এস আলমকে কিছুতেই ছাড় দেয়া হবেনা: আবু সুফিয়ান
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, এস আলম পরিকল্পিতভাবে ব্যাংক লুট করে দেশের জনগণের টাকা পাচার করেছে। এদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে তারা যে ভূমিকা রেখেছে তা ক্ষমার যোগ্য নয়। তাদের আইনের আওতায় আনার বিকল্প নেই। বিএনপি সরকার গঠন করলে তাদের আরো যেসকল অপকর্ম আছে সকল কিছুর বিচার করা হবে।
শনিবার (৩১ আগষ্ট) দুপুরে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে নগরের দোস্ত বিল্ডিংয়ের দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এখন যে বিষয়টি আপনাদের জানাতে চাই তা হলো, গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় বিশেষ করে ডিবিসি নিউজ টিভি আমাদেরকে এবং এস আলম গ্রুপকে নিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সম্পূর্ণরূপে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত সংবাদ প্রচার করেছে। যা দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। আমরা মনে করি, এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টির পরিচালক ও চাক্তাই চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক জীবনে কোন ধরনের অন্যায় এবং অবৈধ কাজে কখনোই জড়িত ছিলেন না। কিন্তু একটি বিষয়কে সঠিকভাবে যাচাই না করে বিভিন্ন মিডিয়া উদ্দেশ্যমূলক এই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা মনে করি, আমাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্ত এবং সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন প্রচার করেছে।
গত শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে যে, গত বৃহস্পতিবার ২৯ আগষ্ট রাতে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন মইজ্জারটেক এলাকায় এস আলম গ্রুপের ওয়্যার হাউজে গিয়ে এনামুল হক এনামের নেতৃত্বে এস আলম গ্রুপের বেশকিছু গাড়ী বাহির করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হলো, গত ২৯ আগষ্ট চট্টগ্রামের কালুরঘাট বিসিক শিল্প এলাকায় অবস্থিত মীর গ্রপের পক্ষ থেকে তাদের প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে কে বা কারা প্রথমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং পরবর্তীতে বিএনপি’র নাম দিয়ে টাকা চাঁদা দাবি করছে বলে এনামুল হক এনামকে অবহিত করেন। যদি চাঁদা না দেয়, তাহলে মীর গ্রুপের প্রতিষ্ঠান গুলোতে হামলা চালাবে বলেও হুমকি দেয়। তাই মীর গ্রুপের পক্ষ সহযোগিতা কামনা করেন। বিএনপি’র নাম দিয়ে ফোন করার ঘটনা অবহিত হওয়ার পর এনামুল হক দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানকে ঘটনার কথা জানান। পরে কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় অবস্থিত মীর গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এবং চাঁদাবাজদের হুমকির ব্যাপারে সত্যতা নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য যে বিএনপি নামধারী চাঁদাবাজরা সেইদিন দুপুর ১টা থেকে ৩টা এবং পরবর্তীতে বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে চাঁদা দিতে হবে বলে ০১৯৭৪৩৪৫৩২৪ নাম্বার মোবাইল ফোন থেকে বারবার হুমকি দিতে থাকে। বিএনপি’র দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে বিএনপির নাম ব্যবহার করা চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতেই আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে ৩০ মিনিট মত অবস্থান করে মীর গ্রুপের কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করি এবং বিএনপি নাম দিয়ে কেউ যদি কোন ধরনের চাঁদা দাবি করে, তাহলে তাদেরকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়ে আমরা চলে আসি। মূল ঘটনা হলো এটা। অথচ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ডিবিসি নিউজ টিভি প্রচার করেছেন আমরা নাকি কর্ণফুলী শাহ আমানত সেঁতু সংলগ্ন মইজ্জার টেক এলাকায় অবস্থিত এস আলম গ্রুপের ওয়্যার হাউজে গিয়েছিলাম। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছাড়া আর কিছু নয়।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম সহ জেলার নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সম্পুরক প্রশ্নের উত্তর দেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম হোসাইনী, এস এম মামুন মিয়া, লায়ন নাজমুল মোস্তফা আমিন, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাড. ফৌজুল আমিন, মফজল আহমদ চৌধুরী, নূরুল ইসলাম সওদাগর, ভিপি মোজাম্মেল (আনোয়ারা), মেজবা উদ্দিন চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ রফিক, হাজী মো: ইসহাক চৌধুরী, মঈনুল আলম ছোটন, শফিকুল ইসলাম শফিক, বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, রেজাউল করিম নেছার, মাষ্টার মোহাম্মদ লোকমান, রেজাউল করিম রেজা, গাজী আবু তাহের, মোর্শেদুল শফি হিরু, সাইফুদ্দিন আহমেদ তৌহিদুল আলম, আবদুল মাবুদ, শামশুল আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজ প্রমূখ।
T.A.S / T.A.S
ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলা, থানায় মামলা দায়ের
নবীনগরে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা:দোকান ভাংচুর, থানায় মামলা
ধুনটে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
শেরপুরে বাবর ফিলিং স্টেশনে মোবাইল কোর্ট অভিযান: জ্বালানি তেল জব্দ ও জরিমানা
যশোরে শাশুড়িকে জবাই করে বস্তাবন্দী পুত্রবধূ আটক
মোহনগঞ্জে ফ্রি ভেটেরিনারি ক্যাম্পে গরুকে এলএসডি টিকা, খামারিদের স্বস্তি
মেহেরপুরে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সুনামগঞ্জ শহরের আলোচিত প্রায় অর্ধ কোটি টাকা স্বর্ণ ও ডলার চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন আটক-৫
নতুন ব্রিজে নৌ পুলিশের অভিযানে ডাকাত সন্দেহে আটক ২
বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের সামনে কৃষ্ণচূড়ার অপরূপ সৌন্দর্য
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার
প্রধান শিক্ষকের ভুলে এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারল না জান্নাতি, এক বছর নষ্টের অভিযোগ