ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

তীব্র দাবদাহে হিটশকের ঝুঁকিতে বোরো; কৃষকের চোঁখে দুশ্চিন্তার ভাঁজ


জসিম উদ্দিন, খানসামা photo জসিম উদ্দিন, খানসামা
প্রকাশিত: ৫-৫-২০২৪ দুপুর ৪:৫৩

আবহাওয়া পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে কৃষিখাত। খরা, বন্যা, ঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এ বছর চৈত্রের মাঝামাঝি থেকে দেশে তাপদাহ শুরু হয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে শুরু হয়েছে খরার প্রভাব। এই প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলাও। সপ্তাহ দুয়েক থেকে হঠাৎ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় হিটশকে মাঠের বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন উপজেলার কৃষকরা।

রোববার (৫ মে) উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ধান ক্ষেত। আকাশ ফেটে যেন ঝরছে আগুন। তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। এই তপ্তরোদে নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সে কারণে সেচ পাম্পের মালিক ক্ষেতে পানিও দিতে পারছেন না। সেচের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে ধানক্ষেত।

আর এই হিটশক হলে ধানের ফুল পুড়ে দানা চিটা হয়ে যায়। মূলত ধানের ফুল ফোটার সময়ই এ ধরনের ক্ষতি হয়। এছাড়াও বিগত কয়েক মাস থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। এতে অনেক এলাকায় বোরো জমিতে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সেচের অভাবে জমিতে বোরো ধানের ফলন নিয়ে কৃষকরা রয়েছেন চিন্তিত। এমন অবস্থা যদি আরও সপ্তাহখানেক থাকে তাহলে বোরো ধানের মারাত্মক ক্ষতি হবে বলে জানায় উপজেলার একাধিক বোরো চাষী। তবে কৃষি বিভাগ বলছে হিটশক এর বিষয়ে সার্বিক পরামর্শ দিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা।

এই বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার বলেন, বর্তমানে তাপমাত্রা অনেক বেশি।৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকলে জমিতে ২-৩ ইঞ্চি পানিতে রাখতে হয়। তাহলে ধানে হিটশকের ঝুঁকি থাকে না। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর উপজেলায় ৩ হাজার ৫০৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ৬৯০ হেক্টর ও উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ২৮১৬ হেক্টর। যা অর্জন হয়েছে ৩ হাজার। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ৫৫০ হেক্টর ও উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ২৯৫০ হেক্টর অর্জন হয়েছে।উপজেলার ছাতিয়ান গড় গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আব্দুল মতিন বলেন, এ বছর শুরুতেই বোরো আবাদের জন্য আবহাওয়া অনেকটা অনুকূলে ছিল। যে কারণে কোনো ঝুট ঝামেলা না থাকলে বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শেষ সময়ে এসে এই তাপমাত্রা আমাদের চিন্তায় ফেলেছে। হিটশকে বোরো ধানের ক্ষতি হলে আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।

রামকলা এলাকার বোরো চাষি দীনেশ চন্দ্র জানান, বোরো ধান লাগাতে দিন-রাত পরিশ্রম করেছি। বোরো আবাদে খরচও বেশি হয়। এছাড়া এই তাপে আরো বেশি যন্ত্রণায় আছি। বিদ্যুৎ এর অবস্থা তো আরো নাজুক। বোরো ধান লাগানোর পর থেকে তিন-চার দিন পরপর সেচ দিতেও কুল পাচ্ছি না। লাভের আশায় বোরো আবাদ করেছি মনে হচ্ছে লোকসানে পড়ব।

এমএসএম / এমএসএম

মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল থেকে লোহার গ্রিল চুরি

কালকিনিতে বাস চাঁপায় প্রান গেল প্রবাসীর

আদমদীঘিতে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার

চাঁদপুর জেলায় ৩লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে

পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডে করণীয় শেখাতে পিস স্কুলের ব্যতিক্রমী মহড়া

সুবর্ণচরে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ বিতরণ উদ্বোধন

নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলে পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ

অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ

দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সুবর্ণচরে জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, আহত-২

বগুড়ায় নারীর সাথে আপত্তিকর ছবি তুলে অটোচালকের টাকা ছিনতাই

উলিপুরে দ্রুত বাইপাস সড়কের নির্মান কাজ শুরুর দাবীতে মানববন্ধন