যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর তান্ডবলীলা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর তান্ডবলীলা।
প্রশাসনের ব্যর্থতার কারনে নদীর পাড় কাটা বন্ধ করতে এক চাদাঁবাজকে গণধোলাই দিল পাবলিক।
জানা যায় যাদুকাটা নদীর বালু খেকো ড্রেজার মাষ্টার বুরহান বাহিনীর প্রধান কেডার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাতেরটেক এলাকার বাসিন্দা রহমত আলীর ছেলে তাহিরপুর থানার একাধিক বিভিন্ন মামলার আসামি টেবলেট কালা( ইয়াবা কালা)। তিনি যাদুকাটা অধৈত্ব্য মন্দিরের জায়গায় অবৈধ সেবমেশিন ও মিনি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পণাঁতিত্ব্যের পাশে ডালার পাড়ে এলাকায় চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলন করতে পাড় কাটতে গিয়ে গণধোলাইয়ে শিকার হয়ে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও জানা যায় বুরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে ইজারা বিহীন যাদু কাটা নদীর ডালার পাড়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের জায়গা ও গ্রামবাসী চলাচলের রাস্তার পাশে, পাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রতি নিয়ত লাখ লাখ টাকার বালু। যার ফলে সরকারের ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের একমাত্র বিন্নাকুলি, আনন্দ বাজার,লাউরেঘর বাজারের যাতায়াতের রাস্থাটি। শুধু তাই নয় ঐতিহ্যবাহী একমাত্র অধৈত্ব্য মন্দিরের আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ণ প্রকল্পের বিল্ডিংগুলি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাস্তা ও মন্দির রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পেপার পত্রিকাসহ টেলিভিশনে একাধিক ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা এমনটাই জানান স্থানীয়রা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিরীহ দিন মজুর বারকি শ্রমিকদের ধরে জেল জরিমানা করা হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে বরাবরের মতোই থেকে যাচ্ছে বোরহান বাহিনী ও তার লোকেরা। প্রশাসন কেন বালু খেঁকো ও যাদুকাটা নদীর চিহ্নত চাদাঁবাজ পরিবেশসহ প্রায় ১ ডজন মামলার আসামি বোরহান উদ্দিন ও তার কেডারদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারছেন না সেটাই এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে? তবে কি প্রশাসনের যোগ সাজসে চলছে বোরহান বাহিনীর বালু লুঠন? এমনটি ধারণা সাধারণ মানুষের মনে? এ ব্যপারে জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুনজিত কুমার চন্দের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন অবৈধভাবে ইজারা বহির্ভূত এলাকা থেকে যাতে কেউ বালু উত্তোলন করতে নাপারে সেই জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন বলে তিনি জানান।এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মোহাম্মদ জাকির হোসেন (পিপিএম) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে বালু খেকোঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা চলমান রয়েছে নতুন করে কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
মুকসুদপুরে পিঁয়াজ ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ: দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা
নেত্রকোণার গৌরব ও চমক ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
জমি-জমা নিয়ে সালিশী জন্য আমি থানায় বসিনি- ওসি রাণীশংকৈল
চাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুই জনের যাবজ্জীবন
শিবচরে কৃষি ব্যাংকের বাজিতপুর শাখা নতুন ভবনে স্থানান্তর
চিলমারীতে পবিত্র মাহে রমজান ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
কমলগঞ্জে বিষপানে এক সন্তানের জননীর মৃত্যু
যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর তান্ডবলীলা
২ মন্ত্রী পেল কুমিল্লা দক্ষিণে
নেত্রকোণার পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার একজন নিরহংকার ও মানবিক মনের মানুষ
চোখের চিকিৎসা পেলেন প্রতিবন্ধীসহ ১৭০ জন রোগী
ঝিনাইদহের ইতিহাসে এক অনন্য প্রাপ্তি: আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যাড. আসাদুজ্জামান