পঞ্চগড়ে কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের মাধ্যমে কৃষকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
পঞ্চগড়ে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা ও সহায়তার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন প্রদর্শনীর, সার বীজ ক্রয়ে অনিয়ম, নীতিমালা অমান্য করে সার ডিলার প্রোপাইটরের নাম পরিবর্তনসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো.কামাল হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে। সুষ্ঠু তদন্ত করে শাস্তি ও পরবর্তীতে কৃষককে যেন নিম্নমানের কোন বীজ দেয়া না হয় দাবী তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, দিনাজপুর টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের আওতায় সরিষা প্রদর্শনীর আন্ত পরিচর্চার জন্য ২হাজার করে টাকা দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়নি একাধিক কৃষককে। কৃষি প্রনোদনার আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষে জনপ্রতি কৃষকের পিছনে বীজ বাবদ বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৭৭৬ টাকা, সারের জন্য ৭৪০ টাকা ও অন্যান্য অনুদানের জন্য ৫ হাজার ৪৮৪ টাকা। কৃষকদের দেয়া হয়েছে ২হাজার ৬শ টাকা দামের ১ কেজি পেঁয়াজের বীজ, টিএসপি ২০ কেজি, ডিএপি ২০ কেজি, একটি বালাইনাশক, পলিথিন,রশিসহ ২ হাজার ৭০০ টাকা। কুচিয়ামোড় এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জানান, পেঁয়াজের কি এমন বীজ দিল, পেঁয়াজ নাই শুধু গাছ। পরে বাজার থেকে বীজ কিনে আবারও রোপন করেছি।
মডেল কৃষি বাড়ি প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে বরাদ্দ ২০ হাজার টাকা থাকলেও শাক সবজির বীজ, কয়েকটি ফলের গাছ, এক বস্তা জৈব সার দিয়ে বাকী টাকা আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ কৃষকের। মালচিং চাষে ২০ হাজার ৮৩৫ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কেউ পেয়েছে ৩৫ কেজি সার কেউ আবার ৭৫ কেজি।সাথে চার প্যাকেট শশা বীজ,ফাঁদ,তাবীজ।কেউ পেয়েছে কেউ পায়নি জিপসাম,বোরন,জিংক। টাকা পেয়েছে কেউ দেড় হাজার আবার কেউ ২হাজার। জৈব কৃষি সবজি উৎপাদনে ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও বেগুন বীজ, কেচো ও জৈব সার ২ বস্তাসহ নগদ ১ হাজার টাকা দিয়ে বাকী টাকা কৃষি অফিসার আত্মসাত করেছে বলে জানান, প্রান্তিক চাষীরা।
সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা অনুযায়ী পরপর দুইবার সার উত্তোলনে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত ডিলারের জামানত বাজেয়াপ্তসহ ডিলারশীপ বাতিল করার বিধান থাকলেও অর্থের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের নাম বাদ দিয়ে তাদের স্ত্রীর নামে প্রোপাইটর করা হয়েছে। তারা হলো- মেসার্স শামীম ট্রেডার্স প্রোপাইটর শেখ শামীম এর পরিবর্তে তার স্ত্রী মোছা. শাহনাজ পারভীন,মেসার্স মামুন ট্রেডার্স প্রোপাইটর শেখ আল মামুন এর পরিবর্তে প্রোপাইটর মোছা.শারমিন আক্তার।গত বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তারা কোন সার উত্তোলন করেননি।সরিষা প্রদর্শনীর কৃষক সাতমেরা এলাকার হাবিবুব রহমান,আতিয়ার রহমান, প্রধান পাড়া এলাকার আখিমুল ইসলাম সার বীজ পেলেও টাকা পাননি তারা।এছাড়াও সরিষা বীজে ভাল ফলনও হয়না দাবী তাদের।
মালচিং চাষী যতনপুকুরি এলাকার নুরে আলম সানাউল্লাহ জানান,পনেরো শত টাকা, সার বীজ,বোরন,জিংক ১ কেজি,ম্যাগনেসিয়াম ৩ কেজি পেয়েছি।
মডেল কৃষি বাড়ি প্রযুক্তি প্রদর্শনীর মাহমুদুল হাসান জানান, শুনেছি ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ। তবে কয়েক প্রকার শাক সবজির বীজ,তিনবস্তা কম্পোজ সার, নেট আর রশি পেয়েছি।তাতেই কি টাকা শেষ।
একই প্রদর্শনীর খংগাপাড়া এলাকার লায়লা আক্তার বলেন,কত বরাদ্দ জানিনা তবে শাক সবজি বীজ,তিনটি গাছ আর জৈব সার পেয়েছি এক বস্তা।সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃকামাল হোসেন সরকার জানান, বরাদ্দ যা ছিল তাই দেওয়া হয়েছে।কৃষক টাকা না পাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। পেঁয়াজের বীজের বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৭৭৬ টাকা আপনারা দিলেন ২হাজার ৬শ টাকা মুল্যের।এমন প্রশ্ন করা হলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।
কৃষি অধিদপ্তর পঞ্চগড়ের উপপরিচালক আব্দুল মতিন জানান, অভিযোগের বিষয় গুলো আমি দেখবো, তবে বরাদ্দের চেয়ে কম মুল্যে পেঁয়াজের বীজ ক্রয় করা হলে,অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
এমএসএম / এমএসএম
নবনিযুক্ত গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেনকে সাংস্কৃতিক জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা
বারহাট্টায় নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডাঃ আনোয়ারুল হকের মত বিনিময়
মনপুরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই ভাইয়ের পাশে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জিয়াউর রহমান
গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন
নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
আগামীকাল থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ তম আবির্ভাব-বর্ষ-স্মরণ মহোৎসব শুরু
অনলাইন জুয়ার কালো জালে নবীগঞ্জ: শূন্য থেকে কোটিপতি ‘ক্যাসিনো মামুন’ ও ‘আকাশ’-এর উত্থানে বিপর্যস্ত যুবসমাজ
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
গাঁজাসেবনের দায়ে অভয়নগরে চারজনের জেল-জরিমানা
নওগাঁয় পলিনেট হাউজে সবজির চারা উৎপাদন করে লাভবান লিটন
রৌমারীতে ৪৫ টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
গোদাগাড়ীতে পেঁয়াজের বীজ চাষে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা