ফজলে করিমের নির্দেশে জাফর চেয়ারম্যানকে অপহরণ করেছিলেন জিয়াউল
চট্টগ্রামের রাউজনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিমের নির্দেশে আবু জাফর চেয়ারম্যানকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠেছে। লন্ডন ভিত্তিক একটি অনলাইন টিভি চ্যানেলের টক শো সূত্রে রহস্য উন্মোচন হতে চলছে দাবি করা হয়েছে। সেই টক শো’তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান দাবী করেন— র্যাবের ইন্টেলিজেন্ট উইংয়ের প্রধান থাকাকালে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান তার অধীনস্ত হাসিনুরকে আদেশ করেন চেয়ারম্যান জাফরকে তুলে নিয়ে হত্যা করার। হাসিনুর সেই আদেশ অমান্য করায় তাকে র্যাব থেকে বদলি করে দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটি দাবী করেন সৈয়দ আবু জাফরের ছেলে জিসানুর রহমান। এসময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জিসানুর বলেন—২০১০ সালে ২৭ মার্চ তার ছোট ভাই এবং চাচা সালাহ উদ্দীনকে (আব্বুর খালাতো ভাই) নিয়ে উনার বাসায় যাচ্ছিলাম। নগরীর খুলশীস্থ ভূঁইয়া গলির মুখ থেকে আমাদের সামনেই একটি কালো রঙের মাইক্রো বাস আমার আব্বুকে তুলে নিয়ে যায়। বিষয়টি ঘরে ফিরে আম্মুসহ সবাইকে বললে সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
এই ঘটনায় খুলশী থানায় জিডি করতে গেলে আসামিদের নাম শুনে থানা তা গ্রহণ করেনি। সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর দপ্তরে গিয়েও আমরা সুরাহা পাইনি। তবে গত ২২ আগস্ট ২০২২ লণ্ডনভিত্তিক Online 1A News চ্যানেলের টকশোতে সঞ্চালক কাজী হেমায়েত উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল হাসিনুর রহমান আমার আব্বার অপহরণের বিয়টি নিশ্চিত করেন—যুক্ত করেন জিসনুর।
টক শোর বরাতে জিসানুর বলেন—কাজী হেমায়েত যখন হাসিনুরকে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করেন তার উত্তরে তিনি বলেন, ‘দেখুন জিয়াউল আহসানের দূর্বলতা হল ৮ সালের শেষে রাউজানের একজন এম.পি তার একজন বিশ্বাসভঙ্গের চেয়ারম্যানকে আমাকে গ্রেফতার করে ক্রস ফায়ার করতে বলে। সে এম.পির আমি কথা শুনিনি। সে চেয়ারম্যান বলে আমাকে এই এম.পি একটা এল.এম.জি ১২টা একে ৪৭ হস্তান্তর করছে। আপনি যেসব হত্যাকান্ডের অভিযোগ দিচ্ছেন তার ৩ গুন আমি হত্যা করছি। আমি দেখলাম অস্ত্র হল মূল জিনিস সন্ত্রাসীর, ব্যাক্তি কোন সমস্যা না। যেহেতু চেয়ারম্যানের নামে মামলা আছে আমি আদালতে দিয়ে দেই। এই এম.পি আমার উপর চরম ভাবে ক্ষেপে যায় এবং জিয়াউল আহসানকে দিয়া ঐ চেয়ারম্যান জাফরকে হত্যা করে। জিয়াউল আহসান গর্বের সহিত কোন এক ফোরামে বলে ফেলে। তার সদস্যের একজন আমার বন্ধু ছিল মিয়ামি হোটেল কুমিল্লায় খাওয়া দাওয়া করছে এবং তাকে সে হত্যা করে এটা অন্য গোয়েন্দা সংস্থা জানে।’
এই টক শোর পর ফজলে করিম লোক পাঠিয়ে চেয়ারম্যান জাফরের স্ত্রীকে দিয়ে টক শোর কলাকুশিলবদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করান। ২০১০ সালের ২৭ মার্চ মার্চ থেকে পরিবারের সদস্যরা সৈয়দ আবু জাফরের প্রতীক্ষায় আছেন। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তার সন্তান জিসানুর রহমান।
T.A.S / T.A.S
অজপাড়াগাঁ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ করার সুযোগ পেলেন হারুয়ালছড়ির এইচ. এম. সাইফুদ্দীন
ফটিকছড়িতে হালদায় বিশেষ অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম বিনষ্ট ও বালু অপসারণ
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলে নিহত
নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৩৭, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক ও সোয়া কোটি টাকার চোরাই মাল
দুর্গাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান তৃণমূল ভোটারদের অন্যতম আকর্ষণ
মাকে মারধর: পটিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের ৬০ দিনের কারাদণ্ড
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা কর্তৃক এস্কাফ সিরাপসহ ০১ (এক) জন আসামী গ্রেফতার
যশোরে কাকন হত্যা মামলার আসামি ৫ বছর পর সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
লাখো মানুষের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শুরু
আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে সীমান্ত, আসামিদের সঙ্গে মিলেছে বর্ণনা
মধুখালীতে ভুষণা - লক্ষণদিয়া বাজারে যুবদলের আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন