সীতাকুণ্ডে ট্রাইকো কম্পোস্ট সারে সায়রা আমিনের সাফল্য
চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে ট্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদন ও ব্যবহারে কৃষকদের মধ্যে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। এ প্রযুক্তিতে উৎপাদিত সারে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকেরা। ট্রাইকো কম্পোস্ট সার ব্যবহারে মাটির গঠন ও বুনট উন্নত করে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ায়, পানির অপচয় রোধ করে। এ সার মাটির অম্লত্ব ও লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে ফসলের উৎপাদন ও গুণগত মান বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ইট দিয়ে চতুর্ভুজ আকারে বানানো হাউসে ট্রাইকো কম্পোস্ট তৈরি করতে হয়। এতে গোবর ২৮ শতাংশ, মুরগির বিষ্ঠা ৩৬ শতাংশ, সবজির উচ্ছিষ্ট ৫ শতাংশ, কচুরিপানা ২৫ শতাংশ, কাঠের গুঁড়া ৩ শতাংশ, নিমপাতা ১ শতাংশ ও চিটাগুড় ২ শতাংশ—এই অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এক টন মিশ্রণ পচাতে ৫০০ মিলি ট্রাইকো ড্রামা অণুজীব মেশাতে হয়। এতে ৪৫ দিনের মধ্যে জৈব পদার্থ পচে ট্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদিত হয়।
উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাকখালী মধ্যেরধারী এলাকায় বাণিজ্যিক ভাবে জৈব ট্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদন করছেন প্রবাসী আব্দুর রহমানের স্ত্রী সায়রা আমিন। সরেজমিন দেখা যায়, বানিজ্যিক ভাবে ২০ ফুট প্রস্থ ও ২৫ ফুট দৈর্ঘের ইট দিয়ে বানানো হাউজে ড্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদনের এই প্রকল্প।প্রাথমিক ভাবে সাড়ে তিনটন সার উৎপাদন করে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেন কেজি প্রতি ২২ টাকা দরে । যার উৎপাদন খরচ ৫০ হাজার টাকা। প্রথম বারে লাভের মুখ দেখে খুশি সায়লা আমিন। নিজে একা শুরু করলেও বর্তমানে তাঁর অধীনে কর্মসংস্থান হয়েছে তিন জনের। আরো বাড়াতে চান এর পরিধি। করতে চান আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যবস্থা এতে খরচ যেমন কমবে বাড়বে উৎপাদন।
নারী উদ্যাক্তা সায়রা আমিন বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুপ্রেরনায় শুরু করেছি ট্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদন প্রকল্প। নারী হয়েও শত প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে শুরু করেছি । বর্তমানে উৎপাদিত সার ছাদ বাগানসহ বিভিন্ন কৃষি কাজে ব্যবহার হচ্ছে এসব সার । বেশিরভা ক্রেতা অর্ডার করেন অনলাইনে। নিজের হাতে গড়া প্রকল্প ঘুরে দেখাতে গিয়ে বলেন,ট্রাইকো কম্পোস্ট সার উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি কাঁচামাল হিসাবে প্রয়োজন গোবর। যা সংগ্রহ করা কঠিন। এর চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন নিজেস্ব গরুর খামার ব্যবস্থা। সরকারি-বেসরকারি সহায়তা পেলে গড়তে চান গরুর খামার। এতে করে বড় পরিসরে করতে পারবেন এই প্রকল্প। এতে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পৌছাবে অন্য জেলাতেও। এমনটা আশা করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: হাবিব উল্ল্যাহ সকালের সময় কে বলেন, আমাদের মাঠিতে যে পরিমান জৈব পদার্থ থাকা প্রয়োজন তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ মাঠিতে আছে। জৈব পদার্থের পরিমান বাড়ালে গাছ ঠিক মতো খাদ্য গ্রহণ করতে পারবে , ফলন ভালো হয় ও গাছ সুস্থ থাকে। সে কারনে আমরা কৃষকদের জৈব সার উৎপাদন শিখিয়ে থাকি।
ট্রাইকো কম্পোস্ট একটি উন্নতমানের জৈব সার। এটি ব্যবহারে জৈব পদার্থ দ্রত জৈব সারে পরিনত হয়। এই ধরনের কার্যক্রম আমরা কৃষি উদ্যাক্তাদের শিখিয়ে যাচ্ছি। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাহেরা আমিন । সে নারী হয়েও নিজেকে কৃষি উদ্যাক্তা হিসাবে গড়ে তুলার জন্য চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাকে সার্বিক পরামর্শ প্রদান করছি এবং আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে সে নিজেকে সফল নারী উদ্যাক্তা হিসাবে আত্বপ্রকাশ করবে এই কামনা করছি।
এমএসএম / এমএসএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম হেরোইন সহ একই পরিবারের ৪ জন আটক
ভোলার সমাজসেবা অফিসে ওপেন সিক্রেট: চাহিদা মতো বকশিস না দিলে ফাইলবন্দি এতিমখানার অনুদান
আদমদীঘিতে মদ ও গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা
ত্রিশালে আড়াইফুট উচ্চতার শফিকুলকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সামগ্রী দিলেন ইউএনও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুকুর-খাল-জলাশয় রক্ষায় ঢেউ'র ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে কর্মসূচি
উত্তাল সমুদ্রে বিচ্ছিন্ন হাতিয়ায় বন্ধ নৌ চলাচল
১৭ বছরে পুলিশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করা হয়েছে,এসপি শামীমা পারভীন
মনপুরায় অন্ধ বাবার পরিবার এখনো ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে, নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ৮ হাজার টাকা
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার
বোয়ালমারীতে বহিস্কৃত বি এন পি নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগ
গুরুদাসপুরে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে হিন্দু যুবকের ফেসবুক পোস্ট, গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
মাদারীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান