ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

মাগুরায় সাবেক দুই এমপি সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা


মাগুরা প্রতিনিধি photo মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫-৮-২০২৪ রাত ৯:৯

মাগুরায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে গুলিতে ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রাব্বি (৩৪) নিহত হওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুজ্জামান শিখর, বীরেন শিকদার সহ ১৩ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাতে মাগুরা সদর থানায় মামলাটি করেন নিহত মেহেদীর ভাই ইউনুস আলী।

নিহত মেহেদী হাসান জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মাগুরা পৌরসভার বরুণাতৈল গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে।

মামলায় মাগুরা-১ আসনের সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখর ও মাগুরা-২ আসনের এমপি সদস্য বীরেন শিকদারে বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতাকে হত্যার হুকুম ও মদদ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। হত্যা মামলার অন্য আসামিরা হলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি রুহুল আমীন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম, যুবলীগের কর্মী পারনান্দুয়ালী গ্রামের বাসিন্দা রথী মোল্লা, বরুনাতৈল গ্রামের আজিম, যুবলীগ নেতা মীর রাশেদুল ইসলাম সুমন, পারনান্দুয়ালী গ্রামের হেদায়েত কোরাইশ, বরুনাতৈল গ্রামের আজিজুল, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শিশির অধিকারী, বরুনাতৈল গ্রামের রাকিব ও পারলা গ্রামের তৌহিদ মোল্যা।

এজাহারে বাদী ইউনুস আলী উল্লেখ করেন, তাঁর ভাই জেলা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রাব্বি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। মাগুরার সাবেক দুই এমপির হুকুম ও মদদে ৪ আগস্ট সকালে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হুমকি দিয়ে আসেন। পরে মেহেদী হাসানসহ অন্যরা মিছিল নিয়ে ঢাকা রোড এলাকার যেতে চাইলে আসামিরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। প্রথমে রাস্তায় ফেলে আসামিরা মেহেদী হাসানকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। একই সময় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম তাঁর হাতে থাকা রিভলবার দিয়ে মেহেদী হাসানের বাঁ পাঁজরে আঘাত করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, একই দিনে মাগুরা-ঢাকা মহাসড়কের পারনান্দুয়ালী ব্যাপারীপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পাশে ঢাকা রোড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেন পুলিশের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান। তাঁকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। পরে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

হাসপাতালের পরিচালক মহসিন উদ্দিন  বলেন, ওই দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আহত অবস্থায় ২৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহেদী হাসান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন মারা যান। মেহেদীর বুকে ও ফরহাদ হোসেনের মাথায় গুলির আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। দুজনই একই এলাকায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।

এমএসএম / এমএসএম

ধামইরহাটে ১০ মামলার ওয়ারেন্টের আসামী গ্রেফতার

জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন: মাশুক

কমলগঞ্জে শিক্ষার্থী মীমের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

নাচোল-আমনুরা সড়কে ভুটভুটি দুর্ঘটনা: চালক নিহত

মাগুরা জেলা কারাগারে গাঁজাসহ দর্শনার্থী আটক, ৪ মাসের কারাদণ্ড

পাঁচবিবিতে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করায় রাস্তায় জলাবদ্ধতা, চলাচলে জনদূর্ভোগ

সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ: দস্যু আতঙ্ক নিয়েই সাগরে নামছেন শরণখোলার জেলেরা

মাগুরা জেলা কারাগারে গাঁজাসহ দর্শনার্থী আটক, মোবাইল কোর্টে ৪ মাসের কারাদণ্ড

বালাগঞ্জ সরকারি কলেজে উজ্জীবন প্রকাশনা উৎসব

মুরাদনগরে গ্রাম আদালতগুলো সক্রিয় করতে সমন্বিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নড়াইলে সিন্ডিকেট ছাড়াই খাদ্য গুদামে সরাসরি ধান বিক্রি করতে পারছেন কৃষকরা

গোদাগাড়ীতে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ১

নগরকান্দার তালমায় খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক