রাজবাড়ীতে সাবেক জজের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন
আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে সমন্বয়ক হিসেবে কর্মরত সাবেক জেলা জজ মোঃ শামছুল হক এর গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে দুই ঘন্টা ব্যাপি এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা, সাবেক সদস্য সচিব মোঃ নাজিরুল ইসলাম তিতাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মোঃ রুস্তম আলী মোল্লা, শ্রমিকদলের সভাপতি আবুল কাসেম মিয়া, তরুণদলের সভাপতি এশা, ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল হাসান মিঠু, পৌর যুবদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলো, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী রাজিয়া দেলোয়ার প্রমূখ।
এসময় বক্তারা, বিচারের নামে প্রহসন তথাকথিত যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালে সমন্বয়ক যার হাতে বিএনপি ও জামায়াতের অনেক নেতাকর্মীদের ফাঁসি, ঘুষ বানিজ্য এবং ছাত্র জনতার হত্যাকারী দূর্ণীতিবাজ খুনি হাসিনার দোষর শামছু জজের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানান। এ বিষয়ে সাবেক জেলা জজ মোঃ শামসুল হক বলেন, আমি কখনো যুদ্ধাপরাধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলাম না এবং ট্রাইব্যুনালের কোন প্রকার বিচারিক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। তাছাড়া আমার চাকুরী জীবনে আমি কোন আসামীকে মৃত্যুদন্ড দেই নাই। তিনি বলেন, মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের এ্যাটর্নী জেনারেল কার্যালয়ের অভ্যন্তরে সলিসিটর উইং এ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সলিসিটর (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনের পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন ভবন গণপূর্ত বিভাগের অধীনে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়। ওই সময়ে আমি মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে এ্যাটর্নী জেনারেল কার্যালয়ের অভ্যন্তরে সলিসিটর উইং কার্যালয়ে উপ-সলিসিটর (প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত থাকায় পুরাতন ভবন সংস্কারের কার্যক্রমের দেখাশুনা করার জন্য ৫ সদস্যের সাথে আমাকে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। ওই সময়ের ৩ জন বিচারক এখনও আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে কর্মরত আছেন। ওই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ ছিল “শুধু গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুরাতন ভবনের সংস্কার কার্যক্রম দেখাশুনা করা”। ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় ইং ২০১০ সালের ২৫ শে মার্চে। এর পূর্বেই সমন্বয়কদের দায়িত্ব শেষ হয়। ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে আমি অবসরে যাই। তাছাড়া বিচার বা তদন্ত বা অন্য কোন কার্যক্রমের সাথে আমার ন্যূনতম সম্পর্ক ছিল না। বিষয়টি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে খোঁজ করলেও এর সত্যতা পাওয়া যাবে।
T.A.S / T.A.S
নবীনগরে ১০০ পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে মতিন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের গবাদিপশু বিতরণ
দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশে ফিরলেন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কর্ণধার সিহান,জমকালো আয়োজনে বরণ
বাগেরহাটে প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়নের দাবিতে দৈবজ্ঞহাটীতে বিশাল মানববন্ধন
জয়পুরহাটে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রেস ব্রিফিং
দুর্নীতি ঢাকতেই প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
লোহাগড়ায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা-ছেলে গুরুতর আহত, থানায় মামলা
শেরপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
পাঁচবিবিতে থামছেই না চুরি, ১ মাসে ১০টির অধিক দূধর্ষ চুরি সংঘটিত
জনপ্রিয় ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা আহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে শোকাহত কাউনিয়া
কুড়িগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা
গোপালগঞ্জে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মদন ফতেপুরে ১৭৪৮ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ