৪টি ছাগল পুড়ে ছাই
