কালুখালীতে ৩৯ লাখ টাকার কাজ শেষ না হতেই সড়কে ধস
৩৯ লাখ টাকার কাজ শেষ না হতেই সড়কে ভাঙন। কাজের নেই কোনো চিহ্ন। খুব দ্রুত সড়কটি ভাঙন রোধ না করা হলে ফসলি জমিসহ কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনিয়ম হয়েছে বলে কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভাঙন ধরেছে বলে অভিয়োগ করেছেন এলাকাবাসী।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বাহের মোড়-মৃগীর পাকা সড়কে ভাঙন ধরেছে। উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের ঘাটড়া গ্রামে গড়াই নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ ভাঙন ধরেছে। পাংশা উপজেলার পাট্ট ইউনিয়নের বাহের মোড় থেকে কালুখালী উপজেলার মৃগী রাজারে যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটি। সড়কটি নদীতীরবর্তী হওয়ায় ইতিপূর্বেও এই একই জায়গায় ভাঙন ধরেছিল। ভাঙন রোধে গত বছর ৩৯ লাখ টাকার বরাদ্দ হয়। কাজটি চলমান ছিল বলে জানান এলাকাবাসী।
সরেজমিন দেখা যায়, সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে নদীতে ধসে গেছে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিটারের মতো জায়গায় ধস নেমেছে।
এ সময় এলাকাবাসীরা বলেন, কাজটি যখন শুরু করেছিল নদীতে পানি ছিল না। থেমে থেমে চলছিল কাজ। পরে নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে কাজটি সম্পন্ন করতে পরেনি। তাছাড়াও যতটুকু কাজ করেছিল যদি সঠিকভাবে করত তাহলে এত দ্রুত ভেঙে যেত না। এই নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। আমরা বেশ কয়েক দিন দেখেছি উপর থেকে অফিসার আসে টাকা নিয়ে চলে যায়। আমরা এক দিন জিজ্ঞাসা করি কিসের টাকা নিলেন? উত্তরে বলেন, এটা আমাদের লাঞ্চ খরচের টাকা। আমরা এলাকার স্বার্থে বিভিন্ন অনিমের কথা বরলে আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছে কাজের কন্ট্রাক্টর।
সাওরাইল ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম (আলী) বলেন, প্রতি বছরই এই জায়গাটা ভাঙে। এর আগেও কাজ হয়েছে। কিন্তু ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। যতটুকু অংশ ভাঙার বাকি আছে সেটুকু ভেঙে গেলে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে এবং ব্যাপক ফসলি জমি তলিয়ে যাবে। এলাকাবাসী কাজে অনিয়মের কথা বললে তাদের হুমকিও দেয়া হয়েছে বলে লোকমুখে শুনতে পেরেছি। তবে আমি কন্ট্রাক্টরের কাছে কাজের ইস্টিসেট দেখতে চেয়েছিলাম, তিনি দেখাননি। বরাদ্দ আরো বেশি দেয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহাদ হোসেন বলেন, ভাঙন রোধ করার জন্য প্রথমে ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। পরে আবার ৬০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল, সেটাও বরাদ্দ হয়নি। সর্বশেষ ২০০ মিটার লেঞ্চের মধ্যে দুটি প্যাকেজে ৩৯ লাখ টাকা অনুমতি দেয়। তারপরেও যোগাযোগ ব্যবস্থা চলমান রাখার জন্য কাজটি করা হয়। যে টাকা বাজেট দেয়া হয়েছে, কাজের তুলোনায় টাকা অনেক কম। কারচুপি করার কোনো সুযোগ নেই। মারুফ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করেছে।
এ বিষয়ে মারুফ এন্টারপ্রাইজের সাইড কন্ট্রাক্টর বাপ্পি বলেন, কাজটি সম্পন্ন করে আমরা বুঝে দিয়েছি। এখন ভেঙে গেলে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী যে অভিযোগ করেছে তার কোনোটিই সঠিক নয়।
এমএসএম / জামান
কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে অবৈধ দখল উচ্ছেদে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান
আদমদীঘিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা
পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে এসএমজি ও ১শ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
নড়াইলে অরুণিমা রিসোর্টে জুনিয়র গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার ও গাছের চারা বিতরণ
গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন
বাগেরহাটে ইউপি মেম্বরের সংবাদ সম্মেলন
ধামইরহাটে বরাবর সময় মত অফিস করেন না মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা
সিংড়ায় ছোট চৌগ্রামে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করলো প্রতিপক্ষরা
নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, উদ্ধার ২১৭টি টেটা
আদালতের নির্দেশে ভূরুঙ্গামারীতে আপডেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সিলগালা খোলার আদেশ
তেঁতুলিয়ায় বাংলাদেশ-৮৮’র বর্ণিল মিলনমেলা, বন্ধুত্বের উৎসবে মুখরিত ডাকবাংলো
রাবিতে মৎস্য উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত