হার্টে ব্লক ও ভাল্বের সমস্যা, বাঁচতে চায় রায়গঞ্জের তরুণ জিহাদ
বাঁচতে চায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের বিশ বছরের তরুণ জিহাদ। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটির হার্ট ব্লক ও ভাল্বের সমস্যা থাকায় দ্রুত অপারেশন না করলে যেকোনো সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারে এই কিশোর।
অপারেশন করাতে খরচ হতে পারে প্রায় ৩ লাখ টাকা। দরিদ্র বাবার পক্ষে এতো টাকা জোগাড় করাও সম্ভব নয়। তাই সন্তানকে বাঁচাতে সরকার ও বিত্তবানদের সাহায্য কামনা করেছেন অন্যের দোকানে কাজ করা বাবা মো. জিন্নাহ। এ বিষয়ে পিতা জিন্নাহ বলেন, ‘আমি টাকার জন্য আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারব না। সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে হয়তো বাঁচবে আমার ছেলের জীবন।’
জিহাদ (২০)। রায়গঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মহেশপুর মহল্লার মো. জিন্নাহ'র ছেলে। বাবা অন্যের দোকানে কর্মচারীর কাজ করেন। দুই সন্তানসহ ৫ সদস্যের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় জিহাদের পিতাকে।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় মাত্র ২০ বছর বয়সেই গাড়ির হেলপারের কাজ করতো জিহাদ। আর এই অল্প বয়সেই জীবন যুদ্ধে গুরুতর হার্টের সমস্যায় অচল প্রায় তার জীবন। প্রায় তিন মাস ধরে বিভিন্ন ধরণের শারিরীক সমস্যার কারণে ছেড়ে দিতে হয় গাড়ির হেল্পারি পেশা। সম্প্রতি সময়ে ডাক্তার দেখিয়ে জানতে পারেন হার্টে ব্লক ও ভাল্বের সমস্যা দেখা দিয়েছে জিহাদের। দ্রুত সময়ে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে হার্টে পেসমেকার স্থাপনের নির্দেশও দিয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
জিহাদ বলেন, আমার এ কষ্ট সহ্য করার মতো নয়। আমি অসুস্থ থাকতে চাই না। আমি বাঁচতে চাই। আমি সুস্থ হয়ে কাজে ফিরে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার প্রতি দয়া করুন। আমাকে বাঁচতে সহযোগীতা করুন।
জিহাদের মা জানান, আমার ছেলে হার্ট ব্লক ও ভাল্বের সমস্যা নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। নিজেদের যা ছিলো তা দিয়েই ছেলের চিকিৎসাতে খরচ করেছি। আমার স্বামী অন্যের দোকানে কর্মচারীর কাজ করে যে টাকা পায় তা দিয়ে এখন আর চিকিসার ব্যয়ভার বহন করতে পারছি না। চিকিসার জন্য অনেক টাকা লাগে। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার এ ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। সন্তানকে বাঁচানোর জন্য ধারদেনা করে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, অসুস্থ জিহাদ খুব হাস্যজ্জ্বল ছিল। টাকার অভাবে চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তার স্বপ্নও থমকে গেছে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩ লাখ টাকা। কিন্তু তার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। তার অসুস্থ্যতা পুরো পরিবারকে দুঃখের সাগরে ফেলে দিয়েছে। আমরা স্থানীয়ভাবে সহযোগীতার চেষ্টা করেছি। তার চিকিৎসায় সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে বিশেষ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে তার চিকিৎসা করাতে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থ। তাই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে ফুটফুটে সন্তান তার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে।
T.A.S / T.A.S
মাদারীপুরে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে অচলাবস্থা নিরসনে মতবিনিময় সভা
রূপগঞ্জে বেড়াতে এসে অপহরণের শিকার কলেজ শিক্ষার্থী
রাজারহাটে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা
"বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু হলে কমবে দূরত্ব, গতি পাবে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও বাণিজ্য"
কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
গোপালগঞ্জে দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ভূঞাপুরে ডাকাতির চেষ্টা নস্যাৎ: দেশীয় অস্ত্র ও নৌকাসহ ৫ ডাকাতকে পুলিশে দিল জনতা
একটি মহল দেশকে অশান্ত করতে চায়, সতর্ক থাকার আহ্বানঃ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল
আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন
নিউজ প্রকাশের পরেও বহাল তবিয়তে নওগাঁর ভূমি কর্মকর্তা জিয়া
নানার বাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের ১২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান